সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর কবিতা “এখন ভাবনা” ১ এখন একটু চোখে চোখে রাখো - দিনগুলো ভারি দামালো ; দেখো, যেন আমাদরে অসাবধানে এই দামালো দিনগুলো গড়াতে গড়াতে গড়াতে গড়াতে আগুনের মধ্যে না পড়ে। আমার ভালোবাসাগুলোকে নিয়েই আমার ভাবনা। এখন সেই বয়স, যখন দূরেরটা বিলক্ষণ...
বা সুভাষ মুখোপাধ্যায় ১. ফুল ফুটুক না ফুটুক অংশ ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত শান-বাধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে। ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। ২. জননী জন্মভূমি আমি ভীষণ ভালোবাসতাম আমার মা-কে ...
আমার নতুন বিভাগটি দেখুন ডানদিকে ইংরেজীর পুচ্ছে ডাল ধরেছি উচ্চে নইলে কে আর করতো কেয়ার আজ সকলেই পুঁচছে ঞ্জানের ঝুলি ভিক্ষার উচ্চারণে হিক্কার ভাবটা থাকে তারই ফাঁকে বাংলাকে দিই ধিক্কার। -----------------------------
আমার নতুন বিভাগটি দেখুন ডানদিকে উঠছে লিফট, জুতোর শব্দ, টোকা— যৌবনকে ভেতরে আন, বোকা। ...................................................................... কে কোন খানে ঘুমোন সেটা একেবারেই গৌণ দেখব তিনি কোথায় জেগে কোথায় নন মৌন। ...
একদিন গর্বিত করবো এই পতাকা গাইবো সোনার বাংলা ... বাঁচার গর্বে মাটিতে তার পা পড়ছিল না ব’লে গান গাইতে গাইতে আমরা তাকে সপাটে তুলে দিয়ে এলাম আগুনের দোরগোড়ায় লোকটার জানা ছিল কায়কল্পের জাদু ধুলোকে সোনা করার ছুঁ-মন্তর তাঁর ঝুলিতে থাকত যত রাজ্যের ফেলে-দেওয়া রকমারি...
কমরেড, আজ নতুন নবযুগ আনবে না? কুয়াশাকঠিন বাসর যে সম্মুখে। লাল উল্কিতে পরস্পরকে চেনা - দলে টানো হতবুদ্ধি ত্রিশঙ্কুকে, কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না? লাইনগুলো পদাতিক কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা “সমকালের গান” থেকে নেয়া। এই কবিতা দিয়ে যিনি প্রবেশ করেছিলেন বাংলা কবিতায় তিনি যে...
অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি ভিতর-বাইরে বিষম যুদ্ধ / শক্তি চট্টোপাধ্যায় ইচ্ছে ছিলো তোমার কাছে ঘুরতে-ঘুরতে যাবোই আমার পুবের হাওয়া। কিন্তু এখন যাবার কথায় কলম খোঁজে অস্ত্র কোথায় এবং এখন তোমার পাশে দাঁড়িয়ে-থাকা কুঞ্জলতায় রক্তমাখা চাঁদ ঢেকেছে আকুল...
বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলাতে সামলাতে হায়! হায় ! লোকটার ইহকাল পরকাল গেল ! অথচ আর একটু নীচে হাত দিলেই সে পেতো আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ, তার হৃদয় ! লোকটা জানলোই না ! তার কড়ি গাছে কড়ি হল । লক্ষ্মী এল রণ-পায়ে দেয়াল দিল পাহাড়া ছোটলোক হাওয়া যেন ঢুকতে না...
এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে সে এক সময় ছিল। শীতলক্ষ্যাপাড়ের শহর নারায়ণগঞ্জে প্রতি শুক্রবার সকালে 'ধাবমান'এর সাহিত্য আড্ডা বসত (এখনও বসে; আগের মতো জমে না)। প্রায়ই যেতাম। আড্ডার মধ্যমণি ছিলেন রনজিত কুমার। আমাদের সবার প্রিয় 'রনজিতদা'। একসময় বামরাজনীতির সঙ্গে জড়িত এই মানুষটি আড্ডার প্রতিটি...
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৩৫, ময়মনসিংহে। তার পৈত্রিক বাড়ি বিক্রমপুরে। ১০ বছর পর্যšত্ম সেখানেই ছিলেন তিনি। তার প্রথম বই বেরোয় ১৯৬৭ সালে। নাম ঘুণপোকা। মানবজমিন, দূরবীণ, পার্থিব, যাও পাখি, পারাপারÑঅনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখক তিনি। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ২৭ মার্চ বাংলাদেশে আসেন।...
ফালতু কথার কারবারি দ্বিতীয় অধ্যায়: রোজা এই সকল সরঞ্জাম লইয়া আমীর গৃহ হইতে বাহির হইলেন। দিল্লী পার হইলেন, কত নদ-নদী গ্রাম-প্রান্তর অতিক্রম করিলেন। দিনের বেলা ভিক্ষা করিয়া খান, সন্ধ্যা হইলে, গাছতলায় হউক, কি মাঠে হউক, পড়িয়া থাকেন। খোদা খোদা করিয়া কোনমতে রাত্রি কাটান।...
ফালতু কথার কারবারি প্রথম অধ্যায়: চুরি "লে লুল্লু"- আমীর শেখের মুখ দিয়া যখন এই কথা দুইটি নির্গত হইল, তখন তিনি জানিতেন না ইহাতে কী বিপত্তি ঘটিবে। কথা দুইটি আমীরের অদৃষ্টে বজ্রাঘাতরূপে পতিত হইল। আমীরের বাটী দিল্লী শহরে, আমীর জাতিতে মুসলমান। একদিন অন্ধকার রাত্রিতে...
নর্দমার রাত, হিরন্ময় তাঁত _____________________________________________ সাধনা মুখোপাধ্যায়: জন্ম: ৬. ডিসেম্বর. ১৯৩৪, এলাহাবাদে। উক্ত কবিতা তার ১৯৯০ সনে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ "চাঁপার সিন্দুক" থেকে নেয়া।
আমার ঘরে একটি টিভি সেট আছে। এটি আমার নিজস্ব। টিভি খুলে আমি অনেক সময়েই চুপচাপ তাকিয়ে থাকি। সব সময়ে যে দেখি বা উপভোগ করি বা যা হচ্ছে তা বুঝতে পারি, এমন নয়। ছবি নড়েচড়ে, কথা কয়, আমি বোকার মতো অন্যলগ্ন মন ও আনমনা চোখ নিয়ে বসে থাকি। কিন্তু কখনও-সখনও ওই মুখর যন্ত্রটি থেকে কোনও কোনও...
ভবের খেয়া এবার বাওয়া হইল আমার শেষ; এবার তরী ভাসিয়ে দিলাম পরপারের দেশ ।। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় - রোমান্টিক হিটস - আমি যে তোমারই কোয়ালিটি - ১২৮ কেবিপিএস এমপি৩ ফাইল সাইজ - ১১৫ মেগাবাইটস ডাউনলোড - হেমন্ত মুখোপাধ্যায় - আমি যে তোমারই