বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার (রিজিওনাল প্রোগ্রামস) সাদিক আহমেদ শালা কোন দেশের নাগরিক জানেন নাকি কেউ?
এই হারামজাদা দেখলাম বাংলদেশের কৃষি খাতে ভর্তূকি তুলে নিয়ে অবকাঠামো খাতে ব্যয় করার পরামর্শ্ দিয়েছে। এতে নাকি গ্রামে রাস্তাঘাট, বাজার ইত্যাদি বাড়বে আর এতে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়বে। এই শালারা আমাদের নীতি-নির্ধারকদের পরামর্শ দেয় তেলের দাম বাড়াতে, গ্যাস বাইরে রপ্তানি করতে, সেবা খাতে ব্যয় কমিয়ে অবকাঠামো নির্মানে।
এই শালারা কোথায় থাকে যখন আমেরিকার এক-একটা গরুর খামারে এক-একটা গরুর পেছনে তাদের সরকার এক ডলারেরও বেশি ভর্তূকি দেয়!
এই শুয়োরের বাচ্চারা কোথায় থাকে যখন বেশি বেশি ভূট্টা আবাদ করতে আমেরিকা কোটি কোটি ডলার তাদের কৃষককে দেয়।
এদের প্রভুরাষ্ট্রটি যখন তাদের উৎপাদিত লাখ লাখ টন গম পানিতে ফেলে আর ্আমার দেশের মানুষ না খেয়ে মারা যায় তখন এই দালালরা কোথায় থাকে।
তখন তারা আমাদের ঋণ সহাযতা দেয়ার জন্য উম্মুখ হয়ে থাকে উচ্চসুদ আর না মেনে নেয়ার মত শর্ত আরোপ করে।
আর আজ যখন আমার দেশের সোনার মানুষ আমার কৃষক ভাইয়েরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ফসল ফলিয়ে দেশকে খাদ্যচিন্তা থেকে মুক্ত করছে তখন তারা পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিতে ভর্তূকি তুলে নেয়ার। এদের কি বলে গালি দেয়া যায়। আমার দু'একজন ভাই যারা গালাগালিতে ওস্তাদ তারা কি একটু আমার মনের খেদ কমাতে সাহায্য করবেন-কৃতার্থ হতাম।
আপনারা সবাই নিশ্চয়ই জানেন ইউরিয়া সারের বর্তমান মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে ৫০ টাকারও বেশি অন্যান্য সারের মূল্যও ধরাছোয়াঁর বাইরে।
সরকার ইউরিয়াতে এখন ভর্তূকি দিচ্ছে ৩৮ টাকার মত। কৃষকদের জন্য নির্ধারিত মূল্য ১২ টাকা প্রতি কেজি যা গত চার মাস আগেও কেজি প্রতি দাম ছিল ছয় টাকা মাত্র। হঠাৎ দাম দ্বিগুন হওয়ায় এমনিতেই কৃষক অন্ধকার দেখছে, আবাদের খরচ কুলিয়ে উঠতে পারবে কি-না তা নিযে তারা সংসয়ে আছে। অন্যান্য উপকরণ খরচের কথা তো আছেই যা কয়েকগুন পর্যন্ত বেড়েছে। আর এই দুঃসময়ে বিশ্বব্যাংক এসেছে এই পরামর্শ নিয়ে।
এদেরকে কি বলা যায় আপনারাই বলুন
তবে অর্থ উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ যে, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।