আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বৃত্তির তথ্য



ফেলোশিপ দেবে ইউনেস্কো: দ্য গ্রেট ওয়াল কো-স্পন্সরড ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ২০১১-১২-এর আওতায় মোট ২৫টি ফেলোশিপ দেওয়া হবে। ইউনেস্কো ও চীন সরকার যৌথভাবে এই ফেলোশিপ প্রদান করবে। গ্র্যাজুয়েট, পোস্টগ্র্যাজুয়েট/পিএইচডি পর্যায়ে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হবে। আবেদন করতে হবে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে। চীনের মোট ১৬৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের ন্যূনতম ব্যাচেলর ডিগ্রি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে বিভিন্ন কোর্সের ভর্তি যোগ্যতার ভিন্নতার ওপর প্রার্থীর আবেদনের যোগ্যতা নির্ভর করবে। তা ছাড়া প্রার্থীদের ইংরেজির দক্ষতাসহ তাঁর বয়স ৪৫ বছরের নিচে হতে হবে। আর আবেদনকারী প্রার্থীদের শারীরিক সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এই ফেলোশিপ প্রাপ্তরা চীন সরকার থেকে টিউশন ফিসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

তবে প্রার্থীদের আলাদাভাবে ইউনেস্কো থেকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে। প্রার্থীরা আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। সঙ্গে তিন কপি ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার নোটারি করা সনদপত্র ও নম্বরপত্র, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রমাণপত্র, দুটি প্রত্যয়নপত্র এবং ৪০০ শব্দের গবেষণাপত্র দিতে হবে। আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে http://www.csc.edu.cn—এ ওয়েবসাইটে। আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে http://en.csc.edu.cn/Laihua/Search.aspx-এ লিংক থেকে।

ই-মেইল ঠিকানা- আবেদনপত্র পাঠাতে হবে—চিফ অব পার্টিসিপেশন প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফেলোশিপ সেকশন, ইউনেস্কো, ৭ প্যালেস দো ফনটোনি-৭৫৩৫২, প্যারিস-০৭, এসপি-ফ্রান্স। আবেদন সম্পূর্ণ ইংরেজিতে করতে হবে। ইকুয়েটি অ্যান্ড মেরিট স্কলারশিপ: ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই বৃত্তি দেবে। আবেদন করতে হবে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে। ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে গ্র্যাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট/পিএইচডি পর্যায়ে এই বৃত্তি দেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশে এই বৃত্তির সব বিষয় তত্ত্বাবধান করবে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এই বৃত্তির জন্য আবেদনকারী প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। তবে তিনি যদি এর আগে কখনো বিদেশে লেখাপড়া বা কাজের জন্য গিয়ে থাকেন, তবে তিনি এই বৃত্তিতে আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন না। বয়স আবেদনের সময় ৩৫ বছরের বেশি হলেও আবেদন করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের যেকোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল বিভাগ থেকে ৭০ শতাংশ নম্বর এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাস করতে হবে।

তবে যাঁরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েট বা পোস্ট গ্রাজুয়েট পর্যায়ে লেখাপড়া করেছেন, তাঁরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। আর আবেদনকারীদের আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ৬.৫ থাকতে হবে। যাঁরা এই বৃত্তি নিয়ে বিদেশ যেতে চান, তাঁদের অঙ্গীকার করতে হবে যে তারা লেখাপড়া শেষে দেশে ফিরে আসবেন। তা ছাড়া প্রার্থীদের ভালো ধারণা থাকতে হবে যে যুক্তরাজ্যে লেখাপড়া করা তার নিজের ক্যারিয়ার এবং দেশের কী কাজে লাগবে। এই বৃত্তির আওতায় প্রার্থীদের টিউশন ফি, ফিরতি টিকিট এবং থাকার খরচ দেওয়া হবে।

মোট চারটি বৃত্তি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেওয়া হবে। আবেদনপত্র ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা যাবে। তা ছাড়া Click This Link ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করা যাবে। যেসব আবেদনকারী মধ্য এপ্রিলের মধ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে কোনো উত্তর না পান, তবে তাঁরা নির্বাচিত হননি বলে ধরে নিতে হবে। বৃত্তি দিচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড: পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে।

আবেদন করতে হবে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে। আবেদনকারীদের তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, প্রকৌশল, টেক্সটাইল, লেদার, ভেটেরেনারিস কলেজসহ বিভিন্ন কলেজে এইচএসসি পর্যায়ে লেখা পড়া করছেন, তাঁরাই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদনপত্র তিনটি পার্বত্য জেলা উন্নয়ন বোর্ড অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য মো. মনজুরুল আলম, পরিকল্পনা কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, রাঙামাটি-৪৫০০, বাংলাদেশ, ফোন- ০৩৫-১৬৩৩১৫।

