লিখতে ভালোবাসি যাস্ট Click This Link
টাকা নেই এবং টাকা ইনকাম করতে পারবেন না দুটো বিষয় কিন্তু এক নয় সম্পূর্ণ আলাদা। টাকায় কিনা হয়। মানুষের দৈনন্দীন ৯০% দুশ্চিন্তাই হলো অর্থনৈতীক। আর এটাই পৃথিবীর বুকে দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রাজেডী।
অনলাইন থেকে টাকা পকেটে আনা আমাদের দেশের বেকার যুবকদের জন্য খুবই জরুরী দরকার।
কিন্তু আমরা কি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মসংস্থান করতে পারছি ? পারছিনা। উন্নত বিশ্বের মানুষ যেখানে মহাকাশ চষে বেরাচ্ছে সেখানে আমরা ক্ষুদা আর দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে দিন দিন সভ্যতার উল্টো পথে এগুচ্ছি।
টাকার কোন বিকল্প নেই। সব কিছুর মাপ কাঠি এই টাকা। পরাবাস্তবতা বলতে যা বোঝায় তা হলো টাকাই সব বাকি সব মিত্থে।
এই টাকা আয়ের সহজ একটা বিদ্যা আছে কিন্তু সে বিদ্যা কি আমরা সবাই জানি ?
পৃথিবীতে সেল্প হেল্প এর উপর কোনো বিদ্যা বা শক্তি নেই। সবচেয়ে বড় জয় হচ্ছে নিজে নিজে আবিষ্কার করার জয়। আমরা দরিদ্র কেন সেটা মনে হয় স্বশিক্ষীত মানুষেরা ভালো বুঝিয়ে বলতে পারবেন। কারন আমরা অলস, আমরা অসত। জ্বাতী হিসেবে বা রাষ্ট্র হিসেবে উন্নত বিশ্বের পরিশ্র্রমী ধনী রাষ্ট্রগুলি আমাদের বিশ্বাস করতে পারেনা।
তারা আমাদেরকে ভয় পায় কারন আমরা চোর। আমাদের মধ্যে নেই সততা নেই উদ্দেগী পরিশ্রমী মনোভাব।
তবু সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানুষ প্রকৃতির সাথে সাথে টিকে থাকে এটাই পৃথিবীর নিয়ম। তবে বেচে থাকা এবং ভালোথাকার মধ্যে চুল চেরা পার্থক্য রয়েছে। ভালো থাকতে হলে কিছু অতিরিক্ত কাজের বোঝে আপনার কাধে বয়ে বেরাতে হবে হাসি মুখে।
আর এ জন্য অবশ্যই আপনার মেন্টাল প্রিপারেশন জরুরী।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবাররে শিক্ষিত বেকার যুবক ছেলেরা কাজের অভাবে প্রতিনীয়ত অপরাধবোধ আত্নধীক্কার আত্নকরুনা এমনকি অপরাধ জগতের সাথেও লিপ্ত হয়ে পরে। কিছুদিন পর মাদকাশক্ত হয়ে রাস্তার ধারে ডাসবিনে পরে থাকে। অথচ কেউ জানেনা। এর জন্য দায়ি কে ? ব্যাক্তি ? পরিবার ? সমাজ ? না রাষ্ট্র ? না সৃষ্টিকর্তা ?
বেকারত্বের অভিশাপে আজ দেশ পঙ্গু।
দারিদ্রতা শিক্ষা জনসংখ্যা কর্মসংস্থান এর অভাব এগুলো হচ্ছে একটি দেশের খুটি। আমাদের দেশে এই খুটিগুলো অত্যান্ত নড়বরে। তবু বাঙ্গালী জ্বাতী হিসেবে আমরা কখনোই মাথা নোয়াবার নই।
কোন না কোন ভাবে আগামী ২০ বছড়ের মধ্যে আমারা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বোই। এটা আমাদের লক্ষ।
যারা অনলাইনে কাজ খুজছেন কিন্তু কাজ খুজে পাচ্ছেননা তারা আমার এ লেখাটা পড়ে একটু সময় নিয়ে বিচার বিশ্লেষন করে তার পর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আমি আগেই বলেছি অনলাইনে কাজ করে টাকা পকেটে আনাটা একটু কঠিন। কিন্তু তাই কাটা ফোটার ভয়ে ফুল তুলতে যাবোন তাতো আর হতে পারেনা! কষ্ট আছে জেনেও মানুষ হীমালয় পর্বতে আরোহন করে কেন নিজেকে একটু জিজ্ঞ্যেস করে দেখুন উত্তর পেয়ে যাবেন। আর অনলাইনে একদিন কাজ করেই কেউ আপনাকে টাকা দিয়ে যাবেনা কথাটা মনে রাখবেন। অনেকে আছেন নিয়ম কানুন না জেনেই আন্তাজে ঘেটে ঘুটে হয়রান।
ফলাফল জিরো।
যদি আপনি সত্যিকার অর্থে টাকা আয় করে নিজেকে বেকারমুক্ত করতে চান এবং অনলাইনে কিভাবে টাকা আয় করতে হয় সেই তরিকা জানতে চান তাহলে এরচে সহজ পদ্ধতী আর কি হতে পারে !
না হয় অবিশ্বাস করেই কাজটা করে দেখুন। বিনা পুজিতে বিনা রেফারেন্সে এর চেয়ে সুন্দর দিক নির্দেশনা আমার কাছে আর একটিও জানা নেই। এখানে ডে বাই ডে আপনি আপনার সৃজনশীল বিচার বুদ্ধি এবং দক্ষতাকে প্রয়োগ করে টাকার পরিমান বৃদ্ধি করতে পারবেন। মনে রাখতে হবে কাজ করবেন নিজের মত নিজের আয়ের পরিমান নিজে কতটা বৃদ্ধি করবেন তা নিজে নিজে সেল্প ডিপেন্ডেন্সী এপ্লাই এর মাধ্যমে।
সর্বপরি টাকা উত্তলোনের একটা বিরাট ধকল আপনাকে সইতে হবে। আর এ জন্য আপনাকে মানিবুকার্স এলার্ট পে অথবা ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন ইত্যাদী আন্তর্জাতীক মানি ট্রান্সফার কারী প্রতিষ্টানে একাউন্ট করতে হবে। কষ্ট করে ফসল করলেন অথচ ফসল ঘড়ে তুলবেন না তাতো আর হতে পারেনা তাই না। এটা আমি মনে করি যত ঝামেলাই থাক কাজটা আমাকে অর্থ দেবার পাশাপাশি অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করবে। আর কেউ যদি ফসল ঘড়ে উঠানোর পরিশ্রমের ভয়ে ফসল না লাগায় তাহলে আমার কিছু বলার নেই।
আপনার জীবন আপনার সীদ্ধান্ত। সবাই ভালো থাক ভালোভাবে চলুক এবং সব যুবকেরা ফুলটাইম জবের পাশাপাশি পার্টটাইম জব করে পরিবার সমাজ এবং ব্যাক্তি জীবনে উন্নতী বয়ে আনুক এই কামনায় বিদায়-ধন্যবাদ।
Click This Link ( jader a/c nai tara ai link er madhome alertpay te a/c korte paro) ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।