আমি ০ আর ১ নিয়ে কারবার করি, র্দুঘটনা বশত আমার একটি কবিতা পড়ার সৌভাগ্য হয় এবং পড়ে ভালোও লেগে যায়। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। বাসা - সুমা মুখোপাধ্যায় আমার স্বপ্ন ছিল অলিখিত বাস্তবের পাঁজরে অমি ঘর বেঁধেছিলাম একটা বিষন্ন সন্ধ্যায় অগ্নি তরঙ্গ এসে বার বার পুড়িয়েছে...
অনেক আগে যখন প্রথম আলোর ম্যাগাজিন এর নাম আলপিন ছিল তখন একটা বিভাগ ছিল এইরকম - কেউ সমস্যা পাঠাত, তার সমাধান ,সমাধানের সাবধানতা ও উপকারিতা পাঠানো হত। অনেক আগে পড়াতে কিছু ভুল হতে পারে। যাহোক ব্যাপারটা ছিল এইরকম- সমস্যা: আমি এক উঠতি কবি কবিতা লেখা আমার হবি ...
যুদ্ধ --নির্মলেন্দু গুণ যুদ্ধ মানেই শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা।
বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে এইসব সুন্দরের মাঝে মুগ্ধতা খুজি অতি সৌন্দর্য্যরে আলোকে চোখ বুঝি ভাবনার পান্ডুলিপি তবু উঠে ভরে নিয়তই নানা ভালোলাগা আসে ঘরে।
কারো আশাকে নষ্ট করবেন না, হয়তো এ আশাই তার শেষ সম্বল। সেই গল্পটা পূর্ণেন্দু পত্রী আমার সেই গল্পটা এখনো শেষ হয়নি। শোনো। পাহাড়টা, আগেই বলেছি ভালোবেসেছিলো মেঘকে আর মেঘ কি ভাবে শুকনো খটখটে পাহাড়টাকে বানিয়ে তুলেছিল ছাব্বিশ বছরের ছোকরা সে তো আগেই...
নীচের কবিতাটি কার লিখা জানিনা। আপনারে জানেন কেউ? " ওগো আলোর শিখা কেন পত্ঙ তোমায় ভালোবাসে? কেন বিসর্জন দেয় তার জীবন? কি প্রেম তুমি তাকে শিখালে! কিসের মায়ায় পারদের মত সে অধীর চন্ঞল কি প্রেম তুমি তাকে শিখালে! তোমার আলোতে অনন্ত জীবন সে খুঁজে পায় মরণেই পায় সে চরম শান্তি। ...
...ফেলে আসা দিন তার মিছে মনে হয়... আমি আধাঁরে দাড়াঁই আকাশের তারা চাই কৃষ্ণের চাঁদ দেখে প্রতিদিন মরে যাই । আমি মৃত্যুর শব থেকে জাগি জীবনের কলোরবে রাগি তুমি মৃত্যুকে করে দাও নির্ঝর আমাকে মেরে ফেল ঈশ্বর । আমার চোখ তুলে নিয়েছে সকাল ঝলসে দিয়েছে সূর্যের...
রবিউল করিম বাবু তোমার কথা মনে পড়লেই মন খারাপ হয়ে যায়, ভুলে গেলেও হারিয়ে যাই গভীর এক বিষন্নতায়। বোঝা না বোঝার রহস্য আর ভালোবাসার আকাঙ্খাটুকু কেন যে শেষ হয়ে গেল আমার, নাকি আমাদের! কিন্তু আমি কষ্ট পাই যখন ভাবি আমার মনের পাতায় ধূষর হয়ে যাচ্ছে তোমার অস্তিত্ব, তোমার স্বৃতি। কষ্ট পাই এই ভেবে যে...
যদি নির্বাসন দাও.................................................................. আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো আমি বিষ পান করে মরে যাবো! বিষণ্ন আলোয় এই বাংলাদেশ নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ, প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ- এ আমারই সাড়ে তিন হাত তুমি। মির্চা এলিয়াদের 'না লুই বেঙ্গলী' বা বাংলার রাত...
শব্দের সোনারু মাদল হাসান আমরা শব্দের সোনারু। সোনারুর সোনা কিনতে লাভ, বেচতে লাভ। কিন্তু শব্দের সোনারুর কিনতে লস, বেচতেও লস। কারণ বিগত-আগত-সমাগত কবিদের কাব্যগ্রন্থ কিনতে হয় গাঁটের পয়সায়। কিন্তু বেচতে গেলে গ্রাহক নাই। তাই তরুণ কবিদের গাঁটের পয়সা খরচ করে কাব্যগ্রন্থ বিইয়ে তা...
ইচ্ছে ছিলো ইচ্ছে ছিলো তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো ইচ্ছে ছিলো তোমাকেই সুখের পতাকা করে শান্তির কপোত করে হৃদয়ে উড়াবো। ইচ্ছে ছিলো সুনিপূণ মেকআপ-ম্যানের মতো সূর্যালোকে কেবল সাজাবো তিমিরের সারাবেলা পৌরুষের প্রেম দিয়ে তোমাকে বাজাবো, আহা তুমুল বাজাবো। ইচ্ছে ছিলো...
সুতো ছেড়া ঘুড়ি বাঙলাদেশের কথা (আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম) যখন আমরা বসি মুখোমুখি, আমাদের দশটি আঙুল হৃৎপিন্ডের মতো কাঁপতে থাকে দশটি আঙুলে, আমাদের ঠোঁটের গোলাপ ভিজে ওঠে আরক্ত শিশিরে, যখন আমরা আশ্চর্য আঙুলে জ্বলি, যখন আমরাই পরষ্পরের স্বাধীন স্বদেশ, তখন ভুলেও কখনো আমাকে তুমি...
♠ ব্লগার ইমন জুবায়ের ♠ মেঘের আড়ালে থাকা একটি নক্ষত্রের নাম যদিও আমি ভালো কবিতা লিখতে পারিনা তবুও আমি কবিতা ভীষণ ভালোবাসি। তাই কবিতার প্রতি আমার দুর্বলতা আছে আজ আমি আমার ভালোলাগা একটা কবিতার আবৃত্তিটি শেয়ার করলাম। কবিতাটি লিখেছেন এই ব্লগের সুলতানা শিরীন সাজি আর আবৃত্তি করেছেন...
মানুষ আমার সাধন গুরু. সেই মোকামে যাত্রা শুরু ভালোবাসার কবিতা কার না ভালোলাগে! বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রিয় কিছু ভালোবাসার কবিতা। কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায় : বুদ্ধদেব বসু কেমন করে বলি? কী নির্মল নীল এই আকাশ, কী অসহ্য সুন্দর, যেন গুণীর কণ্ঠের অবাধ উন্মুক্ত তান দিগন্ত থেকে...
সারাদিন আড্ডাবাজ়ি,অহেতুক ঘুরোঘুরি। অযথা সময় নষ্ট,ইচ্ছে করেই পথভ্রষ্ট। সন্ধ্যা কাটে টি স্টল এ,এক কাপ চা,কয়েকটি সিগারেট আর তুমুল আড্ডাবাজ়িতে। মাঝরাতে পাগলামি,প্রায়ই হিমু সেজে পথে নামি। ঘুমন্ত নগরে চন্দ্র হন্টন,হঠাত করেই উদাস মন। উদাস মনে ঘরে ফেরা অথবা ছাদ অমিয় চক্রবর্তীর লিখা আমার কিছু...