আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জিএসপি খালেদা টিক্ফা লইয়া দুইটা কথা

ট্রুথ নট সেইড টুডে, কুড টার্ন টু আ লাই টুমোরো ১. লাঞ্চের সময় তিন পাতার টিকফার ড্রাফট পড়লাম। একদম শেষ আর্টিকেলে লেখা আছেঃ আর্টিকেল ৭ "আইদার পার্টি মে টার্মিনেইট দিস এগ্রিমেন্ট বাই প্রভাইডিং ড়িটেন নোটিশ ট আদার পার্টি। দাঁ টার্মিনেশন স্যাল টেইক এফেক্ট অন আ ডেট দাঁ পার্টিস এগ্রি অর, ইফ দাঁ পার্টিস কানন্ট এগ্রি, ১৮০ ডেইজ আফটার দাঁ ডেইট অফ নোটিফিকেশন। " এরমানে বৃহত্তর জামাতে ইসলামী ও তার কর্মীদল যে ঝাপায়া পড়ছে গেল গেল রব তুইলা তারা চাইলেই ক্ষমতায় আইসা এই এগ্রিমেন্ট টার্মিনেইট করে বসতে পারবেন। স্টেইটস যদি রাজি নাও হয়, তাইলেও ১৮০দিনের মধ্যে টার্মিনেইট হইয়া যাবে।

এখন কথা হচ্ছে, উজিরে আজম, নায়েবে আজমরা কি টিফকা টার্মিনেইট করবেন? করলে মওদুদ সাব একটু ঝেড়ে কাশেন। জানি আপনারা টার্মিনেইট করবেন না। ওয়াশিংটন টাইমসে আর্টিকেল লিখবেন "ওয়েস্টার্ন পাওয়ারস শুড কন্সিডার সেংশন্স...দিস ইজ হাউ দাঁ ইউনাইটেড স্টেইটস ক্যান এনশিওর দ্যাট ইটস মিশন টু ডেমোক্রেটাইজ দাঁ কন্টীনিউস..."। আমেরিকান এম্বাসির গাড়িতে ঢিল দিয়া ক্ষতিপূরন দেন, সকাল-বিকাল চা-নাস্তা খাইতে ছুটাছুটি করেন ইলেকশন ইয়ারে। এখন আবার এন্টী-আম্রিকা ভাব ধরেন হুজুরদের কাছে টানতে।

এইসব স্ট্যান্টবাজি ছাড়েন। আপনাদের দিল মাঙ্গে আমেরিকান গনতন্ত্র। হাহ! ২. বেগম খালেদা জিয়ার ওয়াশিংটন টাইমসে যে আর্টিকেল লিখেছিলেন তাতে জিএসপি সুবিধা প্ত্যাহার করতে বলেন নাই। উনি নানান রকম স্যাংশন আরোপ করে সরকারকে চাপে ফেলতে বলেছেন। বলেছেন "ওয়েস্টার্ন পাওয়ারস শুড কন্সিডার সেংশন্স...দিস ইজ হাউ দাঁ ইউনাইটেড স্টেইটস ক্যান এনশিওর দ্যাট ইটস মিশন টু ডেমোক্রেটাইজ দাঁ কন্টীনিউস..."।

বিরোধী দলের কিছুটা চাপ ছিল কিন্তু তার চেয়ে বেশি ছিল সরকার(আওয়ামীলীগ ও বিএনপি) আর গার্মেন্টেস মালিকদের দুই দশকের পাপ। এখন শুধু বিরোধীদলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না। এটা মূল সমস্যা থেকে নজর ফেরানোর কায়দা। দয়া করে গার্মেন্ট শিল্পের মেজর রিফর্ম করতে সর্বদলীয় ঐক্যমত্য করে সিদ্ধান্ত নিন। ৪০লক্ষ শ্রমিকের পরিবার নিয়ে রাজনৈতিক বাহাসে সময় নষ্ট করার কোন মানে নাই।

৩. ইন্টারন্যাশনাল লেবার রাইটস ফোরামের ইমেইল মারফত জানতে পারলাম তারা আমেরিকার জিএসপি সুবিধা বাতিলকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। তাদের মতে এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার, গার্মেন্টস মালিক, বিদেশী রিটেইলার, গ্লোবাল ব্র্যান্ডদের কাছে একটি শক্ত মেসেজ পৌছাবে শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ করতে। আর এর ফলে যে ইকনমিক ইমপ্যাক্ট হবে সেটিও খুব বেশি নয়, বর্ধিত ট্যারিফে মাত্র ০.৭২% মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এখন এই টাকা তুলতে কি আরো দাম কমাতে হবে নাকি বায়াররা পালায়ে যাবে ইন্ডিয়া ইন্দোনেশিয়াতে তা দেখতে হবে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.