একজন নির্ভিক পুংটার কোন বন্ধু নেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের চাপা ক্ষোভের বহি:প্রকাশ পেয়েছে গত গেইমএ, ওষেষ্টইন্ডিজের বিপক্ষে।
বিডিআর বিদ্রোহের কথা আমাদের সবারই মনে আছে। জোয়ানরা কিভাবে রক্ত পিপাসু হয়েছিলো..?? তার কারণ হিসেবে অনেক সুধিমহলের সুশীল সাহেবেরা চাপা ক্ষোভের কথাই বলেছিলেন। চাপা ক্ষোভ বলতে কি বোঝায়...!! কেন চাপা ক্ষোভ হয়...??
১) সম্মানের হানি হলে।
২) মজুরী কম পেলে।
৩) সুযোগ সুবিধা কমে গেলে।
৪) বৈষম্যের শিকার হলে।
৫) ইত্যাদি ইত্যাদি
জানা মতে বাংলাদেশ দলের সম্মান, আরাম-আয়েশ, মজুরী ইত্যাদি ইত্যাদির কোনই কমতি নেই। বলতে গেলে তারা রাষ্টপতি, প্রধানমন্ত্রীর পরেই সুবিধা ভোগ করে থাকেন।
তাহলে কেন এই চাপা ক্ষোভ...??
পুংটা বাহিনীর গেইম পরবর্তী সময়, কঠোর গবেষনা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে তাতে স্পষ্ট ক্ষোভের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
যে ক্ষোভের বহি:প্রকাশে ভেঙ্গে গেছে প্রায় (এখনও কিছু প্যাকি সাপোর্টার আছে) সকল বাংলাদেশীর মন। যা কিনা বিডিআর বিদ্রোহের চেষে বেশী ধংসাক্তক ছিল।
তদন্ত রিপোর্টে বলা হয় :
যেহেতু বাংলাদেশ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভেন্যু, তাই এই দেশে বেশ কটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। (এতে ক্ষেভের কিছু নাই)
যেহেতু আমাদের দেশে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হবে, তাই আমরাও কিছু কিছু খোলা মাঠে গিয়ে দেখতে পাবো।
(এতেও ক্ষেভের কিছু নাই)
তাহলে কি...??
গোপন খবরের সুত্র ধরে....নাম না প্রকাশ করার শর্তে আশরাফুল বলেন। তিনি বিদেশ ঘুরতে বেশ পছন্দ করেন। নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান হিসেবে, তিনি এই খেলার সুত্রধরে বেশ কিছু দেশ ঘুরেছেন। এবারও তিনি আশায় ছিলেন ক্রিকেট বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশ ঘুরে ঘুরে খেলবেন। সেসব দেশের দামি দামি হোটেলে থাকবেন।
রাতে ক্লাবে কোয়ালিটি সময় কাটাবেন। কিন্তু বাংলাদেশের সকল খেলা এদেশের মাটিতে হওয়াতে তিনি আশাহত। দেশের বড় হোটেলগুলোয় খালি ২নম্বরে ভরা.... (চাপা ক্ষোভ)।
আশরাফুলের কথা শেষ হতে না হতেই টিমের সবাই মৃদু হু সুচক আওয়াজ এবং হালকা মাথা নাড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।
আনেকেই বলেছেন, এমন চাপা আগ্নেয়গিরি বুকে নিয়ে ৫৭, অনেক।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য : এই লেখার কোন লিংক নাই)
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।