আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

স্বর্গীয় প্রেতাত্মা

সত্য যে কঠিন,কঠিনেরে ভালোবাসিলাম । ১.স্বপ্নীল ভোর,পাখিরা বিচিত্র ভাষায় কিচিরমিচির করে সূর্যোদয়কে স্বাগত জানাচ্ছে । আধুনিক সভ্যতার কাণ্ডারিরা জেগে উঠতে শুরু করেছে । চারদিকে শীতল একটা পরিবেশ বিরাজ করছে । এমনি এক ভোরে অফ হোয়াইট রঙের চমৎকার ডুপ্লেক্স বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে রহমান সাদিক সাহেবের মনের মধ্যে দারুণ আনন্দের এক ঘোর তৈরি হলো ।

আশৈশব এমন একটি বাড়ির স্বপ্নই দেখে এসেছেন তিনি । গতকাল সাভারের ছায়াঘেরা এই বাড়িটিতে স্ত্রী,পুত্র ও পুত্রবধূ নিয়ে উঠেছেন । ব্যাংকে বেশ বড় অঙ্কের টাকা জমেছিল । সেই টাকার কিছু নিয়ে তিনি এই বাড়ির প্লটটা কিনেছিলেন আজ থেকে প্রায় ৮ বছর আগে । বাকি টাকা দিয়ে তিনি শেয়ার ব্যবসা করেছেন ।

বাড়িটার ওপর তলায় তিনটা শোবার ঘর আর একটা স্টাডিরুম । নিচে অনেকটা জায়গা জুড়ে বসার ঘর । দামি দামি সোফার একপাশে ডাইনিং টেবিল,অন্যপাশে আরেকটি শোবার ঘর যা মূলত অতিথিদের জন্য । রহমান সাহেবের ছেলে মশিউর রহমান একজন ডাক্তার,পড়াশোনা করেছেন এক বেসরকারি মেডিকেল কলেজে । সেখান থেকে এমবিবিএস শেষ করে এফসিপিএস করেছেন মাদ্রাজের একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ।

বর্তমানে তিনি একজন বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট,কর্মরত আছেন ডিভাইন কার্ডিয়াক হাসপাতালে । বিয়ে করেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকা মুন্নিকে । মুন্নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করে সম্প্রতি সাভার সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন । রাত পৌনে ১টা । মশিউর বরাবরের মত আজও তার শোবার ঘর লাগোয়া স্টাডিরুমের ইজিচেয়ারটায় বসে পড়াশোনা করছেন ।

মুন্নি সামনে এসে জিজ্ঞেস করলো, ‘অ্যাই,তোমার কিছু লাগবে ? আমি ঘুমুতে যাচ্ছি । ’ ‘না,তুমি শুয়ে পড়ো । আমার একটু দেরি হবে । ’ মুন্নি পিছন দিকে একটু ঝুঁকে মশিউরের কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বলল , ‘সত্যি তো ? ভালোভাবে আমার দিকে চেয়ে দেখো তো কিছু লাগবে কি না !’ প্রচ্ছন্ন আবেদনটা অগ্রাহ্য করার মতো না । ঘুম ঘুম চোখে নান্দনিক মাদকতায় মুন্নিকে এই মুহূর্তে যেকোনো সময়ের চেয়ে অপূর্ব লাগছে ।

জৈবিক তাড়নায় মশিউরের ভিতরটা আস্তে আস্তে রোমান্টিক হতে চেষ্টা করছে । এমন সময় দরজায় প্রবল করাঘাত স্বামী-স্ত্রীর মধুর সময়ের ব্যাঘাত ঘটাল । ‘বাবু,দরজা খোল । তোর বাবা যেন কেমন করছে !’ আর্তনাদ করে উঠলেন রহমান সাহেবের স্ত্রী সালমা বেগম । তিনজন দৌড়ে রহমান সাহেবের শোবার ঘরে গেল ।

