আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ব্র্যাক ব্যাংক হইতে সাবধান

যাদের ব্র্যাক ব্যাংক এ একাউন্ট আছে তাদের বলছি, আপনারা সবাই সাবধান থাকেন, এরা পুরোপুরি একটা ডাকাত, চাদাবাজ। এবার তারা সব গ্রাহকদের একাউন্ট হতে নিরবে ২৩০ টাকা কেটে নিয়েছে, এসএমএস ব্যাংকিং এর নাম দিয়ে। এসএমএস ব্যাংকিং নামক একটা সার্ভিস আছে যার জন্য এক বছরে ২৩০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য। যদি কারো এই সার্ভিস দরকার হ্য় তাহলে নিকটবর্তী ব্রান্চ এ গিয়ে নিদিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হ্য়, তিন কর্মদিবস পর সার্ভিস চালু হয় এবং তা মোবাইল এ এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হয়ে থাকে, তারপর ২৩০ টাকা একাউন্ট হতে কেটে রাখা হয়। আর যাদের দরকার হয়না তাদের কাছ থেকে কোন চার্জ কাটা হ্য় না।

কিন্ত এটা বাংলাদেশ ব্যাংক এর বাধ্যতামুলক কোন সার্ভিস নয়। কথা হল এই যে, গত সপ্তাহে, সকল গ্রাহকদের একাউেন্ট এই সার্ভিস চালু করে ২৩০ টাকা করে কেটে নেয়া হয়েছে, এর জন্য গ্রাহকদের অনুমতে নেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। যার দরকার নাই তার কাছ থেকেও নিয়েছে। এছাড়া কারনে অকারনে এরা অনেক টাকা কেটে নেয় যা আমরা বুঝিনা। আজই আপানার একাউন্ট চেক করুন এবং এর সত্যতা যাচাই করে দেখুন।

এখন ধরা যাক, সারা দেশ এ ১০ লাখ গ্রাহক। তার মাঝে এই ৫০ হাজার গ্রাহক এই সার্ভিস সম্পর্কে অবগত এবং তারা ২৩০ টাকা খরচ করছেন। বাকি ৯,৫০০০০ গ্রাহক সার্ভিসটি নেয়নি, তাহলে ওই সব গ্রাহকদের কাছ থেকে বিনা অনুমিতিতে এক রাতে কতগুলো টাকা চুরি করেছে? ৯,৫০০০০ @ ২৩০ = ২১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা একরাতে এতগুলো টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে নিরবে চুরি করে নিয়েছে। সুতরাং সাবধান এবং আমরা সবাই মিলে একটু সচেতন হই এং আমার মত যাদের কাছ থেকে টাকা চুরি করেছে, সবাই মিলে এর বিরুধে সোচ্চার হ্ই। আসুন সবাই মিলে এই বিদেশি মতলববাজ ব্যাংক, চোরা বাংক, ডাকাত ব্যাংককে ব্য়কট করি।

প্রতিবাদ এর ঝড় তুলুন। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.