মাঠে ফিরতে মরিয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি পর্বে তাঁকে মাঠে নামাতেও মরিয়া রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
পায়ের চোট কাটাতেই রিয়ালের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন সিআর-৭। যেকোনো মূল্যেই তাঁকে খেলতে হবে। আনচেলত্তিও বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানোকে খেলিয়ে, ওকে সামনে রেখেই আমরা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পা রাখতে চাই।
’
ঘরের মাঠে আজ রিয়াল যদি ২-০ গোলে জয় পায়, তাহলেই শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের। ওদিকে স্টামফোর্ড ব্রিজে প্যারিস সেন্ট জার্মেইঁয়ের (পিএসজি) বিপক্ষে প্রতিশোধের লড়াইয়ে হোসে মরিনহোর শিষ্যরা কেমন করবেন, সেটা নিয়েও উত্তাল ইউরোপ। তোরেসরা কী আজ পারবেন ঘরের মাঠে পিএসজিকে প্রথম লেগের হারার উপযুক্ত জবাব দিতে? জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচবিহীন পিএসজিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ২০১২ সালে নাপোলি-কাণ্ডের মতোই কিছু একটা করে দেখাতে হবে চেলসিকে। কোচ মরিনহোও ঠিক তেমনটাই চান, ‘অমন কিছু ঘটুক, সেটা তো আমি চাইবই। ফুটবলে কত কিছুই না ঘটে।
তবে চেলসি নিজেদের খেলাটাই খেলবে। ’
সেই তুলনায় রিয়াল মাদ্রিদের রাস্তা অনেকটাই পরিষ্কার। প্রথম লেগে বরুশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চার অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছে ‘লস ব্লাঙ্কোস’রা। কিন্তু ফিরতি লেগে রিয়ালের দুশ্চিন্তার কারণ ওই রোনালদোই। অনুশীলনে থাকলেও তাঁর ম্যাচ ফিটনেস নিয়ে নাকি যথেষ্টই সংশয় থেকে যাচ্ছে।
মরার উপর খাঁড়ার ঘা গ্যারেথ বেলের চোট। লা লিগায় সোসিয়েদাদের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের বুটের আঘাতে ঊরু কেটে যাওয়ায় রীতিমতো সেলাই লেগেছে তাতে। আজ তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে একটা শঙ্কা কিন্তু রয়ে যাচ্ছেই। তবে এসব নিয়ে খুব একটা ভাবতে চান না আনচেলত্তি, ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই ওদের মাঠে গিয়ে হারতে চাই না। আশা করি সেরা একাদশ নিয়েই আমরা মাঠে নামতে পারব।
’
বরুশিয়া কোচ ইয়ুর্গেন কপ অবশ্য সেই তুলনায় অনেক বেশি বাস্তববাদী। ঘরের মাঠে খেলা হলেও শেষ চারে যেতে তাদের জিততে হবে ৪-০ গোলে। দারুণ ফর্মে থাকা রিয়ালের বিপক্ষে এই কাজটা যে কতটা কঠিন, সেটা মেনেই নিয়েছেন তিনি, ‘কাজটা খুব কঠিন। আমাদের ৪-০ গোলে জিততে হবে। সেটা কতটা সম্ভব কিংবা কতটা বাস্তবমুখী ব্যাপার, আমি তা জানি না।
আগে তো লড়াইটা করি !’
হোসে মরিনহো রয়েছেন সমস্যার সাগরে। আগের ম্যাচে বাজে গোল খাওয়ায় তিনি খেপেছিলেন দলের ডিফেন্ডারদের ওপর। স্ট্রাইকারদের নিয়েও তিনি খুব একটা স্বস্তিতে নেই, ‘দলে অনেক সমস্যা। গোল করার মতো উপযুক্ত স্ট্রাইকার নেই। গোলের সুযোগ পেয়েও আমার স্ট্রাইকাররা কেন গোল করতে পারছে না, তা নিয়ে দারুণ দুশ্চিন্তায় আছি।
আগের ম্যাচে রক্ষণভাগই তো ওদের হাতে ম্যাচটা তুলে দিল। আজ সতর্ক হয়ে খেলা ছাড়া সাফল্যের অন্য কোনো রাস্তাই আমার চোখে পড়ছে না। ’ এএফপি, রয়টার্স।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।