জীবনের প্রত্যেক প্রবাহ অমৃত চায়।
দিদি,
তোর মাথাতে এতো উকুন ঘুমোস ক্যামন করে!
চারদিকেতে আগুন জ্বালাই মরিস না তুই ডরে?
আমার সকল রাম ছাগুরা আলোকে ভয় পায়,
অন্ধকারে একা একা এদিক ওদিক যায়।
চুপি চুপি আসে তারা রাতের অন্ধকারে,
মিন মিনিয়ে কথা বলে, লাফায় অনেক জোরে।
আমি কি আর অতো বুঝি লেখাপড়া কম,
যৌবন গিয়ে বুড়ী হলেম খেলছি নিয়ে যম।
মাঝে মাঝে আসতো ভ্রমর মৌ-ছাড়া এই বনে,
সুখ না পেয়ে চলে যেতো অধিক সন্তর্পনে।
সেই না ক্ষোভের দুঃখ ভরে কাঁদি যদি দিদি,
ধমক দিয়ে বেঁধে রাখিস আমায় নিরবধি।
চিত নাই বলে বিত্তটা চাই- একটা কিছু চাই!
তুই নিঠুরা দিদি আমার একটু দয়া নাই।
না হয় ক্ষানিক সুখ খুঁজিলাম ধরে হাতটি তার,
চোখ রাঙিয়ে তাকাস কেনো বলিস, 'রাজাকার'?
বাড়ী ছাড়া করলি জোরে রাস্তায় ঘুরি একা,
তোর সাথে হাত মিলাতে যে আমার নেইকো ঠ্যাকা?
এবার আমি এমন আগুন জ্বালবো জগৎময়,
নির্ভয়া মন উঠবে কেঁপে পাইবি ভিষণ ভয়।
ভয় কি জিনিষ দেখিসনি তুই; বলিস- 'একাত্তর'!
আমার কাছে বাঁধা আছে 'হিংস্র বাহাদুর'।
ছানা মাখন খাইয়ে তাদের করি শক্তিশালী,
তারাই এখন হইবে দিদি দেশ বাগানের মালী।
ছুরি ছেড়ে ধরছে এখন তেল বোমারই জ্বালা,
শান্তিতে তুই থাকবি নারে হইবি যে উতলা।
উকুন ভরা মাথা নিয়ে বুঝিস না তুই কিছু,
কাঁঠাল দেখে ভাবিস শুধু সুস্বাদু সব লিচু।
কাঁঠাল-আঠা দিবো চুলে বুঝবি তখন ঠ্যালা,
আমি এখন গোলাপী নই, মিরজাফরের চ্যালা।
শুন কথা শুন লক্ষ্মী দিদি ফিরে যা তুই ঘরে,
তোর মাথার সব উকুনগুলো বাছবো রে আদরে।
ইতি-
ছোড়দি'
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।