আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শিবিরকে বর্জন

আমি পূর্ণয় মহানবী(সাঃ) কে কটুক্তি করাটা মহা অন্যায়। আমরা সকলে তার বিচার চাই। জামাত-শিবির সেদিন নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিল। যেই ডাকে সাড়া দিয়ে সকল ইসলামিক দল যোগ দিল। আমাদের কিছু মুসলিম ভাইও শহীদ হল।

কিন্তু কেউ কি একটা জিনিস জানল যে সেদিন যখন মুসলিম ভাইয়েরা নামাজ পড়ছিল তখন কেন বাহিরে পুলিশ গুলি চালিয়েছিল ? কারণ তখন শিবিরের দামাল ছেলেরা নামাজ না পড়ে ককটেল ফুটাইতে ব্যস্ত ছিল। আবার পুলিশের গুলি চালানো টা মোটেও মেনে নেয়া যায় না। কিন্তু সাধারণ মুসলিমের সাথে পুলিশের এই দ্বন্দ্বটা জামাতের ককটেল বাজেরা বাজিয়ে সরে গেল। ভাইয়েরা ইসলামিক যেকোন আন্দোলনে জামাতকে বর্জন করুন। তারা এখন শুধুই ফিতনা-ফ্যাসাদ সৃস্টির মাধ্যমে খুনী এবং ধর্ষক রাজাকারদের মুক্তির পায়তারা করছে।

কাল তাদের হরতাল আজ হাতিরঝিল, মৌচাকে গুলি করল ককটেল ফুটালো। তারা যখনি সমর্থন হারাচ্ছে তখনই ইসলামের কথা বলে মুসলিম ভাইদের রাস্তায় নামাচ্ছে। আর রাস্তায় নামা মাত্রই তারা ফিতনা-ফ্যাসাদের মাধ্যমে মুসলিম ভাইদের আক্রান্ত করিয়ে তারা নিজেদের সার্থ হাছিলে ব্যস্ত ছিল। নবী কারীম(সাঃ) এর অপমান সইতে না পেরে আমরা মুসলিম ভাইয়েরা যখন রাস্তায় নেমেছিলাম তখন শিবিরের ককটেল শুধু পুলিশকে উত্তেজিতই করেনি বরং পুলিশও আমাদের গুলি করেছে। মধ্য দিয়ে জামাত ক্যাডার অনেক আগেই পালিয়েছিল।

আমরা ইসলামের পক্ষে আন্দোলন করি, রাজনৈতিক কোন দলের সার্থ নিয়ে আমরা ইসলামকে ব্যবহৃত হতে দিব না। ইসলামকে নিয়ে জামাত শিবিরের এই অপব্যবহার হতে আমাদের সকলেরই মুক্ত থাকা উচিত। আমরা দেশে ফিতনা-ফ্যাসাদ চাইনা, আমরা চাই আমার নবীর(সাঃ) অপমানের সাজা। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.