তিনি বিছানায় বসে পানি খাচ্ছেন । পুরো চেহারায় অস্বস্তির ছাপ খুব স্পষ্ট । ‘বাবা,কী হয়েছে ?’ মুন্নি শ্বশুরের গায়ে হাত রাখলো । ‘তেমন কিছু না মা। দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেয়েছি ।

যাও,তোমরা ঘুমুতে যাও । আমি এখন ভালো বোধ করছি । ’ ‘কী স্বপ্ন দেখেছ বাবা ?’ ছেলে ক্ষীণস্বরে জিজ্ঞেস করলো । ‘বলতে ইচ্ছে করছে না । তোমরা এখন যাও ।

’ তারা চলে যাওয়ার পর রহমান সাহেবও স্ত্রীর পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলেন । একটু পরেই আবার ধড়মড় করে উঠে বসলেন । একই স্বপ্ন তিনি আবার দেখেছেন । প্রচণ্ড ভয়ের অনুভূতি কাজ করছে এখন তার মধ্যে । খুব একাকিত্ব বোধ করছেন ।

স্ত্রীকে জাগাতে ইচ্ছে করছে না,তিনি বেঘোরে ঘুমুচ্ছেন । বারান্দায় খানিকক্ষণ পায়চারি করে আবার ঘুমুতে গেলেন । খানিক বাদে আবারও সেই একই স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলেন । কেন যেন তার মনে হলো বাড়িটিতে একটি অশরীরী আত্মা ভর করেছে । ভাবতেই ভয়ের একটা শীতল স্রোত বুকের ভিতর অনুভব করলেন ।

পুরো ব্যাপারটাকে এক ধরনের হ্যালুসিনেশান ধরে তিনি মনে মনে বললেন , ‘সাদিক,তুমি যা স্বপ্নে যা দেখেছ সব মিথ্যা । তুমি একজন সুখী মানুষ । গত কিছুদিনের শারীরিক-মানসিক উত্তেজনার দরুন তোমার মস্তিষ্কের নিউরনে অনিয়ন্ত্রিত অনুরণন ঘটছে । তুমি একটু হাসো,দেখবে সব ঠিক হয়ে গেছে। ’ রহমান সাহেব একটা কমিকসের বই নিয়ে কিছু না পড়েই মৃদুস্বরে হাসতে লাগলেন ।

অনর্থক হাসার ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তিনি খানিকটা লজ্জিত হলেন । বইটা রেখে টেবিলে রাখা গ্লাসের পুরোটা পানি খেয়ে তৃপ্তির এক নিঃশ্বাস ছাড়লেন । তারপর তিনবার ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে ঘুমুতে গেলেন । ঘণ্টাখানিকের মধ্যেই তিনি হড়বড় করে বিছানায় বসে পড়লেন । আগের স্বপ্নটাই আবার দেখেছেন ।

এবার আরও ভয়ানক । তিনি বিপন্ন বোধ করতে লাগলেন । চোখের কোলজুড়ে ভয়ের চিহ্ন । তিনি না ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বপ্নটা পুরোপুরি মনে করার চেষ্টা করলেন। কতগুলো শিশু যাদের চোখজোড়া ভয়ংকর হিংস্র প্রকৃতির,রহমান সাহেবকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ।

তারা যতই কাছে আসছে ততই তাদের পুরো অবয়ব হিংস্র থেকে হিংস্রতর হচ্ছে । একটা কুৎসিত চাহনি নিয়ে তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে । বিরাট আকৃতির কতকগুলো ধারালো নখ প্রবল ক্ষিপ্রতায় তাঁর শরীরটাকে ছিঁড়ে ক্ষত-বিক্ষত করছে । তিনি অস্ফুট আর্তনাদ করে উঠতেই তারা একত্রে বলে ওঠলো , ‘আমার চকলেটগুলো দে,আমার টিফিনটা ফেরত দে,আমার আইসক্রিমটা দে । নয়ত তোকে আজ মেরে ফেলব ।

