আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মোদীর জনসভায় আপত্তি আমেরিকার, পাল্টা জবাব ভারতের

নিউইয়র্কের পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার ভারতের ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবড়াগাড়েকে নিয়ে ভারত-মার্কিন শীতলতা কাটতে না কাটতেই এবার বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।  
 
বিতর্কের সূত্রপাত গতকাল রবিবার মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিয়ন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এমএমআরডিএ) ময়দানে বিজেপি পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর জনসভাকে ঘিরে। দলের নেতাদের দাবি, বান্দ্রাকুর্লার এই ময়দানে মোদীর 'মহাগর্জন' সভায় হাজির হয়েছিল ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ। এমএমআরডিএ ময়দানের খানিকটা দূরেই অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট কার্যালয়। আর সেখানেই আপত্তি মার্কিন কর্তাদের।

 
মার্কিন কর্তাদের বক্তব্য, বান্দ্রার এমএমআরডিএ ময়দান থেকে কয়েকশো মিটার দূরত্বে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের দফতর। গতকাল যে পরিমাণ লোক ওই জনসভায় এসেছিল, তাদের কারও তল্লাশি করা হয়নি। স্বভাবতই জনসভার উপস্থিত থাকার নামে কোন দুর্বৃত্ত যদি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা চালাত, তা হলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। এমনকি মার্কিন কনস্যুলেটের সামনের রাস্তা বন্ধ না করে সেই রাস্তা দিয়েও মোদীর জনসভায় যাওয়ার অবাধ যাতায়াত ছিল। ফলে কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের যাতায়াতেও অসুবিধা হয়েছিল বলে দাবি আমেরিকার।

তাদের বক্তব্য পুলিশকে ওই রাস্তা বন্ধ করার কথা বলা হলেও তাতে কোন কাজ হয়নি।
 
স্বভাবতই বেজায় খাপ্পা আমেরিকা। কারণ মার্কিন কর্তাদের আশঙ্কা ছিল, বিজেপির সভার কারণে মার্কিন কনস্যুলেটের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারত। অর্থাৎ বান্দ্রার ওই ময়দানে মোদীর জনসভাকে অনুমতি দেওয়া হল কেন? সেই প্রশ্নই ঘুরিয়ে বলতে চাইছে আমেরিকা।
 
জানা গেছে, মোদীর ওই জনসভায় প্রাথমিক পর্যায়ে দিল্লিস্থ মার্কিন কনসাল জেনারেল ন্যান্সি পাওলেরও আমন্ত্রণ থাকলেও পরবর্তীতে বিজেপির তরফে সেই আমন্ত্রণ প্রত্যহার করে নেওয়া হয়।

চুপ করে বসে থাকেনি ভারতও। মার্কিন কনস্যুলেটের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে নয়াদিল্লির সাফ জবাব, ভারত একটি সার্বভেৌম দেশ। বিজেপি'র মতো একটি আইনি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দল হিসেবে বিজেপি বা অন্য কোন রাজনৈতিক দল কোথায় সভা করবে তা স্থানীয় প্রশাসনই ঠিক করবে। সেখানে কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের মতামত এক্ষেত্রে গ্রাহ্য হবে না।
 
 


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।