বাধঁ জোড়ার আওয়াজ > With Great Power, Comes Great Responsibility কড়া ..... দৌড়,বাইকিং, যোগ ব্যায়াম, ডায়েট, কাজ এর মধ্যে আছি ।
যদিও আমি বাহিরে দৌড়াই না, কৃত্তিম পরিবেশেই দৌড়াই ।
সু স্বাস্থ্যে কথা যদি বলেন, তাহলে তা লক্ষ্যে পৌছানো নয় বরং ধরে রাখাই মূল কথা ।
তবে নজর পরে....
আগে হল লক্ষ্যে পৌছানো ।
ওজন বর্তমানে ৬২-৬১ কিলো .. কিন্তু প্রতি সপ্তাহে আপ ডাউন করছে ওজন মাপার যন্ত্রটি ।
আমি বুঝি এটার কারন ডায়েট ।
আমার ডায়েট বলতে গেলে, হেবী খানা দানা এর মধ্যে প্রোটেইন সম্বলিত খাবারই বেশী! সুতরং মাংসকে না বলতে পারি না । এই বলে ফল বাদ নাই । পানি তো অবশ্যই না । আর সবজি তো অবশ্যই না ।
সেই ৭৮ থেকে হাটি হাটি পা পা করে ৬২-৬১ চাট্টিখাটি কথা না । আর হেবী ডায়েট এর সাথে এই ওজনটা মেইনটেইন করা বড় একটা কেড়ফা ।
এই জন্যই করছি যে আমি ধুম ধাম ওয়েট লুস করে আবার গেইন করতে চাই না ।
১ম কারন পোষাক !
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন... পায়ের মোজা ছাড়া আর কোন পরিচ্ছদই পারফেক্ট ফিট নয় । সুতরাং নতুন কাপড় ক্রয় করার ইচ্ছা বিন্দু মাত্র নাই ।
তা ৬০ এর মধ্যে ধরে রাখতে চাচ্ছি ।
২য় হল সুস্থ অবস্থায় শারীরিক মহা পরিবর্তন । ধুম ধাম ওজন কমে বাড়লে শারীরিক Metabolisierung এ মহা এফেক্ট সহ নানান কেরফা হতে পারে কিংবা বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হতে পারে । prozess টা ধীরে হওয়া উচিত ।
৩য় সুন্দর কাঠামো ।
আমার ৫´৫ উচ্চতার জন্য ৬০ কিলোর মাংস ও পেশী সর্বস্বই যথেষ্ট । এর নিচে নামলে বেশী রোগা দেখার সম্ভাবনা আছে । যাতে করে মানুষ একটা ডায়লগ ছাড়বে,,.. যা এখন প্রায়ই শুনি আমি নাকি শুকিয়ে গেছি ! হাহাহহ মনে মনে বলি এখনও তো চর্বি থল থল করে ! ১ ঘন্টা দৌড়েই কাহিল হয়ে পড়ি ।
এখন যে ওজনে এসেছি এটা প্রায় ৭-৮ বছর আগের অবস্থান এর সামিল ।
প্রায়ই কলিগরা জিজ্ঞাসা করে বিভিন্ন ব্যাপারে ব্যস্ত থেকে তুমি এই দৌড়ের ক্যাচালটা সেরে ফেল কিভাবে
আমি বলি আমার হাতে সময় থাকে মাত্র ১ ঘন্টা ... অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করার জন্য ।
তাই স্ট্রেচিং ২-৫ মিনিট শেষ কোন মতে ট্র্যাকে দাড়াই , ধীরে ধীরে গতি বাড়াই । ৬ আমার নিম্ন গতি, সর্বোচ্চ ১৫ কিমি ঘন্টায় । ১৫ এর উপর উঠতে পারি না এভারেজ আমি ১০-১৩ এ থাকি ।
যদি আমি খিচ্চা দৌড়াই তাহলে ঘন্টায় ১৫ কিমি সর্বোচ্চ হবে । তবে রেগুলার ৪ কিমি.ই যথেষ্ট মনে করি সুস্থ থাকার জন্য, অন্তত হার্ট এর বিট এর প্রতি যত্ন নিতে তাই করতে হবে ।
এই বলে এইটা শেষ নয় । বাইকিং ৪-৮ কি.মি মাঝে মাঝে
থাই, উড়ু, পেট, হাত, বুক, পেটের প্রেশার দেই চেইন ক্রসওভার দিয়ে । হালকার উপর ঝাপসা ।
কখনো কখনো দৌড়াই তারপর ভাড়ী ব্যায়ামে ঠান্ডা হই তারপর আবার দৌড় !
