আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান এবং .................

যুদ্ধে আছি!! ঘটনার সুত্রপাত ১ টা ব্লগ সাইট এ এক টা কমেণ্ট কে কেন্দ্র করে কমেন্ট টা ছিলো অনেক টা এরকম "বাংলাদেশের সাধিনতা পুরোপুরি ভারতের অবদান। মায়ের যেমন সন্তানের উপর অধিকার থাকে তেমনি ভারতের ও পুরো অধিকার আছে বাংলাদেহ এর উপর। টিপাইমুখ বাধ কেন। । আর ও দশ টা বাধ নিয়ে ও কিছু করা উচিত না......।

" আমি কমেন্ট তার লিঙ্ক দিতে না পারার জন্য দুঃখিত। আসলে কমেন্ট তা অন্নেক আগে পড়েছিলাম। । কিন্তু আজকের এই নোট লেখার কারন আর ও আছে। ।

আমি গত কয়েক দিন যাবত আমার খুব কাছের বন্ধু এর সাথে আলোচনা করে ভারত এবং বাংলাদেশের সাধিনতা নিয়ে তাদের যে ধারনা পেলাম ১। ভারত না থাকলে বাংলাদেশ সাধিনতা পাইতো ই না ২। ভারত এর সাথে টিপাই মুখ ্সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলা অথহীন ৩। ভারত ছাড়া বাংলাদেশের অচল। আর এ ভাই ওরা পেয়ায বন্ধ করে দিলেই তো শেষ হইয়ে যাবি ৪।

আমাদের কোন ফিউচার নাই!দেশ টার কিছু হবে না!ভারত যদি কোন ভাবে বাচায় তাইলেই বাচলাম...। ৫। ভারত বিরোধিতা রাজাকার দের কাজ!! মূল প্রসঙে যাবার আগে অল্প স্বল্প গল্প.... "মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের জন্য বাংলাদেশ চিরকৃতজ্ঞ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ সোমবার ঢাকায় সফররত ভারতের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী মঙ্গপতি পল্লম রাজুর কাছে দীপু মনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আজ সোমবার বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দীপু মনি ভারতের প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত যে অবদান রেখেছে সেজন্য বাংলাদেশ সর্বদাই কৃতজ্ঞ থাকবে। বাংলাদেশ ও ভারতের চলমান ‘চমৎকার’ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন দু’মন্ত্রী। " উৎস "স্বাধীনতার ৪০ বছরের মধ্যে ৩০ বছর ক্ষমতায় ছিল স্বাধীনতা বিরোধীরা। এরাই ভারত সম্পর্কে নানান অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে’। রাজশাহীতে ‘মুক্তিযুদ্ধের ৪০ তম বার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি জনাবশাহরিয়ার কবীর একথা বলেন।

তিনি বলেন: যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী তারা কখনো চায়না ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বজায় থাক। এতে করে তাদের স্বার্থের হানি হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের যে অবদান তা আমাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখতে হবে। তা নাহলে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতিতে পরিণত হবো। দেরীতে হলেও ভারতকে স্বাধীনতা সম্মাননায় ভূষিত করার যে উদ্যোগ তা প্রশংসনীয়।

" উৎস সবার আগে চলুন দেখে আসি ভারত এর সাহায্য এর নমুনা এবং সাধিনতা এর পিছনে তাদের ভুমিকা (বিষদ আলোচনা করা সম্নব নয়। । কিছু খন্ড অংশ তুলে দিচ্ছি) স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে এক টা গুরুত্বপূর্ন গোষ্ঠীর অবদান আমরা কখনই যথার্থ ভাবে মূল্যায়ন করতে পারি নি। তা হল আমাদের নিয়মিত সশস্ত্র বাহিনীর অবদান। পৃথিবীর ইতিহাসে মাত্র নয় মাসে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম সফল হবার আর কোন নজির নেই।

