আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সভ্য হতে আর কত রক্ত চাই?

সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়......

ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত (ইভ টিজিং) করার প্রতিবাদ জানানোয় বখাটেদের হামলায় গুরুতর আহত কলেজশিক্ষক মিজানুর রহমানের (৩৬) চিকিৎসা এখনো চলছে। তাঁর অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। আজ বেলা দুইটার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) সহযোগী অধ্যাপক কামরুল হুদা এ কথা জানান। এর আগে তাঁর পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত একদল চিকিৎসক সকাল ১০টার দিকে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করেন। নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লোকমানপুর কলেজের এ শিক্ষক এখন এই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুল হুদা গতকাল প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, ‘মিজানুর রহমান ক্লিনিক্যালি ডেড। ’ মিজানুর রহমানের ভাতিজা আবু হেনা মোস্তফা কামাল ঢাকায় প্রথম আলোকে জানান, মিজানুর রহমান চার দিন ধরে অচেতন। চিকিৎসকেরা তাঁদের জানিয়েছেন, তিনি ক্লিনিক্যালি ডেড। তবে এখনো মৃত ঘোষণা করা হয়নি। লোকমানপুর কলেজ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দুই বখাটে যুবক আসিফ আলী ও রাজন কলেজের একাদশ শ্রেণীর কয়েকজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করত এবং অশালীন আচরণ করত।

ছাত্রীরা বিষয়টি কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক মিজানুর রহমানকে জানান। মিজানুর রহমান ঘটনাটি অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানান। তিনি অভিযুক্ত ওই যুবকদের সতর্ক করে দেন। এতে ওই যুবকেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ১২ অক্টোবর দুপুরে বখাটে যুবকেরা স্থানীয় কৃষ্ণা কৃষি খামারের সামনে প্রভাষক মিজানুর রহমানের ওপর মোটরসাইকেল তুলে দেয় এবং মাথা, বুক ও চোখে গুরুতর আঘাত করে।

স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।