এডিট করুন
আচ্ছা বাবা, কি করে, যুদ্ধ বাধে বলো না? ছোট্ট ছেলেটি জিজ্ঞেস করে বনমালীকে।
"কেমন করে' যুদ্ধ বাধে? যুদ্ধের আবার বাঁধাবাধি আছে!" কথাটা এককথায় উড়িয়ে দিতে চায় বনমালীঃ "ও বাধলেই হোলো। "
"ও কি কথা?" বনমালীর বৌ ফোঁস করে' উঠলঃ "ছেলে জিগ্যেস করেছে একটা কথা, তার ও কী জবাব?"
সত্যিকথা।
পারতপক্ষে অবোধ শিশুদের জ্ঞান-পিপাসা মেটানোই উচিত। এইরুপে ওদের তথ্যলালসা চরিতার্থ হতে হতে এই অদম্য ক্ষুধাই ক্রমে ক্রমে এবং বেড়ে বেড়ে সামান্য পাঠশালা থেকে সিনেটহল মারফত অবশেষে কেরানিগিরির আপিসে নিয়ে গিয়ে ওদের দাঁড় করাবে---কৌতুহলের যেখানে চরম পরিণতি।
বৌয়ের কথায় আমি সায় দিই।
"আচ্ছা আচ্ছা। " বনমালী আরম্ভ করে, "এই মনে কর, ইংরেজরা ফরাসীদের সঙ্গে ঝগড়া বাধালো। "
"কিন্তু---" বনমালীর বৌ বাধা দেয়ঃ "ফরাসীর সঙ্গে ইংরেজের ঝগড়া বাধবে কেন? তাই কি বেধেচে?"
"বাধেনি জানি। " বনমালী বলেঃ "আমি কথার কথা বলছিলাম।
"
"এই ভাবে ছেলেপিলেদের তুমি ভুল শিক্ষা দিচ্ছ। "
"না, কিছুতেই না। ভুল শিক্ষা দেব কেন?" বনমালী রুখে দাঁড়ায়--পদদলিত পতঙ্গও কি এক এক সময়ে বিগড়োয় না? বিশেষতঃ সেই পতঙ্গকে একটু আগে যদি অগ্নিকান্ডের আকর্ষণ এড়িয়ে প্রাণ হাতে করে' পালিয়ে আসতে হয়ে থাকে।
"হ্যাঁ দিচ্ছ। "
"না, দিচ্ছিনে।
"
দুই পক্ষই একরোখা। দোরোখা দাম্পত্য-কলহ।
"হয়েছে বাবা," বড় ছেলেটি তাড়াতাড়ি বললঃ"যুদ্ধ কি করে' বাধে, আমরা বুঝতে পেরেছি এখন। "
--শিবরাম চক্রবর্ত্তী
------------------------
দাঙ্গা কি করে বাধে বুঝতে পেরেছি এখন। কপাল ভাল এইটা ব্লগ, বাস্তব জগত নয়।
চায়ের দোকানের ঝগড়া থেকে দুই গ্রামের খুনোখুনি শুরু হয়। বাইচা গেছি, বড় বাচা বাইচা গেছি।
--------------------------
সোজন বাদিয়ার ঘাটের সোজন যে ছেড়িডারে নিয়া পলাইছিল ঐ ছেড়িডার নাম কি কেউ জানেন। মনে করতে পারতাছিনা। "কলি" না কি জানি আছিল নাম।
কেউ পারলে মনে করাইয়া দিয়েন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।