ন মাস কেন ন বছরেও সশস্ত্র সংগ্রাম করে স্বাধীন হতে পেরেছে, এমন জাতিও সহজে খুজে পাওয়া যাবে না। কিভাবে আমরা স্বাধীন হলাম নয় মাসে? ভৌগলিক অবস্থান একটা factor ছিল সন্দেহ নেই। ভারতের প্রকাশ্য মুক্তহস্ত সহযোগীতা ও আরেকটা প্রধান কারন। তবে এ সবগুলোর জন্যেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রস্তুত ছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তৈরী ছিল দীর্ঘ একটা গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য, in the worst case scenerio ওরা আর একটা কাশ্মীরের জন্য মনে মনে প্রস্তুত হচ্ছিল।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষ বিশ্লেষন গুলো পড়েদেখুন। কিন্তু একটা ঘটনার জন্য ওরা একেবারে প্রস্তুত ছিল না তা হল নিয়মিত সেনাবাহিনীর বাঙ্গালী ইউনিট গুলোর গন বিদ্রোহ। ওরা এটা ভাবতেই পারে নি যে বিশ্বখ্যাত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা এভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়বে। বাঙ্গালী ইউনিট গুলো এতটা সুশৃংখল ভাবে বেসামরিক নেতৃত্বের অধীনে বিদ্রোহ করে একতাবদ্ধ হয়ে একটা conventional যুদ্ধ পরিচালনা করবে - এটা পাকিস্তানি নীতি নির্ধারকদের কল্পনার অতীত ছিল। এটা সত্যি যে , সেনাবাহিনীর জাতি ভিত্তিক ট্রুপ গুলোর শতভাগেরই বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দেয়া একটা অভূতপূর্ব ঘটনা।

মানব জাতির বিচ্ছিন্নতাবাদের ইতিহাসে এধরনের ঘটনা তেমন আর ঘটে নি। উৎস ২ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে বীর বাঙ্গালী মুক্তিযোদ্ধারা যে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করেন তার যথার্থ মূল্য ভারত কখনোই দিতে চায়নি। এ নিয়ে মুক্তি ফৌজের কমান্ডারদের সাথে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্ব শুরু হয় প্রথম থেকেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালনার জন্য মুজিবনগরে (৮নং থিয়েটার রোড) কর্নেল ওসমানীর নেতৃত্বে একটি হেডকোয়টার্স স্থাপন করা হলেও জনাব ওসমানীর কর্মক্ষমতা ছিল সীমিত। জুলাই মাস অব্দি মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডাররা হেডকোয়াটার্স এর কাছ থেকে তেমন কোন সাহায্যই পাননি সংগ্রাম পরিচালনা করার জন্য।

বিভিন্ন সেক্টরে কমান্ডাররা সম্পূর্ণভাবে নিজেদের উদ্যোগেই মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ প্রসঙ্গে এভিএম খন্দোকার বলেন, “আমি যখন কোলকাতায় গিয়ে পৌছলাম তখন দেখলাম যে, হেডকোয়াটার্সের সাথে সেক্টর কিংবা সাব-সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে কোন যোগাযোগ নেই এবং এ পর্যায়ে ভারত আমাদের সংগ্রামে তেমন কোন সাহায্যই দেয়নি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করাও তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ফলে কোন সঠিক নীতিও গড়ে তুলতে পারেনি তারা। তবে তারা তখন চাচ্ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের ইস্যুটা জিইয়ে থাক।

ভারতীয় নীতি নির্ধারকরা চাচ্ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের ধারাবাহিকতা এবং গতি-প্রকৃতি থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সংগ্রামীদের বুঝে নিয়ে তারা তাদের নীতি চুড়ান্ত করবেন। চুড়ান্ত নীতি নির্ধারন করার সময় পর্যন্ত সমস্ত বিষয়টাকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন তারা। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এবং সেনা বাহিনীর এ ধরণের মানসিকতার ফলে ভারতীয় সেনা বাহিনী এবং মুক্তি বাহিনীর মধ্যে বৈরীভাব এবং রেষারেষি পরবর্তিকালে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গড়ে উঠা বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর মধ্যে যে ভারত বিরোধী মনোভাব দেখা যায় সেটা মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই crystallize করে। ” এ প্রসঙ্গে জনাব খন্দোকার আরও বলেন, “মুক্তিফৌজ এবং ভারতীয় বাহিনীর মধ্যে বিরোধ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম লগ্ন থেকেই দাঁনা বেধে উঠেছিল বিভিন্ন কারণে। ঐ সেন্টিমেন্ট, আবেগ-অনুভূতি বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন Disappointment এর মধ্য দিয়ে ক্রমশঃ আরো বেড়েছে।

” মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সাহায্য ও সহযোগিতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে গ্রুপ ক্যাপ্টেন খন্দোকার বলেছেন, “মে, জুন, জুলাই, আগষ্ট পর্যন্ত ভারতের Involvement ছিল অতি সামান্য। যা ছিল তা মোটামুটিভাবে মুক্তি বাহিনীর জন্য কিছু যৎসামান্য হালকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ সরবরাহ, কিছু লজিস্টিক সাপোর্ট এর বেশি কিছুই নয়। মুক্তিফৌজ কমান্ডারদের মূলতঃ শত্রুপক্ষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধ সম্ভারের উপর নির্ভর করেই চালিয়ে যেতে হচ্ছিল স্বাধীনতা সংগ্রাম। ” মুক্তিফৌজ সেক্টর কমান্ডারদের জুলাই মাসের কনফারেন্সের কথা আগেই বলা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, দুই লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে ট্রেনিং দিয়ে গেরিলা হিসেবে বাংলাদেশের ভেতরে পাঠানো হবে।

এ প্রসঙ্গে গ্রুপ ক্যাপ্টেন খন্দোকারের বক্তব্য প্রাণিধানযোগ্য। তিনি বলেন, “সেক্টর কমান্ডারদের মিটিং এর পর একদিন জেনারেল অরোরা এলেন। মিটিং হল। কর্নেল ওসমানীর সাথে সেই মিটিং এ আমিও উপস্থিত ছিলাম। মিটিং এ আলোচনার মূল বিষয় ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা ট্রেনিং নিয়ে।

কতজনকে ট্রেনিং দেওয়া হবে, কোথায় কোথায় ট্রেনিং দেওয়া হবে, কিভাবে ট্রেনিং দেওয়া হবে, কি করে রিক্রুটমেন্ট করা হবে, কতদিন ট্রেনিং দেওয়া হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। জেনারেল অরোরা প্রস্তাব দিলেন পাঁচ হাজার গেরিলা ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করলেই হবে। শুনে কর্নেল ওসমানী এবং আমি দু’জনেই অবাক হয়ে গেলাম। আমি বলেই ফেললাম এত অল্প সংখ্যক গেরিলা দিয়ে কি হবে? জবাবে জেনারেল অরোরা বললেন, “These are the people who will go inside, bleed the enemy and all those things.” কর্নেল ওসমানী জেনারেল অরোরাকে দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দিলেন তার দুই লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা দরকার। সেক্টর কমান্ডারদের সদ্য সমাপ্ত কনফারেন্সে সেটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

যাই হোক ট্রেনিং শুরু হল। ট্রেনিং শেষ করে গেরিলারা ফিরে আসল। কিন্তু তারপর একটা বিরাট সমস্যা দেখা দিল। এ সমস্যাটার জন্য পুরোপুরি দায়ী ভারত সরকার। ট্রেনিং এর পর ভারতীয় আর্মি সম্পূর্ণভাবে তাদের নিজেদের অধিনে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল।

এতে ভীষণ বিরূপ প্রতিক্রিয়া হল। ট্রেনিংপ্রাপ্ত গেরিলাদের বিভিন্ন সেক্টর থেকে রিক্রুট করা হয়েছিল। ট্রেনিং-এর পর তারা নিজ নিজ সেক্টরে ফিরে গিয়ে তাদের প্রিয় সেক্টর কমান্ডারদের অধিনে যুদ্ধ করবে এটাই ছিল তাদের আশা। ভারতীয় সেনা কমান্ডারদের অধিনে যুদ্ধ করতে তারা রাজি হল না। ভারতীয় বাহিনী ট্রেনিংপ্রাপ্ত গেরিলাদের তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দেশের ভেতরে তাদের কমান্ডের আওতায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সেটা আমাদের হেডকোয়াটার্সকেও জানতে দেয়া হয়নি।

