আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শাহিদুল হাসান খোকন এর কবিতা

আমি ভাল নই!

তুমি রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরের খাদ্য লাগে; ন্যূনতম নিরাপদে ঘুমানোর নিশ্চয়তায় বাসস্থান না থাকলে বাসস্থান লাগে যাযাবরেরও! রাস্তায় রঙ মেখে দাঁড়িয়ে থাকা পতিতারা পেটের চাহিদায় ফেরি করে দেহ! প্রাণী মাত্রেরই চাহিদা আছে আর তুমি তো আমার স্ত্রী- তোমাকে পাবার আকাক্সক্ষা কেন পাপ হবে আমার! তোমার যে মৈথুনে ইচ্ছে নেই তা-ও নয়। বরং খুব উপভোগ করো জল আর কাদা মাড়িয়ে পদ্ম তোলার খেলায়! প্রয়োজনে সাঁতরে চলে যাও মধ্য পুকুরে যেখানে সবচে বড়ো ফুলটি মগ্ন হয়ে আছে। তবে কেন এই লুকোচুরি তোমার- তোমার চোখ বলে আমাকে তুমি নাও তোমার মুখ বলে আমাকে তুমি নাও তোমার দেহ বলে আমাকে তুমি দাও তোমাকে-আমি পুতুল খেলব॥ মানুষের পুতুল খেলার সাধ কখনোই শেষ হয় না? শৈশবে পুতুল, যৌবনে স্ত্রী বা স্বামী পুত্র তারপর নাতি-নাতনি, মানুষের পুতুল খেলা চলছেই... নারী দাতা ও গ্রহীতা-পুরুষ শুধু গ্রহীতা নারীর, সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে তাই? আকাশে মেঘ দেখা গেলেই তুমি তুমুল বাতাস ওড়াও-মেঘ তখন ভেসে যাও কোথায়-পড়ে থাকে ঘুম আর কাজের পৃথিবী! তুমি সব কিছুই বোঝ! তবুও কেন যে সুতোয় আগুন জ্বালিয়ে মোমকে গলতে নিষেধ করো তুমি। দিন যায় তোমার মনের পায়ে পায়ে ঘুরে! কখনও জোটে যদি হাড়, হাড়ের সাথে দু’এক টুকরো মাংসের স্বাদ গর্বে আমার বুক ভরে ওঠে! সব মানুষই স্বেচ্ছায় ধরা দেয়া সম্পদের মূল্য বোঝে না! পেয়েও বোঝে না কিছু পেয়েছি- শ্বাস বন্ধ হলে তবে মানুষ বোঝে বাতাসেই ছিল সে। তবে কি সরস্বতীর মতো জ্ঞানী তুমি- নিজেকে অধরা করো আমারই কারণে! আমি তবুও নীলাভ বিষাদ বয়ে চলি বুকের ভেতর।

তৃষ্ণা দিয়ে তৃষ্ণা জাগাও তুমি জাগিয়েই রাখো! বিরহ-যন্ত্রণা ভুলিয়ে রাখে পৃথিবীর সব তিক্ত স্বাদ, বিশদ গরল ক্লেদ অবসাদ। অবশেষে সব মিথ্যার ভেতর তুমিই শুধু সত্য হয়ে থাকো। রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরের খাদ্য লাগে; ন্যূনতম নিরাপদে ঘুমানোর নিশ্চয়তায় বাসস্থান না থাকলে বাসস্থান লাগে যাযাবরেরও! রাস্তায় রঙ মেখে দাঁড়িয়ে থাকা পতিতারা পেটের চাহিদায় ফেরি করে দেহ! প্রাণী মাত্রেরই চাহিদা আছে আর তুমি তো আমার স্ত্রী- তোমাকে পাবার আকাক্সক্ষা কেন পাপ হবে আমার! তোমার যে মৈথুনে ইচ্ছে নেই তা-ও নয়। বরং খুব উপভোগ করো জল আর কাদা মাড়িয়ে পদ্ম তোলার খেলায়! প্রয়োজনে সাঁতরে চলে যাও মধ্য পুকুরে যেখানে সবচে বড়ো ফুলটি মগ্ন হয়ে আছে। তবে কেন এই লুকোচুরি তোমার- তোমার চোখ বলে আমাকে তুমি নাও তোমার মুখ বলে আমাকে তুমি নাও তোমার দেহ বলে আমাকে তুমি দাও তোমাকে-আমি পুতুল খেলব॥ মানুষের পুতুল খেলার সাধ কখনোই শেষ হয় না? শৈশবে পুতুল, যৌবনে স্ত্রী বা স্বামী পুত্র তারপর নাতি-নাতনি, মানুষের পুতুল খেলা চলছেই... নারী দাতা ও গ্রহীতা-পুরুষ শুধু গ্রহীতা নারীর, সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে তাই? আকাশে মেঘ দেখা গেলেই তুমি তুমুল বাতাস ওড়াও-মেঘ তখন ভেসে যাও কোথায়-পড়ে থাকে ঘুম আর কাজের পৃথিবী! তুমি সব কিছুই বোঝ! তবুও কেন যে সুতোয় আগুন জ্বালিয়ে মোমকে গলতে নিষেধ করো তুমি।

দিন যায় তোমার মনের পায়ে পায়ে ঘুরে! কখনও জোটে যদি হাড়, হাড়ের সাথে দু’এক টুকরো মাংসের স্বাদ গর্বে আমার বুক ভরে ওঠে! সব মানুষই স্বেচ্ছায় ধরা দেয়া সম্পদের মূল্য বোঝে না! পেয়েও বোঝে না কিছু পেয়েছি- শ্বাস বন্ধ হলে তবে মানুষ বোঝে বাতাসেই ছিল সে। তবে কি সরস্বতীর মতো জ্ঞানী তুমি- নিজেকে অধরা করো আমারই কারণে! আমি তবুও নীলাভ বিষাদ বয়ে চলি বুকের ভেতর। তৃষ্ণা দিয়ে তৃষ্ণা জাগাও তুমি জাগিয়েই রাখো! বিরহ-যন্ত্রণা ভুলিয়ে রাখে পৃথিবীর সব তিক্ত স্বাদ, বিশদ গরল ক্লেদ অবসাদ। অবশেষে সব মিথ্যার ভেতর তুমিই শুধু সত্য হয়ে থাকো।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।