আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বড়াইগ্রামে আদম ব্যাপারীর খপ্পড়ে সর্বস্বান্ত চারটি পরিবার

নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রতারক আদম ব্যাপারীর খপ্পড়ে পড়ে চারটি পরিবার সর্বস্বান্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা।

মামলার নথি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের জন ডি কস্তার ছেলে আদম ব্যবসায়ী জীবন ডি কস্তা' (৪০) কালিকাপুরের ডা. আব্দুল মতিন মিয়াজির ছেলে রফিকুল ইসলামের আড়াই লাখ টাকা, কাটাশকোলের রসুল মন্ডলের ছেলে আব্দুল রশিদের দেড় লাখ টাকা, আবুল বাশারের ছেলে রান্টু'র ৬০ হাজার টাকা এবং হযরত প্রামাণিকের ছেলে সিরাজের ২০ হাজার টাকা নেন।

দীর্ঘদিনেও বিদেশ পাঠাতে না পারায় কিছুদিন আগে ভূক্তভোগীরা জীবন ডি কস্তার কাছে টাকা ফেরত চান। কিন্তু তিনি টাকা না দিয়ে নানা রকম ছলনার আশ্রয় নেন এবং এক পর্যায়ে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

একদিকে বিদেশ যেতে না পারা, অপরদিকে জমি বিক্রি বা বন্ধক রেখে, সমিতি থেকে ঋণ এবং ধারদেনা করে দেয়া টাকা ফেরত না পাওয়ায় বর্তমানে তাদের নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ ব্যাপারে জীবন ডি কস্তাকে আসামী করে প্রতারিত রফিকুল ইসলামের বাবা ডা. আব্দুল মতিন মিয়াজি বাদী হয়ে কোর্টে মামলা করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ ডা. আব্দুল মতিন মিয়াজি জানান, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য জমি বন্ধক রেখে ও সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে আদম ব্যাপারীকে টাকা দিয়েছি। দীর্ঘ ৭ বছরেও বিদেশ পাঠাতে পারেনি। আবার টাকা ফেরত না দেয়ায় জমিও ছাড়াতে পারছি না।

বর্তমানে আমার একেবারে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। আদম ব্যাপারী জীবন ডি কস্তা পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বড়াইগ্রাম থানার অফিসার্স ইনচার্জ ইব্রাহিম হোসেন জানান, বিষয়টি জানি। এ ব্যাপারে কোর্টে মামলা চলমান আছে।  



সোর্স: http://www.bd-pratidin.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.