মুক্তিযোদ্ধাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু কিছু জায়গায় জোর করে ইন্ডিয়ান কমান্ডাররা গেরিলাদের পাঠায় মূলতঃ লুটপাট করে নিয়ে আসার জন্য। যুক্তি হিসেবে তাদের বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ চালাতে হাতিয়ার এর সাথে টাকা-পয়সারও প্রয়োজন রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা এ ধরণের অমানবিক অপারেশন এবং ইন্ডিয়ান আর্মির অধিনতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে তাদের নিজ নিজ সেক্টরে পালিয়ে যায়। এর ফলাফল ও প্রতিক্রিয়া even at a later date was very bad মুক্তিযোদ্ধারা did not like the way Indian Army wanted them to be used. অল্প সময়ের মধ্যেই সব সেক্টরে এ সম্পর্কে তিক্ততা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর মাঝে অবিশ্বাসের জন্ম হয়।

এ খবর জানাজানি হয়ে যাবার পর মুক্তিযোদ্ধাদের সেক্টর কমান্ডারদের দাবি অনুযায়ী আমাদের হেডকোয়াটার্স থেকে চাপ দেয়া হল, ‘আমাদের এই ট্রেইন্ড গেরিলাদের বাংলাদেশী কমান্ডারদের হাতে না দিলে This will be a disaster and catastrophe. বাংলাদেশের প্রশিক্ষিত গেরিলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশী সেক্টর কমান্ডারদের হাতে দিতেই হবে। ’ এ সর্ম্পকে ভারতীয় মিলিটারী হাইকমান্ডের প্রথম থেকেই প্রচুর reluctance থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অনিচ্ছাসত্ত্বে নেহায়েত নিরূপায় হয়েই আমাদের চাপের মুখে নতি স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। পরবর্তী পর্যায়ে অবশ্য মুক্তিফৌজদের কাউন্টার ফোর্স হিসেবে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী (‘র’) এবং সেনা বাহিনীর মিলিত চেষ্টায় গঠিত হয়েছিল বিএলএফ। সে এক অন্য অধ্যায়। উৎস ভারত না থাকলে বাংলাদেশ সাধিনতা পাইতো ই না "" মাঈদুল হাসান এ পর্যায়ে জিজ্ঞেস করেন, “ভারতীয় বাহিনীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছাড়া বাংলাদেশ বোধ হয় স্বাধীনতা পেত না, কি বলেন?” খন্দোকার সাহেব মাঈদুল হাসান সাহেবের সাথে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, “যদিও মুজিবনগরের অনেকে এমনকি আমাদের মন্ত্রীসভার অনেকেই হতাশা বোধ করতেন, সংসদ সদস্যদের অনেকেই ইয়াহিয়া খানের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার সুযোগ নিয়ে ফিরে যাবার চিন্তা-ভাবনাও করছিলেন।

মুক্তি বাহিনীর তৎপরতায় আস্থাহীন হয়ে হতাশা বোধ করতেন। দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের কথা শুনলেই আতঁকে উঠতেন। ভাবতেন কি হচ্ছে! দেশে বোধ হয় আর ফিরে যাওয়া যাবে না। এ ধরণের পরিস্থিতিতেও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতাম, মুক্তিফৌজের গেরিলা তৎপরতা বেড়ে গেলে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাবে বলে যুক্তির অবতারণা করে যারা আমাদের মুক্তি সংগ্রামের গতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছিলেন তাদের সে যুক্তি ছিল সম্পূর্ণ ভুল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পক্ষান্তরে আমরা যদি আমাদের সংগ্রামের তীব্রতা প্রথম থেকেই বাড়াতে সক্ষম হতাম তবে আমাদের প্রচন্ড গেরিলা তৎপরতার মুখে পাকিস্তান দখলদার বাহিনীকে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আত্মসর্মপন করতে হত মুক্তি ফৌজের কাছে।

কারণ They had no chance to fight. Their moral was completely shattered and the losses would have been unacceptable to them. (সংবাদ ২৬শে মার্চ ১৯৯০)। জনাব মাঈদুল হাসান জবাবে বলেছিলেন, “আপনার চিন্তা-ভাবনায় যুক্তি থাকলেও ভারতীয়রা ভেবেছিলেন অন্যরকম। তারা চেয়েছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে ছোট করে দেখাতে এবং বিশ্ব পরিসরে পাক-ভারত যুদ্ধের ফল হিসাবে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে। এতে ভারত এক ঢিলে দুই পাখি বধ করতে সক্ষম হয়। প্রথমত: ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের প্রতিশোধ নিয়ে নিজেকে উপমহাদেশের প্রধান সামরিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয় ভারত।

দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রাখার যৌক্তিকতা অর্জন করে। " উৎস ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের 'একটি' 'বেসামরিক' 'অটার বিমান' দান করে । যা ১৯৫১ থেকে উত্‍পাদন শুরু করে ১৯৬৭ সালে বন্ধ হয়ে যায় (তথ্য উইকিপিডিয়া) । যা বাংলাদেশ পরে সেটাকে একটি 'সামরিক' বিমানে রুপান্তর করে যা যুদ্ধে অংশগ্রহন করতে সক্ষম । সমসময়ে ভারতের বিমান বাহিনীর ছিল রাশিয়ায় উত্‍পাদিত মিগ-২১ যুদ্ধবিমান যা ১৯৫৯ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত উত্‍পাদিত হয় (সূত্র উইকিপিডিয়া) ।

বিমানটির দিবা এবং রাত্রিকালীন উড্ডয়নের ক্ষমতা ছিল । এয়ার টু গ্রাউন্ডে বোমাবর্ষনের জন্য ছিল অটোমেটেড গাইডেন্স সিস্টেম । আমাদের 'বন্ধু' ভারতের পরোপকারীতা দেখে আমি অবাক :O তারা আমাদের দান করে ১টি অচল বেসামরিক বিমান যা কিনা রাত্রিকালীন উড্ডয়নে অক্ষম !! আর আমাদের দানকৃত অটার বিমানটির এয়ার টু গ্রাউন্ডে বোমাবর্ষনের জন্য ছিলনা কোন স্বয়ংক্রিয় টার্গেটিং সিস্টেম । বিমানের ক্রুরা হাতের সাহাজ্যে পিন খুলে লক্ষবস্তুতে আঘাত করতেন । আপনারা জদি 'কল আফ ডিউটি' গেমটি খেলে থাকেন তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন এমন বিমানের দেখা পাবেন ।

বাংলাদেশের এমন 'বন্ধুর' জন্য তালিয়া । যারা শুধু নাম কামানোর জন্যই ব্যাস্ত । শ্রদ্ধা তাদের জন্য যারা ব্যাপক প্রতিকূলতা সত্বেও আমাদের একটি স্বাধীন দেশ এনে দিয়েছে । হ্যা ভারত সাহায্য না করলে আমাদের সাধিন হতে আর ও সময় লাগতো!কিন্তু কত দিন?ভিয়েতনাম এর দিকে তাকান!১৯৫৫-১৯৭৫!২০ বছর লড়াই ক র ছে!কিন্তু আজ তাদের অগ্রগতি ্যে কোনো দেশের হিংসা জাগানর মতো। আমাদের হয়তো একটু বেশি সময় লড়তে হতো কিন্তু তাতে মানুশ নামের কিছু নোংরা জিনিস ও কমতো।

সত্যিকার এর দেশ প্রেমিক রা দেশ চালানর সুযোগ পেতেন! ্ যুদ্ধের পর ভারতের ঋণ কিভাবে শোধ করা হইয়েছে জানতে চান? স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে যত ভাল ধরনের ত্রাণ (relief) আসত । তার বেশির ভাগই যেত ইন্ডিয়ানদের পেটে । ইন্ট্যাক্ট টিনে করে আসা এসব উন্নত মানের খাবার পাওয়া যেত ইন্ডিয়ান মার্কেটগুলোতে । (১ কোটি শরণাথী আশ্রয় :p)আর সারাদিন ট্রেনিং করে দেশকে স্বাধীন করে মুক্তিযোদ্ধারা খেতেন পোকাধরা রুটি ও পচা খাবার । তাও ভালো ওরা ওদের স্বার্থ হোক আর যে কারনেই হোক,আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য তাদের সাহায্য অনস্বীকার্য ।

কিন্তু যা সাহায্য করেছে তার ১০ গুন নিয়েছে। যুদ্ধ জয়ের পর পাকিস্তানীদের ফেলে যাওয়া সব অস্ত্র থেকে শুরু করে বদনা পর্যন্ত । আর টিপাইমুখ বাধ ,ফারাক্কা , ট্রানজিট এর কথা নাই বা বল্লাম ইতিহাস কে বদলে দেওয়া ্যুদ্ধে জয় লাভ করার পর থেকে ইতিহাস বদলান এর কাজ শুরু হয়। আজ পাকিস্তান ও ভারত এর নতুন প্রজন্মের এক টা বড় অংশ জানে যুদ্ধে পাকিস্তান ভারত এর কাছে পরাজিত হয়েছিল। ।

