আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

একটু হাসুন ১৮ ±

তুমি যদি প্রতিটি দিন এটা ভেবে পার কর যে আজই তোমার জীবনের শেষ দিন, তাহলে একদিন তুমি সত্যি সঠিক হবে। দোকানদার-রঙ্গ ১. ক্রেতা গেছেন পর্দার দোকানে। ক্রেতা: ভাই, আমাকে একটা পর্দা দিন তো। বিক্রেতা: কয় গজ? ক্রেতা: আরে গজ না! এক ফুট দিলেই হবে। বিক্রেতা: এক ফুট পর্দা কোন জানালায় লাগাবেন?? ক্রেতা: কেন! আমার কম্পিউটারের ‘উইন্ডোজ’-এ! ২. গ্রাম থেকে শহরে এসেছেন হরিপদ।

ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন ছবির দোকানে। দোকানে সারবেঁধে ঝোলানো আছে বাঁধাই করা হরেক রকম ছবি। গ্রামের দৃশ্যের ছবি, বাঘের ছবি, মোনালিসার ছবি...ইত্যাদি। ঘুরতে ঘুরতে একটা ছবির সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন হরিপদ। দোকানদারকে ডেকে বললেন, এই বিচ্ছিরি ছবিটার দাম ৫০০ ট্যাকা? এইডা তো আমি ফিরি দিলেও নিমু না! দোকানদার বললেন, ছবি কই? ওটা তো আয়না! ৩. সরদারজি গেছেন পতাকা কিনতে।

সরদারজি: আমাকে একটা বড় পতাকা দিন তো। আজ তো ক্রিকেট ম্যাচ আছে, পতাকা নিয়ে মাঠে যাব! দোকানদার পতাকা দেখালেন। সরদারজিও বেশ কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে পরখ করলেন। অতঃপর বললেন, কাপড়টা তো ভালোই...অন্য কোনো রং হবে?! ৪. শফিক সাহেব গেছেন দোকানে ফল কিনতে। শফিক: ভাই, অফিসের বদমেজাজি বসের জন্য আপেল নেব।

আপনার আপেলে কি কীটনাশক দেওয়া আছে? দোকানদার: (ফিসফিস করে) আমার আপেলে তো কীটনাশক দেওয়া নাই। তবে পাশের দোকানে কীটনাশক পাওয়া যায়! ঢাইলা দিমু এক শিশি? ৫. রাত তখন ১১টা। বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। এমন সময় খাবারের দোকানে খেতে এলেন ইদ্রিস সাহেব। দোকানদার: কিছু মনে করবেন না স্যার, আপনি কি বিবাহিত? ইদ্রিস সাহেব: তো তোমার কী মনে হয়? আমি কি আমার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এই ঝড়ের রাতে বাইরে খেতে এসেছি? ৬. আবুল মিঞা ফলের দোকানদার।

একদিন তাঁর দোকানে এলেন এক অদ্ভুত ক্রেতা। ক্রেতা: আমাকে এক কেজি আপেল দিন তো। প্রতিটা আপেল আলাদা আলাদা প্যাকেটে দেবেন। আবুল মিঞা তা-ই করলেন। ক্রেতা: হু, এবার আমাকে এক কেজি আম দিন।

এ ক্ষেত্রেও প্রতিটা আম ভিন্ন ভিন্ন ঠোঙায় দেবেন। আবুল মিঞা তা-ই করলেন। ক্রেতা তখন দেখছিলেন, আবুল মিঞার দোকানে আর কী কী আছে। আবুল চটজলদি দুই হাতে আঙুরগুলো আড়াল করে বললেন, ভাই, আমি আঙুর বিক্রি করি না! ৭. পল্টু বেকারির দোকানে নতুন চাকরি পেয়েছে। অথচ চাকরির দুই দিনের মাথায় দোকানমালিক তাকে ছাঁটাই করে দিল।

কী তার অপরাধ? দোকানে এক ভদ্রলোক এসেছিলেন। বলেছিলেন, খোকা, তোমাদের এখানে কি কুকুরকে খাওয়ানোর কেক পাওয়া যায়? পল্টু গদগদ হয়ে বলেছিল, অবশ্যই স্যার! এখানে খাবেন, না বাড়ি গিয়ে খাবেন? ৮. ক্রেতা: তোমার দোকানে কি সবকিছু পাওয়া যায়? বিক্রেতা: জি স্যার, সব পাবেন! ক্রেতা: বিস্কুট আছে? বিক্রেতা: ওহেহা, স্যরি স্যার, বিস্কুট একটু আগেই শেষ হয়ে গেছে। ক্রেতা: চাল আছে? বিক্রেতা: চাল স্যার এখনো এসে পৌঁছায়নি। আমি স্যার খুবই দুঃখিত। ক্রেতা: সাবান আছে? বিক্রেতা: স্যার, সাবান আজকে বিকেলে এলেই পাবেন, এখন নেই।

ক্রেতা: তালা আছে? বিক্রেতা: জি জি স্যার! এটা আছে! ক্রেতা: গুড। দোকানে তালা লাগাও, আর বাড়ি গিয়ে ঘুমাও। সংগৃহীত ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.