আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাচলে শহীদ মরলে গাজী: মুক্তযুদ্ধভিত্তিক রাজাকারীয় বিশ্লেষন এবং সংশ্লেষণ!

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

কয়েক দিন ধরিয়া দুই ব্লগারকে লইয়া ব্লগবাসী নূহের আমলে নীল দরিয়ার পানির মতো দুই দলে বিভক্ত হইয়া ভরা বর্ষায় কাদা ছুড়াছুড়ি করতাছে। আমি অবশ্য চামবাজ ব্যক্তি, চামাচামিতেই আমার কি আনন্দ! তয় ব্লগে বর্তমানে কাদা পইচা গন্ধ ছুটছে। আমি পরহেজগার ব্যক্তিকে চিনতাম, আমার যৌবনদশায় নামাজ কাজা করতে দেখি নাই। পুরা হুজুর, আমি অবশ্য শয়তানি কইরা ডাকতাম খেজুর।

তিনি কিছুই বলতেন না। পুরা গান্ধীবাদী। কিন্তু আমি তো পুরা বান্দর, যার নীতি: ঘাড়ে বইসা কান ধর! সে গানবাজনা শুনতেন না। এই বড় সাদা দাড়ী। তার দাড়ি এতই সাদা যে আমার দাতও ওতো সাদা না (যদিও আমি আবার কালে ভদ্রে দন্তে খিলাল করি)।

কাউকে গানবাজনা শুনতে দেখলে তার আদেশ উপদেশ শুরু করতেন। তবে ঐ ধরনটা একটু অন্যরকম। গানটা যখন শুরু হতো তখন তিনি দূর হতে লক্ষ করতেন। কাছে আসতেন কিন্তু কিছু বলতেন না। মুখের ভাবখানা এমন ইসরাইল খালি মাইর দিয়াই যাইতাছে মাগার ফিলিস্তিনিরা কোনো রা করতাছে না।

গান শেষ হইলে শুরু করতো উপদেশ: মারফতী উপদেশ। তা একদিন তারে জিজ্ঞেস করলাম, "চাচাজান, আপনার রেসপন্সে এত ডিলে হয় কেন?" উনার উত্তর, "দেহি এই যুগের পুলাপান কেমুন গান গায়? তয় আগের মতো আর গান নাই। " আমি তো হালার বেকুব বইনা গেলাম! তো একদিন তিনি মাগরেবের জামাতের আয়োজন করলেন। আমরা পিছনে ২-৩ জন বান্দর দাড়িয়ে গেলাম নামাজ পড়তে। ৩ রাকাত পড়ার পর হঠাত দরজায় টোকার শব্দ হইলো।

আচমকা চাচাজান দরুদ শরীফ পড়ার মাঝখানে রেসপন্স মারলেন," কে?" আমি দ্বিতীয়বার বেকুব! মনে হইলো আমি তো বেকুবীয়ান ওয়ার্ল্ডে বাস করতাছি। চাচাজান যখন মারা যায়, তখন তার জানাজায় অনেক লোক হয়েছিলো। অনেক হিন্দু লোকও চোখের পানি ফেলেছিলাম। আমিও ফেলেছিলাম। মানুষ মানুষকে মনে রাখে তার কর্মে।

কেউ একজন কাউকে গালী দিল। দুটা উপায়ে এর রেসপন্স দেয়া যায়। একটা হলো গান্ধীটাইপ আর একটা হলো Talk to the hand। এক পথে কুকুরে কামড়ালো। তাহলে আসো কুকুরকে কামড়াই।

অথবা কুকুরকে আরেকটা কামড় দেবার জন্য পা বাড়িয়ে দেই। একবার এক ইন্টারভিউ বোর্ড বসছে। প্রথম প্রশ্ন,"আপনার জন্মতারিখ?" উত্তর," যতদূর শুনছি ৩০ শে এপ্রিল। " - শুনছি মানে? আপনি কি শিওর না? - শিওর হই কিভাবে? জন্মের সময়টাতো আমার মনে নাই। জ্ঞান হবার পরে বাবা বলতো ৩০ শে এপ্রিল আমার জন্মদিন।

তখন থেকেই মনে হয় আমার জন্ম। তাজ্জুব ইন্টারভিউবোর্ডের দ্বিতীয় প্রশ্ন," আরে আপনি তো দেখি তাজুল স্যারের ছেলে?" - তাইতো জানি স্যার। মা তো ছোটকাল থেকেই বলতো এই লোকটি আমার বাবা। ইন্টারভিউ পুরা আমার মতো বেকুব। সব বেকুবিয়ান ওয়ার্ল্ড।

অবশ্য ঐ ইন্টার্ভিউপ্রার্থী এদেশের বড় একটা মোবাইল কোম্পানীর ব্রান্ড ম্যানেজার। তবে এইদেশের আমি একটা জিনিস নিয়া আমি আশাবাদী আর সেটা হল গরু। ঢাকার বাইরে হইওয়ের রাস্তাগুলোর উপরে দাড়িয়ে থাকলে হর্ণ শুনলে দ্রুতসাইড দিয়া দেয়। কিন্তু মেহেরপুরের ব্লাক বেন্গল ছাগল নয়া হতাশায় ভুগতেছি। কারণ এইসব লাটসাহেবের ণাতীরা রাস্তার মাঝখানে দাড়ায়া উদাস নয়নে রাস্তার ধারে তাকায়া থাকে, হর্ণ বাজাইলে কানে যায় না।

মনে রাস্তাডা ওর বাপের কবিতা লেখনের ফিল্ড! সাইড আমাগো দিতে হবে। এখন তিরভূজ রাগইমন কি রাস্তার ছাগল যে ওরে এইভাবে ঐ কথা গুলো বলবা? দুই জনেরই দোষ, তাই বলে ণিজেদের মুখোশ এইভাবে খোলা কি ঠিক? সূত্রাবলী: জীবন থেকে ঈষত মডিফাইকৃত!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।