আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যুদ্ধাপরাধের বিচার অস্থির মগবাজার রিমান্ডে মুজাহিদ

স্বাগতম, এখানে দলমত নির্বিশেষে সকলকে বাঁশ দেয়া হয়

যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। আর সেই ভয়ে অস্থির মগবাজার। এখনই তারা কাঁপাকাপি শুরু করে দিয়েছে। তারা এখন এতটাই ভয়ে আছে যে ৭১ এ কি করেছিলো তা ভুলে গেছে। ১৯৭১ সালে কী কী করেছি মনে নেই: মুজাহিদ ১৯৭১ সালে নিজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে মুজাহিদ বলেন, ‘ওই সময় কী কী করেছি এত দিন পরে তা আর মনে নেই।

ছাত্র ছিলাম। তাই লেখাপড়া করেছি। ’ তাহলে যুদ্ধাপরাধের বিচার যখন শুরু হবে এবং তাদের ধরা হবে, তখন মুজাহিদ কী কী বলতে পারে দেখা যাক: রিমান্ডে মুজাহিদ প্রশ্নকর্তা: আপনার নাম কী? মুজাহিদ: মনে নেই। মা, কি নাম রেখেছিলো আমার মনে নেই। তখন ছোট ছিলামতো।

প্রশ্নকর্তা: আপনার বাবার নাম? মুজাহিদ: জানিনা। আম্মারে জিজ্ঞেস করতে হবে। প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, তাহলে আপনার মার নামটাই বলুন। মুজাহিদ: ঐটা আমার আব্বা জানে। প্রশ্নকর্তা এবার রেগে গেলেন।

প্রশ্নকর্তা: সেন্ট্রি একটা বাঁশ আনতো। মুজাহিদ: বাঁশ দিয়া কি করতেন । মুই ভুই ফাই। প্রশ্নকর্তা এবার বাশঁ হাতে। প্রশ্নকর্তা: বল বেটা ৭১ এ কি করছিলি।

মুজাহিদ: ওই সময় কী কী করেছি এত দিন পরে তা আর মনে নেই। ছাত্র ছিলাম। তাই লেখাপড়া করেছি। মুজাহিদ: শুধু মনে আছে বঙ্গবন্ধু এক মহান নেতা ছিলেন। আমরা স্বাধীনতা এনেছি, আমরাই তা রক্ষা করবো।

......... (মাথা ঠিক না থাকার কারনে আবোল তাবোল বকছেন) কি বুঝলেন, মাইরের উফ্রে ঔষধ নাই। বাঁশ পরলেই বেবাক জিনিস মনে পইরা যায়।


এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.