আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কিছু সায়েন্টিফিক খবর: যদিও কোনো কামের না তবু কাজ নাই তো জ্ঞান খাই!

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

পয়লা খবর: সিডিতে ব্যাবহ্রত সস্তা প্লাস্টিক কম্পু ইলেক্ট্রনিক্স, এয়ারক্রাফটে উন্নত কাজে লাগতে পারে কনসেপ্ট: প্লাস্টিক বিদ্যুৎ কু পরিবাহী- এইটা একটা পিচ্চিও জানে। কিন্তু ধরেন যে প্লাস্টকের হোস্টের ভিতর নির্দিস্ট পরিমাণের কার্বন ন্যানোটিউব মিশিয়ে দিলে ওটা পলি কার্বনেট হয়ে যায়। এর কন্ডাক্টিভিটি তখন বহুগুণ বেড়ে যায় ধরা যাক সোজা বাংলা সিলিকনের কন্ডাক্টিভিটি এর কাছে ফেল মারে আর মেটালের কন্ডাক্টিভিটির মানের একটু কম কন্ডাক্টিভিটি থাকে। সেমিকন্ডাক্টর ফিজিক্স নিয়া যারা একটু নাড়াচাড়া করছেন তারা একটু ভালো বুঝবেন।

ঐ আর কি আর, অনু গুলানের চিপায় চাপায় নির্দিস্ট পরিমানের ঐসব কম্পোজিট বা নয়ানোটিউবের অনু গুলান দিয়া দাও দেখবা কন্ডাক্টিভিটি ফাল পাইড়া বাইড়া যায়। কি তমষা! এখন বৈজ্ঞানিকরা এই জিনিস কম্পু আর এ্যায়ারক্রাফটের ইলেক্ট্রনিক্সে কাজে লাগানো হবে। পরবর্তী ধাপ: এই পরীক্ষার পরের ধাপ হইলো কালির ভিতরে এই ন্যানেটিউব কম্পোজিট ব্যাবহার কইরা এ্যায়ারক্রাফটে পেইন্ট কইরা দিবে মানে লাগায় দিবে যেগুলান দিয়া এইটার এমবেডেড ইলেক্ট্রনিক্সের মতো কাজ করানো হবে। যেহেতু এইটার ওজন কম সেহেতু ধাতু দিয়ে তৈরী ইলেক্ট্রনিক্স কম্পোনেন্ট এর ব্যাবহার বন্ধ হইবো। পাতিহাস: ইউ এস এয়ার ফোর্সের শে কুরান নামের এক বৈজ্ঞানিক এইটা কয়েক দশক ধইরা খুটুর খুটুর করতে করতে বাইর করছে।

ভদ্রলোক এক দশক আগে ট্রিনিটিতে এইটা নিয়ে গুতাগুতি শুরু করে পরে এয়ার ফোর্সে আইসা সফলতা পায়!এইটা নিয়া আরো ডেভেলপমেন্ট হইছে যেমুন ট্রিসটিন ন্যানোটিউব ভালো কাজ দেয় কার্বন ন্যানোটিউব আরো টাংফাং ঐসব আর লিখলাম না! পুরাই ফাউল আবিস্কার! দোকলা খবর: বরফের সামনে মিছা কথা বইলেন না! একটা খবর পইড়া টাস্কি খাইলাম। ফ্রুটিকা খাইলে কেউ সত্য কথা কইছে কিনা জানি না তবে এই খবরটা যদি সত্য হয় তাইলে ভাই নিশ্চিত থাকেন বরফের দেশে যারা বাস করেন তারা কাইন্ডলি মিছা কথা কওন ছাইড়া দেন! এ্যান্টার্কটিকায় আমরা যতদূর জানি নানা দেশের নানা বিজ্ঞানীরা বরফ নিয়া গবেষনা করতাছে আর আইসক্রিম ফ্রীতে ইগলু বানাই খাইতাছে। কিন্তু জাপানী সাইন্টিস্ট গুলান একটু অন্যরকম জিনিস নিয়া পইড়া রইছে। তারা বরফের মধ্যে নাইট্রেট আয়নের দ্রবন পরীক্ষা করতে গিয়া স্পাইকের খোজ পাইছে। এই স্পাইক গুলান পরীক্ষা কইরা দেখা গেছে ১১ শতকের দিকে মহাবিশ্বে দুইটা বিস্ফোরন ঘটছিলো: ক্রাব নেব্যুলায় ১০০৬ সালে একটা আরেকটা হইছিলো ১০৫৪ সালে।

এই স্পাইক গুলান যে কোনো কারণেই হোক: ঐ সুপার নোভা বিস্ফোরনের ফলে নির্গত গামা রশ্মি অতো শত আলোকবর্ষ ঘুইরা আইসা আমাদের বায়ুমন্ডলে হিট করে, তখন নাইট্রোজেন অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় আর ঐটাই বাতাসের বাবল হইয়া বরফে আটকাই যায়। তাই মামুজান, যারা বরফের দেশে আছেন তারা খুব সাবধানে মাইয়া পটানির সময় কথা কইবেন অথবা টাকা ধার নিলে ওগুলান ফেরত দেওনের সময় আর কন্ডিশন ঠিক কইরা নিয়েন। পরে টাইম মতো জাপানীগো ডাক দিলে সব জাড়ি জুড়ি ফাস! আরেকটা গুপন খবর: শিম্পান্জ্ঞির সাথে আমাগো ডিএনএর মিল ৯৯%!ডারউইন কাকা আসলেই একখান কামের লুক!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.