আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিদেশি ক্যাম্পাস

ইয়েল ইউনিভার্সিটি লাইট অ্যান্ড ট্রুথ প্রতিজ্ঞা নিয়ে সারা বিশ্বে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এই বেসরকারি ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠা। ১৭০১ সালে কলোনি অব ক্যানেকটিকাটে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি আমেরিকার উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। ১৭১৮ সালে ইয়েল কলেজ নামে প্রতিষ্ঠানটি ব্রিটিশ-ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে পরিচিতি পায়। ১৮৬১ সালে কলা এবং বিজ্ঞান অনুষদে আমেরিকার প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের অনুমতি পায়। ১৯০০ সালে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সদস্যপদ লাভ করে।

প্রতিষ্ঠানটিতে এক হাজার ১০০ জন শিক্ষক রয়েছে। এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৩ জন। নিজস্ব সম্পদের দিক থেকে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০১১ সালের হিসাব মতে, প্রতিষ্ঠানটি ১৯.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জোগানদাতা। তবে উচ্চশিক্ষা প্রসারে ইউনিভার্সিটির জুড়ি মেলা ভার।

প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ২৪টি লাইব্রেরি যেখানে ১২.৫ মিলিয়ন বই রয়েছে। ৫৯ জন নোবেল পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র, ফ্যাকালটি এবং স্টাফ হিসেবে কর্মরত। পৃথিবী বিখ্যাত এ প্রতিষ্ঠানে আমেরিকার পাঁচজন প্রেসিডেন্ট, ১৯ জন সুপ্রিমকোর্টের বিচারক, একাধিক রাষ্ট্রদূতসহ বহু কৃতী ছাত্র অধ্যয়ন করেছেন। তবে সংস্কৃতিমনা এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার পাশাপাশি ইয়েল স্কুল অব ড্রামা এবং ইয়েল স্কুল অব আর্টসের মাধ্যমে মিডিয়া ব্যক্তিত্বের জন্ম দিচ্ছে। এখানে 'ল' স্কুল আইন শিক্ষায় মার্কিনিদের পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে।

* ইন্টারনেট অবলম্বনে হাসানুর রহমান

 

 

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।