আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কর্নেল গাদ্দাফি ভাঁড়োত্তম, ভাঁড়বিক্রম

কাগু ক্যান স্টার্ট অ্যা ফায়ার ইউজিং জাস্ট টু আইস কিউবস

১: জাতিসংঘে আরবি দোভাষীদের মধ্যে গাদ্দাফির ভাষণের কাজ পাওয়া নিয়া আগ্রহ বেশি । কারণ গাদ্দাফির কাজ পাইলে ঐ মাসে দোভাষীর কপালে ছুটি জুটে প্রচুর । মানসিক স্ট্রেস থেকে ফ্রি হওয়ার জন্য এই ছুটি দেয়া হয় । একবার গাদ্দাফির ভাষণের মাঝখানেই দোভাষী চিৎকার কৈরা উঠছিলেন, " আই ক্যান্ট টেক ইট এনি মোর" বৈলা । ভাষণের সময় গাদ্দাফির বিষয়বস্তু ঠিক থাকে না ।

এক কথা থেকে এক লাফে সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেক কথায় চৈলা যায় । নিজের মনে বিড়বিড় করে । এমন সব উদ্ভট কথা বলে, দোভাষী ঐটা অনুবাদ করতে লজ্জা পায় । ২: গাদ্দাফির বডিগার্ড রেজিমেন্ট চল্লিশ জন । সবগুলা সুন্দরী কমবয়স্কা মেয়ে ।

এন্ড গাদ্দাফি ওয়ান্টস দেম টু বি ভার্জিন । বাছা বাছা ধাড়ি সুন্দরীদের রিক্রুট করার পরে, অস্ত্রচালনা, মার্শাল আর্ট এইসবের কঠিন সব ট্রেনিং পার করে যে কজন থাকতে পারে তাদেরকেই কেবল নেয়া হয় এইকাজে । লিবিয়াতে খুবি প্রেস্টিজিয়াস পেশা হওয়ার কারণে ভলান্টিয়ারের অভাব নাই । প্রশিক্ষণ শেষে এদের কাছ থেকে ওয়াদা নেয়া হয় জীবনের বিনিময়ে হৈলেও তারা গাদ্দাফিকে রক্ষা করবে । বছর কয়েক আগে গাদ্দাফির প্রিয় আয়েশা নামের একজন অবশ্য আক্ষরিক অর্থেই নিজের জীবন দিয়া ভাঁড়ের জীবন রক্ষা কৈরা গেছে ।

৩: ইটালিতে গিয়া গাদ্দাফি একবার ঐখানকার প্রায় শ'দুয়েক সুন্দরীদের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে । আমন্ত্রণে ফ্রি খাওন-দাওন ড্রিংকস এবং ড্যান্স পার্টির কথা উল্লেখ থাকলেও, সুন্দরীরা জড়ো হওয়ার পরে গাদ্দাফি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেয় । দীর্ঘ ভাষণের পরে সবাইকে গাদ্দাফির লেখা বইয়ের একটি করে কপি উপহার দেয়া হয় । ৪: গাদ্দাফি একবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সুইজারল্যান্ডের বিলুপ্তি চেয়ে বিল উত্থাপন করে । তার যুক্তি (!!) ছিলো, সুইজারল্যান্ডের লোকজন তিনভাষায় কথা বলে ।

তাই সুইজারল্যান্ডকে তিনভাগ করে ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইটালির মধ্যে ভাগ করে দেয়া হোক । অবশ্য সমস্যা ছিলো অন্যখানে । গাদ্দাফির পুত্র এবং পুত্রবধু সুইজারল্যান্ডের এক হোটেলে তাদের দুই চাকরকে মারধর করলে, সেখানকার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে । এইটাতে ক্ষেপে গিয়ে সে লিবিয়াতে দুইটা সুইস কোম্পানির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে, সুইজারল্যান্ডের সাথে সব ফ্লাইট ক্যান্সেল করে । বড় কথা হৈলো সুইস ব্যাঙ্কে রাখা তার টাকার একটা অংশ, ৫০০ কোটি ডলারও তুলে নেয় ।

৫: গাদ্দাফি কোকাকোলা কোম্পানির কাছে ট্যাক্স দাবী করে, রয়্যালিটি হিসাবে । কোকোয়া ফলের উৎপত্তি যেহেতু আফ্রিকায়, সেহেতু আফ্রিকার সব দেশের সরকারকে নাকি কোকাকোলা কোম্পানির আয়ের একটা অংশ দেয়া উচিৎ রয়্যালিটি হিসাবে । ৬: গাদ্দাফির দাবীমতে, শেক্সপিয়ার মূলত একজন আরব ইমিগ্র্যান্ট । তার আসল নাম শেখ জুবায়ের । অবশ্য কোন জায়গা থাইকা এই থিওরি টাইনা বাইর করছে, এইটা পরিষ্কারভাবে জানা যায় নাই ।

৭: গাদ্দাফির নিজেকে দেয়া উপাধি , আফ্রিকার রাজাদের রাজা । ---------------------------------------------------------------------------- সিভেয়ার ডিপ্রেশনে ভুগতাছি । কিছুটা বিমলানন্দ পাই গাদ্দাফিরে নিয়া পইড়া ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.