আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ছাত্রলীগের মারামারিতে ক্যান্টিন বন্ধ, বিপাকে জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা

আমি একজন ফাউ ইঞ্জিনিয়ার.। । । ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারিতে ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চার মাস ধরে বাইরে থেকে চড়া দামে খাবার কিনতে হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। ২৪ হাজার শিক্ষার্থীর এ দুর্ভোগ অবসানের আশা কর্তৃপক্ষ দিয়ে এলেও তার বাস্তবায়ন না দেখে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

"বাড়ি থেকে যে টাকা আনি, তা দিয়ে যদি সকালে এবং দুপুরে বাইরে খেতে হয়, তা হলে তো ঢাকায় থাকা দুরূহ হয়ে পড়বে", ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সাজ্জাদ হোসেন এভাবেই তার ক্ষোভের কথা বলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা জানানো হলে উপাচার্য মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "খুব শিগগিরই তা চালু করা হবে। " গত ২২ মার্চ সরকার সমর্থক ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ক্যান্টিনের চেয়ার, টেবিল, ফ্রিজসহ প্রায় সব আসবাবপত্র ভাংচুর হয়। এরপর থেকে ক্যান্টিন বন্ধ। ২০০৯ সালের অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের নিচ তলায় শিক্ষার্থীদের জন্য এ ক্যান্টিন চালু করা হয়।

এটি পরিচালনা করছিলো কাকরাইলের বিপাশা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট। বাইরে খাবারের যে দাম, তার অর্ধেকে তা ক্যান্টিনে পাওয়া যেত বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। ফলে তাদের সাশ্রয় হতো। বাংলা বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র সমুদ্র প্রবাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি ধরার জন্য সকালের নাস্তা না করেই ক্যাম্পাসে আসতে হয়। এখন ক্যান্টিন না থাকায় দুই বেলা বাইরে চড়া দামে খেতে হচ্ছে।

" শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, এ বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া অর্ধেকই নিু মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বাড়ি থেকে পাঠানো সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায় মাস চলে তাদের। তাই হঠাৎ করে খাবারের পেছনে বেশি ব্যয় হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে তারা। যাদের মারামারিতে ক্যান্টিন এখন বন্ধ, সেই ছাত্রলীগও চায় ক্যান্টিন শিগগিরই চালু হোক। সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আকন্দ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ক্যান্টিনটি চালু হওয়া প্রয়োজন।

এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, কিছু দিনের মধ্যেই ক্যান্টিন খোলা হবে। " ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.