habibur.rashid.ismail@gmail.com
দশ-ই মহররম শাহাদাতে কারবালা দিবস-ই মুসলিম মিল্লাতের মহান জাতীয় শহীদ দিবস।
ইমামে আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মহান শাহাদাতের শিক্ষাই কলেমার অঙ্গীকার তথা ঈমানী জীবনের মূলকথা এবং হক ও বাতেলের পার্থক্যকারী সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত।
সত্যে অটল থাকা এবং মুসলিম অমুসলিম যে বেশধারীই হোক কোন বাতেল জালেমকে কবুল না করাই এ দিবসের আমানত। ক্ষমতা, প্রতিপত্তি বা যেকোন বস্তুবাদী মোহে সত্যের বিপরীতে আপোষ- আত্মসমর্পণ এ শাহাদাতের সাথে বেঈমানি ও এজিদের অনুসরণ।
এ দিবস প্রমাণ করে মুসলিম ছদ্মবেশী বাতেল জালেম অপশক্তিই ঈমান-দ্বীন-জাতির সর্বনিকৃষ্ট শত্রু, যাদেরকে চিনতে না পারলে সত্যের সম্পর্ক তথা ঈমানী অস্তিত্ব বিপন্ন হতে বাধ্য।
ঈমান পরিপন্থী তথা শানে রেসালাতের খেলাপ, আওলিয়াকেরাম বিদ্বেষী এবং কোরআন-হাদিস শরিফের অপব্যাখ্যাকারী দ্বীন বিকৃতিকারী ওহাবী, মওদুদী প্রভৃতি বাতেল ফেরকাই ইসলামের ছদ্মনামে এ যুগের এজিদবাদ এবং শিয়াবাদ; কারবালার ছদ্মনামে ঈমান-দ্বীন পরিপন্থী প্রতারণা।
জীবনের প্রকৃত আলো ও দিশা তথা রেসালাতে ইলাহিভিত্তিক সত্ত্বা ও আত্মপরিচয়ে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্যে অভিযাত্রাই জাতীয় শহীদ দিবসের মূলচেতনা এবং ভাষা-গোষ্ঠি-রাষ্ট্র-লিঙ্গ ইত্যাদি ভিত্তিক নাস্তিক্যউদ্ভূত বস্তুবাদী আত্মপরিচয় জীবনে জাতীয়তা বঞ্চনা, বৈষম্য, বিভাজন, এজিদবাদী কুফরি ও বিনাশের প্রতিফলন।
যেকোন ধর্মেরই হোক না কেন নিরপরাধ মানুষ হত্যা জিহাদ নয়; বরং ইসলামের আদর্শকেই হত্যা করা এবং খোদার আইন, ইসলামী শাসন, শরিয়ত বা যেকোন অজুহাতে কোন মানুষের মৌলিক অধিকার, ন্যায্য স্বাধীনতা হরণ কারবালার শিক্ষার বিপরীত এজিদবাদী চক্রের লক্ষণ।
মিথ্যা-অবিচার-জুলুম-শোষণ-সম্প্রদায়িকতার কবলমুক্ত এবং সত্য-সুবিচার-মানবতা-অধিকারভিত্তিক ব্যক্তিনিরপেক্ষ সার্বজনীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, খেলাফতই শাহাদাতে কারবালার নির্দেশনা।
জাতীয় শহীদ দিবসের শিক্ষা ও আমানতের উত্তরাধিকার তথা সত্যের ধারক হিসেবে জাতীয় ছুন্নী আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হোন এবং সর্বপ্রকার বাতেল জালেম অপশক্তির কবল থেকে দ্বীন, জাতি, মানবতার মুক্তির অভিযাত্রায় শরিক হোন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।