গত বছর ফেব্রুয়ারী মাসে, প্রচার মাধ্যম, বিশেষ করে ইন্টারনেটে প্রচার নিয়ন্ত্রনের জন্যে পাকিস্তানের মোশাররফ সরকার ইউটিউব একসেস ব্যান করেছিলো, যা বলবৎ থাকে প্রায় ১ সপ্তাহ। রাজার বিরুদ্ধে অপপ্রচার অভিযোগ এনে কয়েকমাস ইউটিউব ব্যান থেকেছে থাইল্যান্ডে, ব্যান হয়েছে তুরষ্কে। কিন্তু কোথাও এসব ব্যান স্থায়ী হয়নি। হওয়া সম্ভবও ছিলোনা।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভবত: বর্তমান এবং পৃথিবীর সব সভ্যতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপাদান।
ইন্টারনেট তো সেই "যোগাযোগের" প্রান। প্রতিদিন পৃথিবীর লাখো কোটি মানুষ, ইমেইল, ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সাইটগুলো থেকে এই আশীর্বাদ কুড়িয়ে নিচ্ছে।
সরকারীভাবে ইউটিউব বন্ধের যে বিষয়টা আলোচনায় উঠে এসেছে, এবং এর পেছনে যেসব কারন আলোচিত হচ্ছে তা মোটেও সুখকর মনে হচ্ছে না। দেশে এখন ক্ষমতায় আছে একটি গণতান্ত্রিক সরকার, যারা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে জাতিকে। তাদের এহেন কোনো মতিভ্রম দেখতে চাইনা, যা অপ্রিয় করে তুলে তাদের ভূমিকাকে, কিংবা করে প্রশ্নবিদ্ধ।
তবে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ আছে। ভালোমন্দ সবকিছুরই আছে। সবকিছুর একটা সীমাও আছে। কারোরই দায়িত্ত্বজ্ঞানের সীমা ছাড়ানো কিছু করাও উচিৎ না। এটা একান্তই আমার নিজস্ব মতামত।
ওপরের উদাহরনে যেসব দেশের প্রসংগ উঠে এসেছে, এর প্রায় গুলোতেই সামরিক বা আধা সামরিক, বা সেচ্ছাচারী সরকার এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পরিশেষে সরকারের আশু সুমতি কামনা করে বলতে চাই
"দ্বাররুদ্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি, সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?"
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।