হংকংয়ের কাছে ২ উইকেটে হারলেও ব্যাট আর বলে অসাধারণ নৈপূণ্য দেখিয়ে বাংলাদেশকে ‘সুপার টেনে’ তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছেন দেশের সেরা অলরাউন্ডার।
হংকং ১৩.২ ওভারের নিচে লক্ষ্যে পৌঁছালে বিশ্বকাপ থেকেই বিদায় নিত বাংলাদেশ। শ্রেয়তর রানরেটে ‘আসল’ বিশ্বকাপে উঠতো আগের ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে অপেক্ষায় থাকা হিমালয় কন্যার দেশটি। সাকিব বীরত্বে তা আর হয়নি। তবে ২ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় হংকং।
হতাশাজনক ব্যাটিংয়ের পর বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য ছিল অবশ্যই ১৩.২ ওভার পর্যন্ত হংকং ইনিংস টেনে নেয়া। সুপার টেন নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় ওভারেই বোলিংয়ে আনা সাকিবকে দিয়ে টানা চার ওভার বল করান মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় বলেই ওয়াকাস বারকাতকে স্ট্যাম্পিং করে দলকে সাফল্য এনে দেন সাকিব।
অষ্টম ওভারটি সাকিব করবেন কি না তা নিয়ে ছোট্ট একটা সভাই বসে যায় মাঠে। বল হাতে নিয়ে হতাশ করেননি দেশের সেরা অলরাউন্ডার।
প্রথম বলে বিপজ্জনক ইরফান আহমেদ ও শেষ বলে অধিনায়ক জেমি অ্যাটসকিনসনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেয়া সাকিবের নৈপুণ্যেই খেলায় ফিরে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ রানও সাকিবের। ২৭ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৩৪ রান করে তার বিদায়ের পরই পথ হারায় বাংলাদেশ।
আগের দুটি ম্যাচেও দলের প্রয়োজনে সাকিবের ব্যাট জ্বলে উঠেছে।
৮১ গড়ে ৩ ম্যাচে ৮১ রান করেছেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ১৪২.১০।
বল হাতে ৩ ম্যাচে নিয়েছেন ৬ উইকেট। ইকোনমি রেট মাত্র ৩.৪৯। হংকংয়ের কাছে লজ্জার হারের পরও বাংলাদেশ দলে হাসি কেবল সাকিবকেই মানায়।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।