রোববার সকালে মণিরামপুর পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আদম আলীকে যৌথবাহিনী আটকের পর থানায় সোপর্দ করে। দুপুরে খান টিপু সুলতান তার সমর্থকদের নিয়ে থানার সামনে অবস্থান নেন।
মনিরামপুর থানার প্রধান ফটকের সামনে তার সঙ্গে রয়েছেন দলের উপজেলা সভাপতি কাজী মাহমুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মিকাইল হোসেন, ছাত্রলীগ আহবায়ক মনিরুজ্জামান মিল্টন, ছাত্রলীগ নেতা কাজী টিটো ও সন্দ্বীপ ঘোষ।
অবস্থানকালে উপস্থিত নেতারা কর্মী-সমর্থকদের সামনে বক্তব্য দেন।
মণিরামপুর থানার ওসি জানান, পৌর মেয়র শহীদ ইকবাল হোসেনের বাড়িঘর ভাংচুর মামলায় আদম আলীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
তার বিরুদ্ধে পাঁচটি হত্যাসহ ১০টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান।
টিপু সুলতান সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্যের পক্ষ নিয়ে তার নেতাকর্মীদের আটক করছে। হয়রানি করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আদমসহ তার কর্মীদের না ছাড়া পর্যন্ত থানা গেটে অবস্থান করবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে যশোরের পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র বলেন, এমপি সাহেবের অভিযোগ সত্য নয়।
আদমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ দুটি মামলা তদন্তাধীন আছে। এ মামলায় তিনি জামিন নেননি।
আগামী ১৬ জানুয়ারি স্থগিত ৬০ কেন্দ্রে নির্বাচন। এ সময় এ ধরনের আসামি বাইরে থাকলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই তাকে আটক করা হয়েছে, বলেন এসপি।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের পর থেকে অভিযান চলছে। বিএনপি জামায়াতের অনেক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার করা আসামিকে মুক্তি দেয়ার কোনো সুযোগ পুলিশের নেই বলে তিনি জানান।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন খান টিপু সুলতান। ৫ জানুয়ারি কিন্তু ভোটের দিন সহিংসতার কারণে ৬০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।
আগামী ১৬ জানুয়ারি ওই ৬০ কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নবম সংসদেও তিনি নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।
৫ জানুয়ারির ভোট গ্রহণ স্থগিত করার পর এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন গত শুক্রবার।
সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের দিন সহিংসতার কারণে তিনি নিজের ভোটটিও দিতে পারেননি।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।