আনাড়ী রন্ধন শিল্পীর ব্লগ B-)। ব্লগের বাজে-মানহীন লেখাগুলোর মাস্টার পিস দেখতে চাইলে এই ব্লগারের পোষ্ট গুলো পড়ে দেখতে পারেন। কথা দিচ্ছি, নিরাশ হবেন না। B-)
আসগর মিয়ার বাবার জমি-জিরাত ভালই ছিল। বাবার একমাত্র ছেলে হওয়ার সুবাদে বাবার মৃত্যুর পরে সমস্ত সম্পত্তির মালিক সেই হয়।
ভরা যৌবনে বিয়ে করে পাশের গ্রামের সুন্দরী হুরুন্নেসা কে। নামে হুরুন্নেসাই ছিল। কাম-কাজ তেমন পারতনা। বিশেষ করে তার রান্না-বান্না। কোন মাছ কি দিয়ে রান্না করবে, কোন তরকারী কিভাবে কাটবে এসবের কিছুই জানত না।
তার তরকারী কখনই পুরোপুরি সেদ্ধ হতনা। খাবার সময় কচকচ করত। কিন্তু এসব নিয়ে আসগর মিয়ার মাথা ব্যাথা ছিলনা। সে ছিল সুন্দরের পুজারী। বউকে খুব ভালবাসত।
কিন্তু সব ভালবাসার মায়া জাল ছিন্ন করে হুরুন্নেসা চলে যায় না ফেরার দেশে তার আগে আসগর মিয়াকে ভালবাসার ফল স্বরুপ উপহার দিয়ে যায় হাসু'কে। হাসু দেখতে মা'র মতই সুন্দর ছিল। কিন্তু এত্ত ছোট বাচ্চাকে সে কিভাবে লালন-পালন করবে, কিইবা খাওয়াবে এসব নিয়ে ভেবে অস্থর হয়ে পরে। এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করে পাশের বাড়ীর নাসিমা। নাসিমা ছিল সকল কাজেই পটু।
কিন্তু বিধাতা তাকে একটি দিকেই খাটো করেছেন(!) সে মা হতে পারবেনা জেনে স্বামী তাকে ফেলে আবার বিয়ে করেছে। জীবনটা যখন তার কাছে অর্থহীন হয়ে উঠে তখনই আসগর মিয়া তাকে উদ্ধার করে। সে এক হাতেই হাসুর যত্ন এবং ঘরকন্নার কাজ চালিয়ে যেতে থাকত। আসগর মিয়ার মন যোগানোর জন্যে ভাল ভাল রান্না করত। কিন্তু আসগর মিয়া এত মজার খাবারে অভ্যস্ত ছিলনা।
একদিন সে বড় চিংড়িমাছ আনলে নাসিমা তার খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে নারিকেল দিয়ে ভুনা করে। কিন্তু খাবার সময় আসগর মিয়ার মনে পড়ে যায় হুরুন্নেসার কথা। সে একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে, "আমার হাসুর মা'র ঘাসুর ঘুসুর ই ভালা আছিলো"
দৃষ্টি অকর্ষন: যদি মনে করেন এটা নীল-দর্পণের রচিত গল্প তাহলে ভুল করবেন। ইতোঃপূর্বে করেকবার পল্প লেখার অপচেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ক্ষান্ত দিয়েছি। তবে এটাও একটা অপচেষ্টা থিমটা আসলে আমার বড় দাদুর কাছ থেকে শুনেছি।
পরে আমি সেটাকে এডিট করে নিয়েছি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।