আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ফ্রিডম পোস্ট: সাম্প্রতিক দেখা মুভি : ৮



আইজক্যা নিরাপদ হইলাম। এই আনন্দে একটা ফ্রিডম পোস্ট, এইটাও সিনেমা নিয়া। সামোয়ারে কয়েকদিন যাবত আমার খারাপ সময় গেল, যেমনি গিয়েছিল 'পারস্যুট অব হ্যাপেনেস' এ ক্রিস এর। প্রথমে ওয়াচে ছিলাম, একসপ্তাহ পরে মুক্তি পাইলাম, আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে! কিন্তু ওয়াচ থেকে হইলাম জেনারেল, (পাওয়ার ছাড়া), লেখা প্রথম পাতায় আসে কিন্তু সংকলিত পাতায় আসে না। মন খুবই খারাপ হৈল, তাই আবজাব অনেকগুলা পোস্ট দিলাম, সব নেট থেকে পাওয়া ছবি নিয়া।

এই ক'দিন আর সামোয়ারে ঢুকিই নাই, নিরাপদ না হৈলে আর পোস্ট দিবো না, এই প্রমিজ! এই চামে কতগুলা মুভি দেখা হৈয়া গেল। আজ নিরাপদ হৈছি... আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে, পাতালে, রেলে, বাসে, গাছে!!!! void(0); মন্দ মেয়ের উপাখ্যান : কলকাতার বাংলা সিনেমা। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের পরিচালনা। টিএসসিতে 'মায়ের জন্য চলচ্চিত্র' শিরোনামে ফিল্ম ফেস্টিভাল হচ্ছিল, 'স্বপ্নডানায়' দেখার জন্য টিকিট কিনে দেখা হয়ে গেল 'মন্দ মেয়ের উপাখ্যান', ভালো সিনেমা। ১৯৬৯ সালের কাহিনী, যৌনকর্মীদের জীবন যাত্রা নিয়ে।

ঋতুপর্না অভিনয় করেছে, যদিও মূল চরিত্র তার কিশোরী মেয়ে, যার পড়াশোনার জন্য বিপুল আগ্রহ কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ তাকে একজন যৌনকর্মী হিসেবেই গড়ে তুলতে চাচ্ছে। সুন্দর ল্যান্ডস্কেপে একটার পর একটা ঘটনা গেথে কাহিনীটিকে সাজিয়েছেন পরিচালক। পরবর্তীতে বিস্তারিত একটা রিভিউ দেয়ার ইচ্ছে আছে। The Kite Runner (২০০৭) আফগানিস্তানের কাহিনী নিয়ে তৈরী দ্যা কাইট রানার মুভিটি, পরিচালক মার্ক ফর্স্টার। বিশাল ব্যাপ্ত, ১৯৬৯ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত।

আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের পূর্বে কাহিনীর শুরু, শেষ তালেবান শাসনামলে। ছোটবেলার দুই বন্ধূর ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় দায়িত্ব পালন নিয়ে খুবই অসাধারন সিনেমা, তালেবান শাসনামলের কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সামান্য সময়ে। তবে সবচে ভালো লেগেছে ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব, যা তালেবান শাসনামলে বন্ধ করে দেয়া হয়। ঘুড়ি উড়ানো দেখে আমাদের পুরানো ঢাকার 'সাকরাইন' উৎসবের কথা মনে পড়ে যায়। প্রায় পুরো মুভিটিই আফগানিস্তানের লোকাল ভাষায় ।

The Pursuit of Happyness (২০০৬) উইল স্মিথের এই মুভিটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এবং এই মুভির মাধ্যমেই তার ছেলে 'ক্রিস্টোফারের' অভিষেক ঘটে। বায়োগ্রাফিক এই মুভিতে উইল স্মিথের সংগ্রামী জীবন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, দারিদ্রের কারনে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়, কিন্তু ক্রিস রেখে দেয় তার ছেলেকে, আর সেলস ম্যানের পেশা পরিবর্তন করে স্টক ব্রোকার হিসেবে ইর্ন্টানশীপে যোগ দেয়, ছয় মাস শেষে হয়তো সে একটা ভালো চাকরি পাবে। এর মধ্যে বাকীর জন্য বাসা ছাড়তে হয়, উঠতে হয় মোটেলে, সেখান থেকেও বের করে দেয়া হয়, একরাত কাটে পাতাল রেলের টয়লেটে... খুব স্পর্শকাতর কাহিনী, তবে যারা বাইসাইকেল থিফ দেখেছেন তারা কোথাও কোথাও মিল খুজে পাবেন। বাবা-ছেলের কথোপকথন আর দৃশ্য গুলো চমৎকার! WALL E (২০০৮) ২০০৮ সালে টাইম সেরা দশ মুভির তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত এই এনিম টা দেখলাম আজকে। এর আগে পক্ষে বিপক্ষে নানা রকম মন্তব্য শুনেছিলাম, কারও ভালো লেগেছে কারও ভালো লাগেনি।

ব্যক্তিগত ভাবে এ পর্যন্ত যত এনিম মুভি দেখেছি, সবচেয়ে খারাপ লেগেছে এটা, হয়তো ততটা এমিউজিং না বলে!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.