খালেদা জিয়া কয়েকদিন আগে বরিশালের জনসমাবেশে ঘোষণা দিয়েছেন, 'চারদলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে একটা নয়, দুইটা পদ্মা সেতু বানিয়ে দেব'। এই কথাটা বলার পর থেকে চিন্তায় ছিলাম যে আওয়ামীলীগ একবেলা বাজার করা বন্ধ করে, মোবাইল কলের উপর ভ্যাট চাপিয়েও যেখানে একটা সেতুর টাকা জোগাড় না করতে পেরে টাকার জন্য যেখানে বিশ্বব্যাংকের সব শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হলো সেখানে কিভাবে বিএনপি এত টাকা জোগাড় করেও একটা বাড়তি সেতু করে দেওয়ার অঙ্গীকার করে দিলো!
অবশেষে মাথার জট খুলেছে। কোকোর শুধু সিঙ্গাপুরে পাচার করা অর্থের একাংশ ফেরত দিয়েছে সিঙ্গাপুর। পুরোটা না। আর তার পরিমানই সাড়ে তের কোটি টাকা! এক সিঙ্গাপুরের একাংশই এত, ইংল্যান্ড-আমেরিকার ব্যাংক খোঁজ করলে না জানি কত আছে! কোকো বাদ দিলাম, তারেকের পাচারকৃত অর্থ যোগ করলে তার পরিমান কত? খুলনার মেয়র ছিলো তৈয়েবুর রহমান।
লোকমুখে শুনতাম, তার স্ত্রী-সন্তান সব আমেরিকায়। সব টাকা-পয়সাও সেখানে পাঠায়। এতো গেলো এক মেয়র। আরও শ' তিনেক মন্ত্রী-এমপি-মেয়র আছে। সবার পাচার করা অর্থের পরিমান সম্ভবত: ৫০০০ কোটি টাকা (পদ্মা সেতুর ব্যয় ২৫০০ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে যাবে।
সে হিসেব কষেই খালেদা জিয়া জোরেসোরে এ ঘোষণা দিতে পেরেছেন। তার এই ঘোষণা শুনে অবশ্য আমি খুশি। তাতে পাচার করা টাকা গুলো তো দেশে ফিরবে!
আজ স্বপ্নে দেখেছি, 'একটা টাকার আত্মকাহিনী' রচনা লিখছি। যে টাকাটার জীবনী লিখছি সে বিদেশের এক ব্যাংকে বন্দি। অনেক ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করলাম, পারলাম না।
তাই স্বপ্নটা এক বছরের জন্য স্থগিত করে দিয়েছি। সামনের বছর পদ্মার আরিচা ঘাটের পদ্মা সেতু আর মাওনা ঘাটের পদ্মা সেতুর মাঝখান দিয়ে নৌকা ভ্রমণে বের হবো। নৌকার ছইয়ের ভিতর শুয়ে স্বপ্নটা সম্পূর্ণ করতে চাই। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।