’ বলেই তারা একত্রে তাঁর গলা চেপে ধরলো । স্বপ্নের ঠিক এই সময়টায় প্রচণ্ড ভয়ে তাঁর ঘুম ভেঙে যায় । ২.প্রথম দুপুরে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নেমেছে নেত্রকোনা শহরের বুকে । মাশুক হাতে কতগুলো কাগজ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছোটবাজার এলাকার বকুলের চায়ের দোকানে । এলোমেলো চুল,আকামানো দাড়িতে রোগাটে চেহারাটায় এক অদ্ভুত বিষণ্নতার মেঘ জমে আছে ।

চায়ে চুমুক দিতে দিতে সে বৃষ্টি পড়া দেখছে । বৃষ্টির ছাঁট মাঝে মাঝে গায়ে বুলিয়ে দিচ্ছে শীতল পরশ । এই অসময়ে বৃষ্টি আসাতে সে খুব বিরক্ত হলো । আজ তার অনেক কাজ । পাভেলের সাহায্যার্তে দত্ত হাই স্কুলের হেডমাস্টার সোহেলী বেগমের সাথে তার দেখা করার কথা ।

পাভেল মেডিকেল কলেজের ছাত্র । সে দূরারোগ্য অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রোগে আক্রান্ত । চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকা দরকার যা পাভেলের বাবার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয় । অত্যন্ত মেধাবী এই ছেলেটির ঘনিষ্ট বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তুখোড় ছাত্র তন্ময় । মাশুক তন্ময়ের সহপাঠী ।

প্রখর তেজোদীপ্ত তরুণ,গান-কবিতা নিয়ে সারাক্ষণ মাতামাতি করে আর সমাজ বদলে দেবার চিন্তা করে । তন্ময়ের কাছ থেকে শুনে মাশুক পাভেলের জন্য ফান্ড গঠন করার পক্ষে মত দেয় । আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যার যার এলাকায় গিয়ে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য নিয়ে পাভেলকে বাঁচানোর দৃপ্তশপথ নেয় তন্ময়ের সব বন্ধুরা । পয়লা জুনের আগেই সবাই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে । মাশুক নেত্রকোনার দায়িত্ব নিয়েছে ।

যেভাবেই হোক পাভেলকে বাঁচাতে হবে । যে হবে ভবিষ্যতের মানুষ বাঁচানোর কারিগর,তার জীবনই আজ বিপন্ন । সে শুধু টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে পারে না – কিছুতেই না । ভাবতে ভাবতেই বৃষ্টি পুরোপুরি থেমে গিয়ে সূর্যদেবের হালকা কিরণছটায় উদ্ভাসিত হলো রাস্তাঘাট । দত্ত স্কুলের ভিতরে ঢুকে সে সোজা চলে গেল প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ।

সোহেলী বেগম সবকিছু শুনে মাশুককে সর্বপ্রকার সাহায্য দেয়ার অঙ্গীকার করলেন । পরম মমতায় মাশুকের পিঠে হাত বুলিয়ে বললেন , ‘বাবা শোনো,তুমি আমাদের এলাকার ছেলে । তোমার বন্ধুকে তো অবশ্যই বাঁচাতে হবে । সবাই তোমার বন্ধুকে সাহায্য করবে । তুমি আমার সাথে এখন সব ক্লাসরুমে চলো ।

আগে আমরা যাব প্রাইমারি শাখায় । ’ ঠিক এই মুহুর্তে মাশুকের চোখে নোনা জলের আনাগোনা শুরু হলো । অশ্রুসিক্ত চোখে সে বললো , ‘ম্যাডাম,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । ’ তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে প্রচণ্ড চিৎকার-চেঁচামেচি হচ্ছে । শিক্ষক পড়াচ্ছেন,কিন্তু বাচ্চাদের সেদিকে যেন ভ্রুক্ষেপ নেই ।

