আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কাঠালের পুষ্টি সম্পর্কে কিছু কথা

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। পৃথিবীতে যত রকমের ফল Drcbœ হয় তার মধ্যে আকারের দিক থেকে কাঁঠাল সবচেয়ে বড়। কাঁঠাল নানা গুণে গুণান্বিত এবং বহুবিধ ব্যবহারের এর চেয়ে অন্য কোনো ফল সমক্ষ নেই। কাঁঠাল একটি উচ্চ ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল, যাতে অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান। বিশেষ করে কাঁঠালের বীজ পুষ্টিমানের দিক থেকে খুবই সমৃদ্ধ এবং সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

এমনকি কাঁঠালের ফেলে দেয়া অংশ ও উন্নতমানের পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। খেতে সুস্বাদু এ ফলটি আমরা শুধুমাত্র পাকলেই খাই তা কিন্তু না। কচি কাঁঠালকে মুচি বলে। আর এ মুচি গ্রামাঞ্চলে বেশ খাওয়া হয়। এছাড়াও কাঁঠালের তৈরি চিপস, ক্যান্ডি, জ্যাম, পিকেলস্, লবণ দ্রবণে বা চিনির সিরায় সংরক্ষণ করেও খাওয়া হয়।

পাকা কাঁঠালের কোষ খাওয়া হয়। বীজের মাধ্যমে কাঁঠালের বংশ বিস্তার হওয়ার কারণে স্বাধে, গন্ধে, বর্ণে ও আকারে নানা বৈচিত্র্য দেখা যায়। একেক গাছের কাঁঠাল একেক রকম। এরপরই ব্যবহার হয়ে থাকে বীজ। বীজের ও বহুমুখী ব্যবহার হয়ে থাকে।

কাঁঠালের বিচি সিদ্ধ করে অথবা আগুনে পুড়িয়ে বা চামড়া ফেলে দিয়ে ভর্তা তৈরি করে উপাদেয় পুষ্টি গুণাগুণসম্পন্ন খাবার তৈরি করা যায়। এত উপাদেয় কাঁঠাল আমাদের কী পুষ্টি দেয় তা জেনে নিই এবার। কচি কাঁঠাল, পাকা কাঁঠাল এবং কাঁঠাল বীজের প্রতি ১০০ গ্রাম খাবারযোগ্য অংশের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ দেয়া হলো- পুষ্টি উপাদান কচি কাঁঠাল পাকা কাঁঠাল বীজ পানি (%) ৮৪ ৭৭.২ ৬৪.৫ শ্বেতসার (গ্রাম) ৯.৪ ১৮.৯ ২৫.৮ আমিষ (গ্রাম) ২.৬ ১.৯ ৬.৬ চর্বি (গ্রাম) ০.৩ ০.১ ০.৪ আঁশ (গ্রাম) - ১.১ - খনিজদ্রব্য (গ্রাম) ০.৯ ০.৮ ১.২ ক্যালসিয়াম (মি. গ্রাম) ৫০ ২০ ২১ ফসফরাস (মি. গ্রাম) ৯৭ ৩০ ২৮ লৌহ (মি. গ্রাম) ১.৫ ৫০০ - পটাশিয়াম (মি. গ্রাম) ২৪৬ - - ভিটামিন এ (আ. এ) ০ ৫৪০ ১৭ থায়ামিন (মি. গ্রাম) ০.২৫ ৩০ - রাইবোফ্লেভিন (মি. গ্রাম) ০.১১ - - ভিটামিন সি (মি. গ্রাম) ১১ - - খাদ্য শক্তি (কি. ক্যাল.) - ৮৪ -  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।