মানুষ আর প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য হলো-চেতনাগত ও সংস্কৃতিগত।
৪ ডিসেম্বর গণতন্ত্রী পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি কমরেড নূরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ২০০৮ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিলো না। ১৪ দলীয় জোটের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি নূরুল ইসলাম নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ি) আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন।
এজন্য তাঁর ঘাতকরা তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ১ বছর পার হলেও এ ঘটনার তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে।
২০০৮ সালের ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার শেষরাতে রাজধানীর লালমাটিয়া বি ব্লকের ৪/১ নম্বর ভবনের ৫ তলায় তাঁর নিজ ফ্ল্যাটে আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) ও গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি নুরুল ইসলাম (৬৮)। অগ্নিদগ্ধ হয়ে তাঁর একমাত্র ছেলে তমহর ইসলাম (৩৬)ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আগুন লাগার সময় পিতা-পুত্র ছাড়া লালমাটিয়ার ওই বাড়িতে আর কেউ ছিল না।
আত্মচিৎকারে অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে দরজা ভেঙ্গে পিতা ও পূত্রকে আগুন থেকে উদ্ধার করলেও তৎক্ষণে আগুনে পুড়ে ছেলে তমহর ইসলামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নুরুল ইসলামকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, "১৪ দলে মনোনয়ন পাওয়ার পর নির্বাচন না করার জন্য আমাকে মৌলবাদীরা নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।