আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

রিয়েল লাভ। (গল্প)

আমি

'দোস্ত তুই আমার জন্য কিসু একটা কর। 'শাহিনের স্বরে যথেষ্ট কাকুতি ঝরে পড়ে। ফরহাদ, যার উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলা, কাকুতিটা উপেক্ষা করে দাঁত বের করে হাসতে থাকে। 'এইটা তোর কত নম্বর হইল?' 'ফাইজলামী বাদ দে। এইবার আমি সিরিয়াস।

সত্যি সত্যি-ই সিরিয়াস। ' শহিনের গলাটা কিছুটা দুখী দুখী শোনায়। ফরহাদ একটু থমকায়। তবুও হাসির রেশ টানতে টানতে বলে 'মামা, তোমারে দেখতে মজাই লাগতাসে। সারাজীবন প্রেম ভালোবাসা নিয়া ফাইজলামী করসো, বড় বড় ডায়লগ দিসো, এখন কইতাছ রিয়েল লাভ (real love)।

ফিলিংস টা কেমন মামা? চিন চিন ব্যথা করে বুকে?' বলতে বলতে শাহিনের বুকে হাত রাখে ফরহাদ। শাহিন চুপ। মাথাটা একটু নিচু করে বসে থাকে। কথা হচ্ছিল ফরহাদের বাসায়, ফরহাদের রুম এ বসে। ফরহাদ -শাহিন একই ভার্সিটিতে পড়ে, সাবজেক্ট আলাদা।

দুজনের স্কুল, কলেজ ও এক, থাকেও একই পাড়ায়। দুজন দুজনের বেস্ট ফ্রেন্ড না হলেও কাছের ফ্রেন্ড। বুক থেকে হাত সরিয়ে একটা চেয়ার টেনে শাহিনের মুখোমুখি বসে ফরহাদ। 'ঠিক আছে মামা এবার বলো আমি ঠিক কিভাবে তোমাকে হেল্প করতে পারি। মিথির লগে আমার পরিচয় আছে, একটু কথা বার্তাও হয়।

' 'পরিচয় তো আমার সাথেও আছে, যদিও কথা বার্তা তেমন হয় নাই। কিন্তু কিভাবে যে ওকে আমার অনুভূতি জানাব, তাইতো বুজতেছি না। ' 'মামা তুমি আবার হাসাইলা। তোমার এত দিনের অভিজ্ঞতা...' 'দিস কেস ইজ টোটলি ডিফরেন্ট' রাগ আর উত্তেজনা একত্রে প্রকাশ পায় শাহিনের কন্ঠে। 'রিলাক্স মামা রিলাক্স, ইংলিশ ফুটানোর দরকার নাই।

আসো ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করি' ... ... ... দুই ব্ন্ধুর আলোচনা চলতেই থাকে। ... ... ... দুপুর ৩টা থেকে রাত ৯টা। ... ... ... 'ঠিক আছে মামা, এখন তুমি বাসায় যাও। আগে আমি মিথির সাথে তোমার ব্যাপারটা আলাপ করি। ওর মনোভাবটা বুঝি।

আমি গ্রিন সিগনাল দিলে তুমি আগাইও। ' 'যা করার তারাতারি কর। আর সিগনাল যেনো গ্রিন-ই হয়, রেড না হয়। ' 'টেনশন নিও না মামা,টেনশন নিও না। আগামী সপ্তাহে পহেলা বৈশাখ এর আগেই রেজাল্ট পাইয়া যাবা।

' 'ও.কে. দেন বা-ই-ই। ' 'বা-ই-ই। ' (চলবে। ) সমালোচনা কাম্য। সামনে এগুতে সাহায্য করবে।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।