থেমে যাবো বলে তো পথ চলা শুরু করিনি।
বিরোধী দলকে মোকাবিলায় মহাজোটকে সক্রিয় করার চিন্তাভাবনা করা হলেও কৌশল নিয়ে শরিকদের মধ্যে চলছে টানাপড়েন। শরিকরাও মহাজোটকে সক্রিয় দেখতে চান। তবে বিরোধী দলকে মোকাবিলার চেয়ে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কি হবে এ নিয়ে তাদের আগ্রহ বেশি। 'একলা চল নীতির' কারণে শরিক দলগুলো থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সরকারের সফলতাকে স্বাগত জানালেও ব্যর্থতার দায়ভার বহন করতে রাজি নয়।
সরকারের গত দুবছরে আশা-ভরসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা। রয়েছে কিছুটা হতাশাও। সরকারের সঙ্গে এসব নিয়ে যে কিছুটা সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে সেটা ফুটে উঠছে শরিকদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য মনোভাবে।
দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মহাজোটের শরিকদের সঙ্গে দূরত্ব কমাতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য উপদেষ্টামণ্ডলীর এক বর্ষীয়ান নেতাকে বিশেষ দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।
ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে ওই নেতাকে ডেকে পাঠিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রটি দাবি করেছে।
কিন্তু বিএনপিকে মোকাবিলায় মহাজোট শরিকরা মাঠে নামতে রাজি নয়। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আহূত ৩০ নভেম্বরের হরতালের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব। কিন্তু ভেতরে ভেতরে জাতীয় পার্টির মনোভাব হলো, সরকার বিপদে পড়লে আমাদের কি?
সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের হিংসাত্মক কর্মসূচি মোকাবিলায় মহাজোটকে সক্রিয় করার তাগিদ দিয়েছেন। আগামী ২ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগে দলগতভাবে হরতাল মোকাবিলায় কি করণীয় তা ঠিক করা হবে। পাল্টা কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এর মানে কি শেখ হাসিনা দেশে না থাকলে আম্মিলীগ অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে? কি ভাবে হরতাল পালন করতে বিম্পি-কে তারা এলাউ করবে, তাও তাদের এখনো শেখা হয় নাই? এ দেশে রাজনীতি করে কে -- নেতারা না শীর্ষনেত্রী?
যাদের মগজ নাই, তারা আমাদের নেতা হল কি ভাবে? এই সব নেতাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, শেখানো কথা বলে কিছু দিন চলা যায়, টিকে থাকা যায় না।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।