আপাতত ঘুরপাক খাচ্ছি!
শুধুমাত্র একদিনের জন্য গত ১২/০১/২০১০ তারিখ পঞ্চগড় গিয়েছিলাম। দরকারী কাজ সেরে ভাবছি পঞ্চগড়ে দেখা যায় এমন কি আছে। চা বাগান আর রকস্ মিউজিয়ামের নাম অনেক শুনেছি কিন্তু হাতে সময় খুব কম। সিলেট এলাকায় অনেকবার গিয়েছি তাই চা বাগানের চাইতে মিউজিয়ামের দিকে আগ্রহ বেশী দেখা গেল। যে অফিসে কাজে গিয়েছি তার আশেপাশের লোকজন/ রিকসাওয়ালাদের জিজ্ঞেস করলাম কেউ চিনেনা রকস্ মিউজিয়াম।
তবে মনে আছে আসার পথে হাতের ডানের একটা গলিতে নেম প্লেটে লেখা ছিল রকস্ মিউজিয়াম আর তীর দিয়ে গলির ভিতরে যাওয়ার নির্দেশ ছিল। হাঁটা শুরু করলাম, প্রায় ১কিমি. হাঁটার পর গলির দেখা পাওয়া গেল। গলিতে ঢুকে এক ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করায় দেখিয়ে দিল মহিলা কলেজের কাছে। মহিলা কলেজের কাছে গিয়ে আবার জিজ্ঞেস করায় পরিশেষে খোঁজ পাওয়া গেল। কিন্তু একটু সমস্যায় পড়লাম, মিউজিয়ামটি একদম মহিলা কলেজের ভিতরে।
ভিতরে ঢুকবো কেমন করে একটু লজ্জা লজ্জা ভাব এসে গেল। মেয়েরা কেউ বের হচ্ছে কেউবা ভিতরে ঢুকছে, তারা একটু অবাক দৃষ্টিতে আমাকে দেখছে। স্কুল, কলেজ জীবনে অপরিচিত/ ক্লাসের মেয়েদের ধারে কাছে যাওয়ার বা কথা বলার সাহস হয়নি কখনো। যা একটু কথা বলেছি ইউনিভার্সিটি জীবনে--তাও আবার ইয়েস নো ভেরিগুডের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখানে আবার মহিলা কলেজের ভিতরে ঢুকতে হবে।
মনে সাহস সঞ্চয় করে গেট পাড় হলাম। গেট পাড় হয়েই এক ভদ্রলোকের দেখা পাওয়া গেল। যিনি ভ্রুকুঞ্চিত করে আমার দিকে চেয়ে আছেন--দুরুদুরু বুকে তাকে আমার পরিচয় দিয়ে মনের খায়েসের কথা জানালাম। তিনি দেরী না করে একজনকে ডাক দিয়ে নির্দেশ করলেন মিউজিয়াম টি দেখানোর জন্য। ফিরে আসার পথে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে পরিচয়টি জানলাম--তিনি অত্র কলেজের একজন টিচার।
নামটা মনে না থাকায় দিতে পারলাম না।
মিউজিয়ামটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে পঞ্চগড় সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নাজমুল হকের প্রচেষ্ঠায়। তিনি কলেজের একটি রুমে প্রাগঐতিহাসিক আমলের বিভিন্ন প্রকার সংগ্রহগুলো রাখেন আর বাইরে/ কলেজ মাঠে রাখেন পাথরগুলো।
পোষ্ট অনেক বড় হবে বিধায় আজকে শুধু আউটডোরের ছবি পোষ্টানো হলো। পরবর্তী পোষ্টে ইনডোরের ছবি পোষ্টানোর ইচ্ছে রইল।
১. প্রতিষ্ঠাতা:
২. পঞ্চগড় সরকারী মহিলা কলেজের ভিতরেই মিউজিয়ামটি:
এক নজরে কলেজের মাঠ থেকে চারিদিকে:
৪.
৫.
৬.
৭. পঞ্চগড় সৃষ্টির পুরনো ইতিহাস-১
৮. পঞ্চগড় সৃষ্টির পুরনো ইতিহাস-২
নামসহ পাথর কাহিনী
৯. কোয়ার্জাইট:
১০. গ্রানাইট:
১১. নকশাখচিত প্রস্তরখন্ড:
১২. কোয়ার্জাইট:
১৩. গাছের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সৃষ্টি হওয়া পাথর (Petrified Wood)--১
১৪. গাছের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সৃষ্টি হওয়া পাথর (Petrified Wood)--২
১৫. গাছের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সৃষ্টি হওয়া পাথর (Petrified Wood)--৩। এখানে এক সাথে অনেক গুলো পাথর দেখা যায়।
১৬. নীলচে গ্রানাইট:
১৭. পাথর খোদাই করে তৈরী স্লাব:
১৮. গ্রানাইট:
১৯. মাইকাসিষ্ট:
২০. সেতুতে ব্যবহৃত স্লাব: ১
২১. সেতুতে ব্যবহৃত স্লাব: ২
২২. রেখা, লেখা ও মিথযুক্ত প্রস্তরখন্ড:
২৩. ব্যাসাল্ট:
২৪. জাতিতাত্ত্বিক ডিঙ্গি নৌকা। (রকস্ মিউজিয়াম দেখা শেষে ফিরে আসছিলাম। দূরে কলেজের মাঠের ঐ পাশে একটি নৌকা দেখা গেছে কিন্তু হাতে সময় কম থাকায় আগ্রহ ছিল না।
গাইড সাহেব বললেন নৌকাটি একটি মাত্র গাছ দিয়েই তৈরী, তাই তাড়াতাড়ি করে নৌকাটি দেখলাম)
২৫. নৌকাটি নিয়ে কাহিনী-১
২৬. নৌকাটি নিয়ে কাহিনী-২
২৭. ভিতর মিউজিয়াম----------
বি.দ্র: পরবর্তী পোষ্টে ইনডোরের ছবি পোষ্টানোর ইচ্ছে রইল।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।