এ পর্যন্ত যতটূকু ধারনা হইসে যে বিডিআরদের এই রক্তপাতের উৎস হচ্ছে অপারেশন ডালভাত এবং এর লাভলোকসান নিয়ে সন্দেহ। এটা নিয়েই সাধারন জওয়ান ডিজিকে জিজ্ঞাসা করেছে দরবারে। এটা একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার যে এভাবে ডিজিকে চার্জ করবে। আবার ডিজিও পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে না পেরে এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যে গোলাগুলি শুরু হয়ে গেছে। সব সমস্যার মুল ঐ অপারেশন ডাল-ভাত বা ঐ জাতীয় ব্যাবসা বা ধান্ধা, যাই বলি।
এসব তো আর্মড ফোর্সের কাজ নয়। এসব কাজ করে তারা দুর্নীতি গ্রস্থ হচ্ছে, বিভক্ত হচ্ছে। এমনকি শান্তি মিশন ব্যাপারটা আর্মিতে মনে হয় এখন দেশ রক্ষার চেয়ে বেশী গুরুত্বপুর্ন হয়ে গেছে। হালুয়া রুটি পাওয়া যায় যে!! আর যেখানে হালুয়া রুটি সেখানেই কামড়া কামড়ি আর ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ। বিডিআর জোওয়ানরা ভাবতো আমরা শালার কস্ট করে সীমানা পাহারা দেই কিন্তু শান্তি মিশনে বিদেশে যেতে পারিনা।
তাই তারা আর্মির উপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলো তারউপর আবার যখন তাদের আর্মি আফিসারদের কমান্ডে চলতে হত এবং ডালভাত কর্মসুচির টাকা সেই অফিসাররা মেরে দিয়েছে বলে সন্দেহ করলো তখন এধরনের ঘটনা আউট বার্স্ট করলো।
নিচের অংশটা আমার আগের পোস্ট থেকে ..।
"আমাদের এখন আসলেই সিরিয়াসলি ভেবে দেখার সময় এসেছে যে আমাদের আর্মড ফোর্সকে ব্যাবসায় নামিয়ে হালুয়া রুটি নিয়ে কামড়া কামড়ি করতে দেবো কিনা। অপারেশন ডাল-ভাত ,লাভ-লোকসান সেটা নিয়ে বিডিআর জওয়ান আর ডিজির সংঘর্ষ থেকে বিদ্রোহ রক্তপাত। থ্যাংকস গড যে খুব অল্পের উপর দিয়ে আমাদেরেক লক্ষন দেখিয়ে দিলেন যে বিদেশ শান্তি রক্ষ মিশন, বৈদেশীক মুদ্রার কাচাটাকা, আর সেনা কল্যান, ট্রাস্ট ব্যাংক , রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল, ব্লা..ব্লা..ব্লা এসবের হালুয়া রুটির ভাগা ভাগি নিয়ে যদি লাগে তবে কি হতে পারে।
হালুয়ারুটি আর ভাগাভাগি থাকলে লাগতেই পরে। কিয়ামত নেমে আসবে। আর আমরা সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিয়ে এই বাহীনি পুষি কি আমাদের মতই হালুয়া রুটির ভাগ নেবার জন্য? আমাদের উপর কিয়ামত নামানোর জন্য? অতএব সাধু সাবধান। "
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।