ভারত এ এই কথা অহ রহ বলা হ্য় তারাই আমাদের সাধিনতা এনে দিয়েছিল। । ইউটীউব এ গেলে দেখবেন। । ১৯৭১ এর বেশির ভাগ ভিডীও তে ইতিহাস পাল্টে দেবার ভেল্কি।

আমাদের বাংলাদেশি এক ভাই এর আপলোড করা ভিডি ও তে এক ভারতিয় এর কমেন্টঃ bangla people had no army at that time ,then to whom did pakistanis surrender.It was to the indian army chief , jagjit singh arora that a k k niazi gave the instrument of surrender.Fuck you bangla pigs,we saved your sisters from pakistani rapists and it is Indira gandhi who created Bangladesh.Its high time u realize ur real FATHER() উৎস ভারত ছাড়া বাংলাদেশের অচল। আর এ ভাই ওরা পেয়ায বন্ধ করে দিলেই তো শেষ হইয়ে যাবি এর উত্তর আমি না দিচ্ছেন এক জন ব্লগারঃ "কাছের এক বন্ধু জিজ্ঞাসা করল- 'ভারত যদি আমাদের বর্জন করে তাহলে কী হবে? বর্ডার থেকে পিঁয়াজ, চিনি আর গরু সাপ্লাই বন্ধ হইলে আমাদের কি হবে?'আমি বললাম, 'চিনির বিষয়ে জানি- বাংলাদেশের সরকারি মিলগুলো তাহলে আবার বেঁচে উঠবে। কারণ প্রতিবছর সরকারি মিলে চিনি অবিক্রীত থাকে, নষ্টহয়। ' আর গরু আমাদের যেমন খাওয়ার জন্য দরকার, তেমন টাকার জন্য ওদেরও গরু বেচা দরকার। কারণ, ভারতের অনেক প্রদেশেই গরু বিক্রি নিষিদ্ধ।

সেখানকার গরু মালিকরা দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশি ফড়িয়াদের কাছে গরু বিক্রি করে। আমরা না কিনলে তাদের গরু উঠানে শুকিয়ে মরবে, পরে চন্ডালে মরা গরু ভাগাড়ে ফেলে আসবে। পিঁয়াজের বিষয়টা নিশ্চিত না। তবে চাইলে নিজেরা উৎপাদনকরে কিংবা 'চা খেতে খেতে ল্যাংটা করে পিটায় না' এমন কোন দেশ থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটানো যেতে পারে। ইন্ডিয়া নিজে কিন্তু বাংলাদেশের পণ্য তাদের দেশে ঢুকতে দেয় না।

অথচ পশ্চিমবঙ্গে কোন বাণিজ্যমেলা হলে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ানে বিস্কুট কেনার জন্যও ভিড় পড়ে যায়। সারা পৃথিবী যখন 'মেড ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ডের কাপড়ের পেছনে ছুটছে, তখন আমরা ইন্ডিয়ার কাপড়ের জন্য ল্যূলায়িত বোধ করি! তবে আরো অনেক প্রোডাক্ট আছে যেগুলো কেবল ইন্ডিয়াই আমাদের সরবরাহ করে। এসব 'এক্সক্লুসিভ'জিনিসের মধ্যে হিন্দি সিরিয়াল অন্যতম। এমন উচ্ছিষ্ট জিনিস অন্য দেশ বানায় না, তাই অন্য দেশ থেকে অবশ্য আমদানি করাও সম্ভব নয়। সবশেষে কইলাম - আমার তো মনে হয় প্রতিরাতে হিন্দি সিরিয়ালদেইক্ষা বাঙালি যে পরিমান ল্যূল ফালায়, সেইটা পদ্মায় রিডীরেক্টকরা গেলে নদীটা এম্নে শুকাই মরতো না!!" উৎস আমাদের কোন ফিউচার নাই!দেশ টার কিছু হবে না!ভারত যদি কোন ভাবে বাচায় তাইলেই বাচলাম...।

