একি আজব কারখানা...........
ছেলেটাকে বড় অদ্ভুত দেখাচ্ছে, অনেকটা কুকড়ে যাওয়া জীবন্মৃতের মত।
অন্ধকারের ভয়, নির্জনতার ভয়, একাকীত্বের ভয়। বিমূর্ত স্মৃতিগুলো কেবল পিছুতাড়া করে। আইসোলেটেড হয়ে গেছে একটা আট ফুট বাই ছয় ফুট কামরার ভিতরে। মাথার ভিতর কেবল সাইরেন বেজে চলে।
কি হাহাকার তার চারিদিকে।
ওহ ! তার মাথাটা কি নুয়ে পড়লো একটু ? স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ব্যাথাটা শুরু হয় দু চোখের মাঝখান থেকে। তারপর ক্রমান্বয়ে কপাল, মাথা হতে ছড়িয়ে পড়ে শিরদাড়া বেয়ে সারা শরীরে। পিপাসার্ত বুক, শুষ্ক ঠোট, আর চোখের কোণা দিয়ে গড়িয়ে পড়া অশ্রুর মতন রক্ত। এ কেমন মানুষ ! যার অশ্রুর রঙ লাল, দেহের রঙ নীলাভ সাদা, যেন এনিমিয়ায় ছিবড়ে যাওয়া কেডাভের।
মেয়েটা বড় রুপবতী, সদ্য ফুটে ওঠা ব্লু বেলের মতন।
টানা টানা চোখে মেয়েটাকে দেবীর মতন লাগে। নীল সাগরের পাড়ে, সাদা গাউন চারিদিকে যেন স্বর্গের আলোকছটা ছড়ায়। মোৎসার্টের সেভেন্থ সিম্ফোনি বেজে উঠে তার নুপুরের তালে তালে। ইহজাগতিক সকল কবিতা সাহিত্য তার জন্যেই রচিত।
পবিত্র এক অনুভুতির জন্ম দেয় তার দৃষ্টি। যেদিকে তাকায়, লিলুয়া বাতাস বয়ে যায় সেই দিকে। ফুলেরা অনুকরন করে তাকে, পাখিরা করে অনুসরণ। স্নিগ্ধতার ক্যাপসুলে ঢাকা মস্রিন ত্বক, ছুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে জীবনভর।
ছেলেটির কুকড়ে যাওয়া দেহ, বন্ধ রক্তচক্ষু আর বাড়ানো হাত...
মেয়েটির মুখে শীতল হাসি...
( প্রিয় ইনসোমনিয়াক গ্রুপের জন্য থাকুক লেখাটি)
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।