আমার নিম্ন হাট বিট ১১২ সর্বোচ্চ ১৭০ তবে ১৩ কিমি. দৌড়ানের সময় ১৬০-১৬২ স্ট্যাবল থাকে । যার দিকে আমি বিশেষ কেয়ার নেই ।
আমার আরনল্ড হবার ইচ্ছা নাই । তবে মোটামোটি কাঠামো থাকলে বোনাস পয়েন্ট ।
সম্ভবত এই বছর সিক্স প্যাক হালাকু হইয়া যাবে আমি কিন্তু সিক্স প্যাক বানাচ্ছি না , নিজে নিজেই হয়ে যাচ্ছে ।
পেটের উপরের চর্বি আস্তর সরে আসলে হাড্ডা ও পেশীই তো দেখা যাবে তাই নয় কি
আমি কখনো আর ট্রেইন বা বাস বা ট্রাম মিস করি না । ১ মিনিট হাতে থাকলে বাসা থেকে ।
পুরাই এক দৌড়ে গাড়ি
মজার ব্যাপার হল আগে একটি সময় ছিল হাপিয়ে যেতাম বা ঘেমে যেতাম । তবে ১৩ কি.মি গতির আগে ঘেমে যাই না ।
আমাকে একজন আগামী বছর ম্যারাথন এর জন্য প্রস্তুতি নিতে বলল... ১ম বারে না হলেও ৩ বারে আমার হাতে একটি তারকা বা পদক থাকবে
কিন্তু এটা আমার দ্বারা সম্ভব না । তবে হার মেনে যাচ্ছি না ।
আমি কম সময়ে দ্রুত ট্রাভেল করতে চাচ্ছি ট্রেডমিলে ।
যেটা বিপদজনকও বটে ।
ম্যারাথনে মনে হয় ৪০ কিমি. আপ দৌড়াতে হয় । আমি ম্যক্সিমাম ১৫ কিমি. পারব একদিনে । এর থেকে বেশী হয়ত যাওয়া যাবে তবে দীর্ঘ স্টাডির দরকার পরবে ।
অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন এত খাবার পরেও শুকিয়ে গিয়েছি কিভাবে ?
দৌড় এমনই একটা উপকারী ব্যায়াম সেটা সাতার কিংবা সাইকেল থেকে বহু উপরে ।
এটা একটা নেশাও । আমি হয়ত জিম ছেড়ে দিতে পারি কিন্তু দৌড়! কখনোই নয়
আর আমি জিমে যাই না রেগুলার কোন সপ্তাহে ২ বার এর বেশী যাওয়াই হয় না ।
কিন্তু আমার খাবার এর পরিমান কমে না ।
আর যারা সিক্সপেক হেনতেন এর চিন্তা করছেন তাদের বলছি, শরীরে বডি ফ্যাট এর অনুপাত কমিয়ে নিয়ে আসলে আপনি এমনিতেই পেশী দেখতে পাবেন ।
তার মানে ডায়েট ও কার্ডিও বা দৌড় বা সুইমিং বা বাইকিং ...
এছাড়া কোন পদ্ধতি নাই ।
আর প্রোটেইন পাউডার ডাক্তার এর পরামর্শে বাদ দিয়েছি । যদিও আমার কাছে হুয়েই প্রোটেইন আছে, শুধু শুধু কিনেছি দাম দিয়ে । ব্যবহার করতে পারলাম না । উপসর্গের কারনে ।
তাই যারা ব্যায়াম বীর মানে আরনল্ড বা সিনেমা দেখে ফ্যান্টাসী মনে করেন সুন্দর স্বাস্থ্য মানেই হাট্টা গাট্টা পেশী বহুল শরীর!, তারা এ থেকে দূরে থাকুন ।
সাধারন মিনারেল ওয়াটার, ফলমূল , শাক সবজি ও পরিশ্রম অনুযায়ী হাই প্রোটেইন গ্রহন করুন । নো প্রবলেমো ।
সুস্থ্য থাকাটাই মেইন ফ্যাক্ট ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।