আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিচার বিভাগের উপর থেকে যদি আস্থা উঠে যায় তবে দোষ কার?

সভাপতি- বিক্রমপুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, সম্পাদক ঢেউ, সভাপতি- জাতীয় সাহিত্য পরিষদ মুন্সীগঞ্জ শাখা

এক দশক আগের কথা, আমরা দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করছিলাম। আমার দাবী ছিল পুলিশ সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ কিন্তু আমার এক বন্ধু দাবী করল, বিচারকরাই সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ। আমি তীব্র প্রতিবাদ করলাম। কয়েক বছর পরেই বুঝলাম আসলে আমি কত কম জানি, আমার বন্ধুটি কত বেশি জানে। আজ দেখলাম ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে কানিজ আক্তার ওরফে বাঁধন লঞ্ছিত হওয়ার মামলায় আসামীদের বেকসুর খালাস দেন আদালত।

ওই আসামীরা ছিল ছাত্রলীগের। বাঁধনকে আসলে লাঞ্ছিত করেছিল এলিয়ানরা। দেশে এমন একটি অবস্থা বিরাজ করে যে এর বিরুদ্ধে কিছু বললে আদালত অবমাননা হয়ে যাবে। এতে কি বিচার বিভাগের উপর মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে? একটি আত্মহত্যা আরো আত্মহত্যাকে প্ররোচিত করে। একটি আদালত অবমাননার শাস্তি কি আরো মানুষকে আদালত অবমাননা করতে উৎসাহিত করবে না।

একজন গায়ক ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পেয়েছেন, আর একজন বাইচান্স সম্পাদক বীরের মতো জেল খাটছেন। তবে বিচারকদের দেখেছি ঘুষ খেতে, জাল সার্টিফিকেটে বিচারপতি হতে, রাজনীতির মধ্য দিয়ে বিচারপতি হতে। আরো কতো কী? বলতে গেলেই তারা অবমানিত হন। আমাদের আমজনতার কোন অবমাননা নেই। আচ্ছা বিচারকদের অবমাননাই আদালত অবমাননা?


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.