আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

গোলাম আজম আর স্যার হুমায়ুন আহমেদ এর বয়সের পার্থক্য ২৬ বছর!!!!আরো ২৬ বছর বাচলে স্যারের হাত থেকে আর না জানি কি কি পেতাম!!!

আসুন দেখি আমাদের দেশের কিছু অতি পরিচিত আর সুখ্যাত/কুখ্যাত লোকের কে কইদিন দুনিয়ায় থেকে গেলেন বা থাকছেন। গোলাম আজম ( জন্ম-৭ নভেম্বর ১৯২২, এজ -৮৯!!) মতিউর রহমান নিজামী(জন্ম-১৯৪৩,এজ-৬৯) হুসাইন মুহাম্মাদ এরশাদ(জন্ম-১৯৩০,এজ -৮২!!) স্যার হুমায়ুন আহমেদ(জন্ম-১৩ নভেম্বর ১৯৪৮,মৃত্যু-২০১২,এজ-৬৩) তারেক মাসুদ(জন্ম-ডিসেম্বর ৬,১৯৫৬, মৃত্যু-২০১১, এজ-৫৪) মিশুক মুনীর(জন্ম-অগাস্ট ১৩,১৯৫৯,মৃত্যু-২০১১,এজ-৫১) এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হুমায়ুন আহমেদ আর সবচেয়ে কুখ্যাত গুলাম আজম। যাদের মধ্যে জীবনকালের পার্থক্য ২৬ বছর!!! এছাড়া তারেক মাসুদ এর ৩৫ আর মিশুক মুনীর এর ৩৮ বছর বেশী যা আরো বাড়বে।তাও এটা আর বাড়বে কারন অগ্রজ জন এখনো জীবিত। এরশাদ সাহেব এখনো জীবিত যিনি খুব ভাল মত রাজনীতি করছেন আর রাষ্ট্রপতি ও হতে চান তার এজ এখন ও হুমায়ুন আহমেদ এর ১৯ বছর, তারেক মাসুদ এর ২৮ আর মিশুক মুনীর এর ৩১ বছর বেশী যা আরো বাড়বে। সবচেয়ে কম বয়সী নিজামী যিনি মনে হয় আরো অনেক দিন বাচবেন তিনিও এখন ও হুমায়ুন আহমেদ এর ৬ বছর, তারেক মাসুদ এর ১৫ আর মিশুক মুনীর এর ১৮ বছর বেশী যা না জানি আরো কত বাড়বে। জীবিতদের মধ্যে এভারেজ এরশাদ সাহেব যার এজ ৮২ এবং তিনি যথেষ্ট সচল। তার মত বয়সে হুমায়ুন আহমেদ বেচে থাকলে আর ও ১৯ বছর বাচতেন , ভাবুন উনি আরো কত গুলা বইলিখে যেতেন!!! তার মত আরো ২৮ বছর বাচলে তারেক মাসুদ আর কতগুলা ছবি বানাতেন!!!( অস্কার ই পেয়ে যেতেন কিনা!) মিশুক মুনীর আর ৩১ বছর বাচলে ২০৪২ সালে মিডিয়া কে কোথায় নিইয়ে যেতেন??? এখন আমার প্রশ্ন কেন এমন হয়??!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.