আমাদের বাংলাদেশ আজ সম্ভাব্য প রা শক্তি গুলোর মাঝে বিবেচিত হছে The Next Eleven (or N-11) are eleven countries—Bangladesh, Egypt, Indonesia, Iran, Mexico, Nigeria, Pakistan, Philippines,Turkey, South Korea, and Vietnam — identified by Goldman Sachs investment bank and Jim O'Neill as having a high potential of becoming, along with the BRICs, the world's largest economies in the 21st century. The bank chose these states, all with promising outlooks for investment and future growth, on December 12, 2005. The criteria that Goldman Sachs used were macroeconomic stability, political maturity, openness of trade and investment policies, and the quality of education. The N-11 paper is a follow-up to the bank's 2003 paper on the four emerging "BRIC" economies, Brazil, Russia, India, and China.[1] It can be compared with the CIVETS list coined by Robert Ward, Global Forecasting Director for the Economist Intelligence Unit (EIU) - having a few differences, but many similarities - as well as theG20 developing nations. উৎস (n) অপ্রাসংগিক কিছু কথা ফেসবুককে শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে গত মাসে আত্মপ্রকাশ করেছে সামজিক যোগাযোগ সাইট গুগল প্লাস তথা জিপ্লাস। জিপ্লাস ডেভেলপের নেপথ্য কারিগরের একজন হচ্ছেন বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী জাহিদ সবুর । প্রকল্পটির অন্যতম টিম লিডার তিনি। ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগে নতুন সেনসেশন গুগল প্লাস। সামাজিক যোগাযোগে শীর্ষে থাকা ফেসবুককে শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে গত মাসে আত্মপ্রকাশ করেছে গুগল প্লাস তথা জিপ্লাস।

সাফল্যের বিচারে সার্চ জায়ান্ট গুগলের নতুন এই সেবা আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। পরীক্ষামূলক এবং 'ইনভাইট অনলি' হলেও সেবাটি চালুর মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় ২ কোটি ব্যবহারকারী টানতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট ট্রাফিক বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কমস্কোর। গুগল প্লাসের সফলতা নিয়ে যারা সন্দিহান ছিলেন তারাও এখন নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছেন। 'বাজ'-এর ব্যর্থতার পর গুগলের কিছু চৌকস কর্মীর মেধা এবং শ্রমের ফসল এই জিপ্লাস। জিপ্লাস ডেভেলপের নেপথ্য কারিগরের একজন হচ্ছেন বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী জাহিদ সবুর ।

এ প্রকল্পের অন্যতম টিম লিডার তিনি। ২০০৭ সাল থেকে গুগলে কাজ করছেন। পড়াশোনা করেছেন অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং পরে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে [এআইইউবি]। বাংলাদেশ কে পু্রোপুরি ভাবে ভারত এর উপর নিরভরশীল করতে লেগেছে ৪০ বছর। আমাদের না হয় নিজেদের পায়ে আবার ঘুরে দারাতে ৪০ বছর ই লাগবে।

আমার সেই সব বন্ধুর উদ্দেশ্যেঃ বাংলাদেশ ৪০ কেন ৪০০ বছর এ ও ঘুরে দাড়াতে পারবে না যদি তোমাদের মতো কিছু মেরুদণ্ডহীন আমাদের দেশে থাকে। আমদের বাংলাদেশ এখন আউট সোসিং এ সারা পৃথিবী তে প্রথম ৫ এর মাঝে আছে। । এবং এই কাজ এর জন্য ভারত কে কোন টোল দিতে হবে না...আমাদের গারমেন্টস সেকটর আর ও শক্তিশালি হছে। ।

আমাদের ছেলেরা সারা দুনিয়া তে ছড়িয়ে আছে,...মাইক্রসফট...................গুগোল,...ইণ্টেল ,নাসা এ কাজ করছে আমার দেশের ছেলেরা...। সারা পৃথিবি দাপিয়ে বেরাচ্ছে আমাদের ছেলেরা্ শুধু আইটি সেক্টর নয়...সব জায়গায় সব সেক্টর এ আমরা ছ ড়িয়ে আছি.... উৎস দ র কা র শু ধু আশা , সাহ স আর চেষ্টা!ফিউচার এই টা না হইলে কোন টা? সব শেষে...ভাদা তোরে গদাম। । যা ইন্দিয়া যা...। ।

(প্রচুর বানান ভুল...এটা বাংলা ফন্ট এ আমার প্রথম লেখা। । ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো) ।


এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.