ফেসবুক আইডি:নাই
তিনি মারা যাচ্ছেন না অবশ্য!!!
সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ জাতিসংঘে যেতে চান। এটা হতে পারে জাতিসংঘের কোন চাকরি। অথবা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। এই আগ্রহ তিনি ব্যক্ত করেছেন সরকারের দায়িত্বশীলদের কাছে। এর আগে অবশ্য দেন-দরবার করেছিলেন, চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর জন্য।
দেশী-বিদেশী মহল তার হয়ে দূতিয়ালি করেছেন নানাভাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত কৌশলে তার ইচ্ছায় বাদ সাধেন। অনেকটা নাটকীয়ভাবে জেনারেল মবিনকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করেন। আগামীকাল তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।
জেনারেল মইনের হয়ে তার শুভাকাক্সক্ষীরা প্রধানমন্ত্রীকে বলছেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে তার যে ভূমিকা কিছুটা হলেও মূল্যায়ন করা দরকার।
তারা জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বড় কোন চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মাঝখানে খবর বেরিয়েছিল, জেনারেল মইনকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত করা হচ্ছে। আসলে এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। অবসরপ্রাপ্ত পেশাদার কূটনীতিক আকরামুল কাদেরকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং জেনারেল মইনকে রাষ্ট্রদূত করার কোন সম্ভাবনা নেই।
তবে তিনি জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেও পেতে পারেন। ওয়ান ইলেভেনের নায়ক জেনারেল মইন বাইরে যতটা না সমালোচিত তার চেয়ে বেশি সমালোচিত নিজ ঘরেই। বিশেষ করে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় তার ভূমিকা সেনামহলে বরাবরই সমালোচিত। দুই নেত্রীকে মাইনাস করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোলেও এক রহস্যজনক কারণে তা থেকে তিনি সরে যান। দু’টি বছর অত্যন্ত দাপটের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন কখনও প্রকাশ্যে, কখনও নেপথ্যে।
লাইনচ্যুত ট্রেনকে তিনি লাইনে টেনে তুলেছেন ঠিকই, কিন্তু সে ট্রেনে বোঝাই হয়েছেন ভেজাল যাত্রী।
২০০৮ সালের ১৫ই জুন মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিয়ম ভঙ্গ করে নিজেই এক বছর বাড়িয়েছিলেন। বিষয়টি যাতে জানাজানি না হয়, সেজন্য ফাইলটি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ হয়ে বঙ্গভবনে যায়নি। একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরাসরি ফাইলটি প্রেসিডেন্টের দপ্তরে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন ফাইলে সই করেছিলেন এক মিনিটে।
সে সময় প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমিনুল করিম অসুস্থতার কারণে ছুটিতে ছিলেন।
আজকের মানবজমিন থেকে
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।