বৃত্তি দেবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক: ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশন স্নাতক-পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে। ১৫ মার্চের মধ্যে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী ২০১০ সালে জিপিএ-৫ এর মধ্যে জিপিএ ৪.৫ পেয়ে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন, শুধু তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ ও শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে এই বৃত্তি বছর বছর নবায়ন করা যাবে। তবে যেসব শিক্ষার্থী অন্য কোনো বৃত্তি পাচ্ছেন, তিনি এই বৃত্তির জন্য যোগ্য হবেন না।

এই বৃত্তির ৯০ ভাগ দেওয়া হবে সিটি করপোরেশনের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের। এই বৃত্তিতে ৫০ শতাংশ নারী কোটা সংরক্ষণ করা হবে। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। আর বার্ষিক হিসেবে বইখাতা বাবদ পাঁচ হাজার ও পোশাক-পরিচ্ছদ বাবদ এক হাজার টাকা দেওয়া হবে। আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

তবে যেসব জায়গায় এই ব্যাংকের কোনো শাখা নেই, সেসব জায়গার শিক্ষার্থীরা সাদা কাগজে জীবন বৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগের বিস্তারিতসহ আবেদন করতে পারবেন। আবেদনপত্রের সঙ্গে চার কপি ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বরপত্র ও সনদপত্র প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। তা ছাড়া প্রার্থীদের অভিভাবকের আয়ের সনদ এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রশংসাপত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার ঠিকানা—ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশন, সেনা কল্যাণ ভবন (ষষ্ঠ তলা), ১৯৫ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের বৃত্তি: সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ ২০১০-১১ অর্থবছরে সিরাজগঞ্জ জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য বৃত্তি প্রদান করবে।

আবেদন করতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। ২০১০ সালে যেসব প্রার্থী এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন অথবা এর আগে এসএসসি পরীক্ষা পাস করেছেন এবং বর্তমানে কোনো উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে লেখাপড়া করছেন, তাঁরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই বৃত্তি জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্য থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে জেলা পরিষদ থেকে এবং প্রার্থীকে তা নিজ হাতে পূরণ করে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের জন্য কোনো মূল্য দিতে হবে না।

আবেদনপত্র পূরণ করে তার সঙ্গে প্রার্থীর নাগরিকতার সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বরপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, দুই কপি ছবি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান/বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত করে জমা দেবেন। যাঁরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান, তাঁদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ এবং বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৭৫ আর মানবিক বিভাগ থেকে ৪.৫০ জিপিএ পেয়ে পাস করতে হবে। আর মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় যেকোনো বিভাগ থেকে জিপিএ ৪ পেয়ে পাস করলেই তিনি এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া প্রার্থীর অভিভাবকের আয়ের সনদও আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এই বৃত্তি-সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত তথ্য জেলা পরিষদের নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।

বৃত্তি দিচ্ছে বরিশাল জেলা পরিষদ: বরিশাল জেলা পরিষদ বরিশাল জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের আন্ডার গ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি প্রদান করবে। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি প্রদান করা হবে। আবেদন করতে হবে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে। যেসব প্রার্থী এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান, তাঁদের অবশ্যই ২০১০ সালের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে পাস করতে হবে। আর মুক্তিযোদ্ধা সন্তানেরা জিপিএ ৪ পেয়ে পাস করলেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনকারীদের নিজ হাতে আবেদনপত্র লিখতে হবে। আবেদনপত্রে প্রার্থী তাঁর নিজের নাম, মা-বাবার নামসহ বিস্তারিত সব তথ্য প্রদান করবেন। আর প্রার্থীরা অবশ্যই আবেদনপত্রের শেষে স্বাক্ষর করবেন। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া প্রত্যয়নপত্র, নম্বরপত্র, ট্রান্সক্রিপ্ট, জাতীয়তার সনদ, অভিভাবকের আয়ের সনদ এবং প্রার্থীর এক কপি ছবি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। অন্যান্য যোগ্যতা প্রমাণের জন্য প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে জেলা পরিষদের কার্যালয় থেকে। এই বৃত্তি-সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটে। ভোলা জেলা পরিষদ বৃত্তি: আন্ডার গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভোলা জেলা পরিষদ ভোলার স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য বৃত্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই বৃত্তির জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ভোলা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বৃত্তিতে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.৮ পেয়ে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। আর এইচএসসি পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীদের জিপিএ-৫ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের প্রার্থীদের জিপিএ ৪.৭৫ পেয়ে পাস করতে হবে। আবেদনপত্র জেলা পরিষদ অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীরা বিভাগীয় প্রধান বা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দেবেন। আর প্রার্থীর জাতীয়তার ও আর্থিক অবস্থার সনদ পৌর কমিশনার বা ইউপি চেয়্যারম্যান দ্বারা সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

তা ছাড়াও আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পরীক্ষায় পাসের নম্বরপত্র, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং এক কপি ছবি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা দেবেন। Source: Click This Link

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।