আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

পুলিশের সাহায্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপির সাহায্যে জনগন, কিছু গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি..

যা ইচ্ছে তাই ..যাই লিখে যাই.. ইচ্ছে মতো ভাবনা ছড়াই... ভাবনা গুলোও এলো মেলো...পদ্য নাকি গদ্য হলো...কে জানে তা.... সে জানা নাই.. যথেস্ট টেনশনে আছি, কি হচ্ছে আজ বা কি কি হতে পারে। বেশ কয়েক মাসে বিএনপির শান্তিপুর্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যে ইতিবাচক জনকল্যানমুখী রাজনীতির সুচনা করছে তার ধরিাবাহিক বিজয় আসবে নাকি দুরন্ধর কূটরাজনীতি সফল হবে তা আন্দাজ করো কঠিন। এবারও পুলিশ যদি বিএনপি নেতৃবৃন্দকে ঘেরাও করে রেখে কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করে তবে তাদের উচিত হবে তারা যেন আগের মত পুলিশ বেস্টনির ভেতরে চুপ করে বসে না থাকেন। ১০ হাজার পুলশি দিয়ে বিএনপি কর্যালয় ঘেরাও করলে বিএনপির ১লাখ কর্মী যেন পুলিশদের ঘেরাও কেরে তাদের বের করে নিয়ে আসে.. এটাই এখন প্রয়োজন। অবশ্যই আওয়ামীলিগ ও তার অঙ্গসংগঠন যথারীতি বাধাপ্রদান করার চেস্টা করবে, এবং তারা নিজেরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃস্টি করে বিরোধীদলের উপরে দোষ চাপানোর চেস্টা করবে।

এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই সমস্ত সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত হবে। পূর্বঘোষনা অনুযায়ী প্রতি পয়েনন্টে যেন ভিডিও রেকডিং এর সুযোগ থাকে। সকল সাংবাদিক ও এ্যামেচার সাংবাদিকদের উৎসাহ প্রদান করা হোক যাতে তারা সকল গুরুত্বপূর্ন তথ্যচিত্র ধারন করে রাখতে পারে এবং তাদের এ সকল সাহসী কর্মের ও তথ্যচিত্রের আর্থিক মুল্যায়ন করা হোক। প্রয়োজনে এসকল তথ্যচিত্র লাইভ সমপ্রচারের ব্যবস্থা করা হোক। তরুন সমাজের কাছে অনুরোধ রাখা যেতে পারে, মোবাইল ফোন আর ভিডিও ক্যামেরার অনেক অপব্যবহার আমরা সামপ্রতিক সময়ে দেখেছি, কিন্তু এখন সময় এসেছে কিছু ঐতিহাসিক মূহুর্ত ক্যামেরা বন্দি করার... সামপ্রতি সীমান্ত হত্যাকন্ডের প্রতিবাদে তরুন সমাজ যে অনলাইন এ্যাকটিবিটি দেখিয়েছে, দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করাযেতে পারে যে তারা জাতীয় যেকোন সমস্যা ও সংকটে তাদের তারুন্যের শক্তি প্রদর্শন করবে.. পুলিশকে অনুরোধ করুন তারা যেন সরকারের গ্রহনযোগ্য নিদের্শগুলোই মানে, যা আইনশৃংখলা রক্ষায় সাহায্য করবে কোন স্বৈরাচারী ও জননিপীড়ন মূলক নির্দেশ যেন তারা না মানে, তারা সরকারের তোসামোদী করার লক্ষ্যে যেন ওভার পারফর্ম না করে, তাদের কে মনে করিন দিন তারও জনগোষ্ঠির একটা অংশ, এ আন্দোলন সফলতার ভেতরে তাদের ও তাদের পরিবার পরিজনের সুদুর প্রসারী কল্যান নিহিত আছে।

তারপরও যদি তারা দমন নিপীড়ন চালাতে থাকে সাধারন ঐকিক নিয়মটা মাথায় রাখুন, জনপ্রতি কতজন পুলিশ বরাদ্দ রাখা সম্ভব? প্রথমে বুঝান ...না বুঝলে প্রতি দশজনে মিলে একজনকে রাজপথে বসিয়ে রাখুন। কোন নির্ভরতা নয়, জনকল্যানের লক্ষ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন ও স্বনির্ভর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আশা করছি.. এবং তা যেন অবশ্যই জনগনের ক্ষয়ক্ষতি না করেই করা হয়.. ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.