আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

গরীব মানুষরে রাজনতৈকি দল কোনটি ! আদোও কি গরীব মানুষরে পক্ষরে রাজনতৈকি দল আছে !

গরীব মানুষের রাজনৈতিক দল কোনটি ! আদোও কি গরীব মানুষের পক্ষের রাজনৈতিক দল আছে ! বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো সকল সময় বলে থাকেন আমরা দেশের ও দেশের জনগণের অনেক উন্নয়ন করেছি,করবো। জনগণ মানে দেশের সকল মানুষ। দেশের সকল মানুষের উন্নয়ন হয়েছে কি ! একদিকে রাজপ্রাসাদ,লাগামহীন ভোগবিলাসী বিলাসী জীবন,মেয়ের হাত খরচ মাসে ১০লক্ষ টাকা,বিদেশ ট্যুর লক্ষ লক্ষ টাকা,নাইট ক্লাব ও বেশ্যার খরচ লক্ষ লক্ষ টাকা অন্যদিকে গরীবের অবর্ণণীয় কষ্টকর অনিশ্চয়তার জীবন,বস্তি ফুটপাত আর গ্রমের জীর্ণ শীর্ণ ঘরে গাদাগদি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস। জনগণ মানে দেশের সকল মানুষ জনগণ শব্দটিকে আমরা আলাদা আলাদা করলে দুটো আলাদা শব্দ হয় প্রথমাংশ জন ২য় অংশ গণ। জন জন মানে কমসংখ্যক গণ মানে বেশী সংখ্যক।

আমরা জানি আমাদের দেশে ধনী সম্পদশালী মানুষের তুলনায় সম্পদহীন গরীব মানুষের সংখ্যা বেশী। উন্নয়ন যা হওয়ার ধনী সম্পদশালী মানুষের হয়েছে। আমাদের দেশের বেশীরভাগ ধনীরা তাদের শিশুদের বেশী খরচে দামী স্কুলে আর অগাধ ধন সম্পদ দিয়ে ৬০উ্ের্ধা জীবন বেশ আরাম আয়েশে উপভোগ করেন। আমরা যারা বেশীরভাগ মানুষ আমরা গরীব নিষ্ঠুরতম কষ্টকর অনিশ্চয়তার জীবন আমাদের। এ দেশ ধনী গরীব সকলের।

আমরা যারা গরীব আমাদের ০-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশু এবং ৬০ উর্দ্ধো সকল বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের জীবন অবর্ণণীয় কষ্টকর,বস্তি ফুটপাত আর গ্রমের জীর্ণ শীর্ণ ঘরে গাদাগদি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস। মানুষ মানবাধিকার সভ্যতা মানে শুধু ধনীদের অভিজাত জীবন যাপন,আর গরীবের নিষ্ঠুরতম কষ্টকর অনিশ্চয়তায় জীবন নয়। আমাদের দেশে পর্যায়ক্রমে খমতায় থাকা দলগুলি ধনীক শ্রেনীর প্রতিনিধি। এই রাজনৈতিক দলগুলিই এ দল ও দলের নিন্দা করে মুলত জনগনকে ধোকা বোকা বানিয়ে নিজেদের,ধনীদের ধন সম্পদ রক্খা ও বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। এই দলগুলো ভালো করেই জানে গরীÍের ভালো করা তাদের পখ্খে সম্ভব নয়।

কারণ বাঘের জন্য ভালো হয় সহজে হরিণ খেতে পারলে,হরিণের জন্য ভালো হয় বাঘের খাদ্য না হলে। বাঘের জন্য যা ভালো হয় হরিণের জন্য তা খারাপ অর্থাৎ বড়লোকের ভালো মানে গরীবের খারাপ আর গরীবের ভালো মানে বড়লোকের খারাপ। আমাদের দেশে পর্যায়ক্রমে খমতায় থাকা দলগুলি ধনীক শ্রেনীর প্রতিনিধি এরা বাঘ,এদের গরীবের ভালো করার খমতা নেই। তাই একজন স্বাধীন গরীব মানুষ হয়ে আবেদন করছি আপনারা জনগণের কাছে বলুন তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে,র্নিদলীয় সরকারের অধীনে নির্বচন হলে,রাজাকারের ফাসি হলে, ১৩ দফা দাবী বাস্তবায়ন হলে ০-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুদের রেশন কার্ড দেওয়া হবে যে রেশন কার্ডের মাধ্যমে জন্ম থেকে ১৮ বছর বয়স অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত সকল শিশু সম খাবার,সম কাপড়,সমঘর,সম লেখাপড়া,সম চিকিৎসা খরচ পাবে এবং ৬০ উর্দ্ধো সকল বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের সকল দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় তত্বাবধানে স্বয়ং রাষ্ট্র নিজে সকল বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের সম খাবার,সম কাপড়,সমঘর,সম যতœ ,সম চিকিৎসা পরিচালনা করবে। ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.