আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ভোলায় বিএডিসির বীজ কিনে আলু চাষিদের মাথায় 

ভোলা সদর উপজেলার বিএডিসির নির্ধারিত ডিলার মেসার্স সোহাগ ট্রেডার্স থেকে ৯ টন বীজ কিনে ইলিশার আলু চাষি সামসুদ্দিনের এখন মাথায় হাত। বীজ লাগানোর প্রায় এক মাস পরও চারা গজায়নি। পচে যাওয়া বীজ আলু ক্ষেত থেকে তুলে এনে সদর উপজেলা কৃষি অফিসে অভিযোগ করেছেন সামসুদ্দিন। একই অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার আরও কয়েক আলু চাষি।

সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের কয়েকজন আলু চাষি জানান, তারা বিএডিসির ডিলার মেসার্স সোহাগ ট্রেডার্স থেকে বীজ কিনে যেসব ক্ষেতে লাগিয়েছেন তাতে কোনো চারা গজায়নি। অভিযোগকারী কৃষকদের ক্ষেতের মাটি খুঁড়ে দেখা যায় প্রায় সবগুলো বীজ আলুই পচে যাচ্ছে। তবে পাশের যেসব ক্ষেতে বিএডিসির অন্য ডিলার কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ কিনে লাগিয়েছেন তাদের ক্ষেতে কোনো সমস্যা হয়নি। ইলিশা বাজার এলাকার ব্যাপারি বাড়ির আলু চাষি সামসুদ্দিন জানান, এ বছর তিনি প্রায় ২০ একর জমিতে আলু চাষ করেছেন। বিএডিসির ডিলার মেসার্স সোহাগ ট্রেডার্স থেকে ৬২০ টাকা দরে ১২৫০ ব্যাগ আলু বীজ কিনে লাগিয়েছেন। কিন্তু বীজ থেকে গাছ না হওয়ায় তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভোলার বীজ ভাণ্ডারের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সিনিয়র উপ-সহকারী পরিচালক ইশরাত জাহান জানান, ডিলার নিয়োগ এবং বীজ বিতরণের বিষয়টি বরিশাল বিভাগীয় অফিস থেকে করা হয়। এ ক্ষেত্রে ভোলা অফিসের কোনো ভূমিকা নেই। বরিশালের উপপরিচালক আসাদুজ্জামান খান জানান, নাজিম উদ্দিন সোহাগ বিএডিসি থেকে এ বছর ১০২ টন বীজ নিয়েছেন। ওই বীজ থেকে কেন চারা গজায়নি এখনই তা বলা যাচ্ছে না। বিএডিসির ডিলার নাজিম উদ্দিন সোহাগ জানান, তিনি বিএডিসি থেকে বীজ এনে বিক্রি করেছেন। বীজ নষ্ট ছিল কিনা তা তিনি বলতে পারছেন না। তিনি আরও জানান, কাচিয়া মাঝেরচরে যেসব কৃষক তার কাছ থেকে বীজ নিয়েছেন তাদের ক্ষেতে ভালো চারা গজিয়েছে। জেলা কৃষি কর্মকর্তা শান্তি রঞ্জন মণ্ডল জানান, বিএডিসি খারাপ বীজ দিলে তাদের বিরুদ্ধে কৃষকের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য মামলা করা হবে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.