নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী পৌরসভার উত্তর নাজিরপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছুরিকাঘাতে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নাজিরপুর কেরানিবাড়ির দরজায় এ ঘটনা ঘটে।
সুমন পৌরসভার আলীপুর এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি গ্লোব সফট ড্রিঙ্কসের কর্মচারী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাত্র চার দিন আগে সুমন বিয়ে করেছেন।
ঘটনায় খবর পেয়ে সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় চলন্ত গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল (২৬) আহত হন। তিনি চিকিত্সা নিতে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাঁকে আটক করে। আহত ইব্রাহিম খলিল উত্তর নাজিরপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে।
সুমনের মামাতো ভাই সামছুল হক বলেন, বছর খানেক আগে একটি চুরির ঘটনায় ইব্রাহিম খলিলকে হাতেনাতে ধরে অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে আলীপুর এলাকার মো. সুমনও মারধর করেন।
আজ সকালে সুমন উত্তর নাজিরপুর এলাকার একটি চা-দোকানে গেলে খলিল তাঁর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন দোকানে উপস্থিত লোকজন বিতণ্ডা মিটিয়ে দেন।
এরপর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ইব্রাহিম আবার একই এলাকায় আসেন। একা পেয়ে লোকজন নিয়ে সুমনের ওপর ধারালো ছোরা নিয়ে হামলা চালান ইব্রাহিম। ধারালো ছোরার একটি আঘাত লাগে সুমনের বুকে।
এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।
জানতে চাইলে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ইব্রাহিম খলিলকে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।