অবশেষে খালেদা জিয়া রাস্তায় নামলেন। এতোদিন তার কর্মীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়েও রাস্তায় আন্দোলন-মান্দোলন করলেন। নেতৃ ঘর হইতে বাহির হন নাই। টেলিভিশনের রিমোর্ট হাতে মুচকি হেসে সময় পার করলেন, অতপর দেখলেন-মির্জাসহ সকল নেতাকর্মী শ্রীঘরে। নেতৃ'র দরদ নাই।
তাইলে আগে থেকেই ভেবে রাখতেন, পরিণতি এমন হবে। কারণ আইনটা তাদের আমলেই করা হয়েছে। গাড়ি পোড়ানোর মামলা। আইনটি করা হয়েছিল আওয়ামীলীগকে শায়েস্তা করার জন্য। কিন্তু যে খাল খোরেগা-সে খালে পরেগা।
এরকম একটা প্রবাদ আছে। বিএনপির হয়েছে সেই দশা।
আজ সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। নইলে গোলাপী বুঝতো কতো ধানে কতো চাল। হাতপাখার বাতাসে লিপস্টিক গলে গলে পড়লে বুঝতো এতদিন তার নেতাকর্মীরা কী পরিশ্রমটাই না করেছে।
হরতালে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিটা একবারের জন্য তার তালু গরম করতো। এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা নিরূপায় হয়ে রাতের বেলা পরীক্ষা দিচ্ছে।
আগে জানতাম, এইচএসসি পরীক্ষার কারণে হরতাল বাতিল করা হতো, আর এখন হরতালের কারণে পরীক্ষা বাতিল। ইলিশের দাম বাড়বে না তো রূইয়ের দাম বাড়বে?
খালেদার দুই পুত্র এখন আন্দোলন করছে না। মাঠে তারা অনুপস্থিত।
অথচ ক্ষমতায় থাকাকালীন কতো সুযোগ সুবিধাই না পেয়েছেন। আন্দোলনে অনুপস্থিত থেকেও ভাইস চেয়ারের পদ দখলে রাখছেন রাজপুত্র। আগে সংস্কার পন্থীদের খালেদা শায়েস্তা করার ঘোষণা করছিলেন, আর আজ? তাদের সাথে বগলদাবা করে মাঠে!!!
এই বুঝি রাজনীতির হিসাব নিকাশ!!!
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।