আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ড্রাগ লাইসেন্স সংগ্রহের পদ্ধতি

ওষুধের দোকান খুলে বৈধভাবে ওষুধের ব্যবসা করতে চাইলে ড্রাগ লাইসেন্স নেয়া জরুরি। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ঔষধ প্রশাসনের কাছ থেকে ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হয়। ঔষধ প্রশাসনের নির্ধারিত ফরম-৭ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। সাথে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হয়: * ব্যাংক স্বচ্ছলতার সনদপত্র * লাইসেন্স ফি জমা দেয়ার ট্রেজারী চালান * দোকান ভাড়ার রসিদ বা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। নিজস্ব দোকান হলে দলিলের ফটোকপি।

* ফার্মাসিস্টের অঙ্গীকারপত্র * পৌর এলাকার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের কপি ফার্মাসিস্টের সনদের জন্য ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে ছয় মাস মেয়াদী একটি কোর্স করতে হয়। তিন মাস পর পর ঔষধ প্রশাসনের সভা হয়, যেখানে তথ্যগুলো যাচাই সাপেক্ষে লাইসেন্স দেয়া হয়। ফি: লাইসেন্স ফি ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। পৌর এলাকার জন্য এই ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং পৌর এলাকার বাইরে ৭৫০ টাকা। দু’বছর পর পর লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।

পৌর এলাকার জন্য নবায়ন ফি ৭৫০ টাকা এবং পৌর এলাকার বাইরে এটি ৪০০ টাকা। প্রয়োজনীয় সময়: নতুন লাইসেন্স নিতে হলে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগে যাচাই বাছাইয়ের জন্য। আর লাইসেন্স নবায়নের জন্য পাঁচ থেকে সাত কর্ম দিবস অপেক্ষা করতে হয়। যোগাযোগ: ঔষধ প্রশাসন ১০৫-১০৬, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। টেলিফোন: ৮৮০-২-৯৫৫৬১২৬, ৯৫৫৩৪৫৬ ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৫৬৮১৬৬ ই-মেইল: ওয়েবসাইট: http://www.dgda.gov.bd বি:দ্র: যাদের আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা বিষয়ক তথ্য দরকার তারা এখানে ক্লিক করুতে পারেন  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.