বিচিত্র ভঙ্গীতে তারা আওয়াজ করে চলেছে । সোহেলী বেগম ক্লাসে ঢুকে কোনোরকম ভূমিকা না করেই সরাসরি বললেন , ‘বাচ্চারা শোনো,কাল তোমরা সবাই টাকা নিয়ে আসবে । তোমাদের বাবাকে বলবে এক ভাইয়া অসুস্থ,তাকে বাঁচাতে টাকা লাগবে । ঠিক আছে ?’ সামনে বসা শান্ত যার আরেকটি নাম হলো ‘দুষ্টের হাড্ডি’ এবং যার নামকরণকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে ভুল নামকরণ – সে দাঁড়িয়ে বললো , ‘আমি আনতে পারব না আপা । বাবা ৫ টাকার বেশি কোনোদিন দেয় না ।

মরে গেলেও কাজ হবে না । ’ ‘তাহলে সেই ৫ টাকাই দেবে,বুঝেছ ?’ ‘বাবা তো এই টাকা দেয় চকলেট খাওয়ার জন্য । যদি শোনে আমি অন্য কাউকে টাকা দিয়েছি,তো আমাকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে ফেলবে !’ মাশুকের খুব হাসি পেল । ম্যাডাম বললেন, ‘তুমি বেশি পেকে গেছ । ঠিক আছে,তোমার দেয়া লাগবে না ।

বাকিরা সবাই টাকা নিয়ে আসবে,কেমন?’ এই সুযোগের অপেক্ষায়ই বোধহয় বাচ্চারা ছিল । একে একে সবাই বিপুল উদ্যমে শান্তকে অনুকরণ করা শুরু করলো । কারও প্রতিদিন টিফিন না খেলে পেটে পোকা হয়,কারও আইসক্রিম না খেলে পড়া ভুলে যায়,কারও চকলেট না খেলে মাথা ঘোরায় ইত্যাদি অদ্ভুত সব টাকা না দেবার অজুহাত । একেকজন বলে আর অন্যরা সবাই হেসে গড়িয়ে পড়ে । কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের কাছে এটা একটা খেলায় পরিণত হলো ।

সোহেলী বেগম কিছুটা হতাশ হয়ে বেরিয়ে আসলেন । বাচ্চাগুলোর কাণ্ড দেখে মাশুক অবশ্য বেশ মজা পেল । তারা এরপর অন্য ক্লাসগুলোতে গিয়ে সবাইকে পরদিন টাকা আনতে বললেন । সবাইকে অবাক করে দিয়ে শান্ত আর তার ক্লাসের সব বন্ধুরা পরদিন ১০ টাকা করে জমা দিলো শ্রেণিশিক্ষক শায়লার হাতে । খবর পেয়ে মাশুককে নিয়ে সোহেলী বেগম তাদের ক্লাসে হাজির হলেন ।

ক্লাসের সবচেয়ে শান্ত মেয়ে বর্ণা বলল, ‘আপা,শান্ত আমাদের সবাইকে গতকাল বলেছে টাকা নিয়ে আসতে । তাই আমরা সবাই টাকা নিয়ে এসেছি । ৫ টাকা করে দিলে তো ভাইয়া ভালো হবে না,তাই না ? আমরা তাই ১০ টাকা করে নিয়ে এসেছি । আমরা আজ কেউ কিছু খাব না । আমাদের টাকায় ভাইয়া সুস্থ হবে না ?’ সোহেলী বেগম চোখের পানি কোনোমতে আটকালেন ।

সামনে বসা বর্ণার মুখটা গভীর মমতায় ছুঁয়ে বললেন, ‘অবশ্যই মামণি। ’ শান্ত বলল, ‘আপা,আজ আমাদের ছুটি দিয়ে দেন !’ তার কথা শুনে সবাই প্রচণ্ডভাবে হাসতে লাগল । এভাবে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ থেকে মাশুক টাকা সংগ্রহ করে বেশ বড় একটা অঙ্ক দাঁড় করালো । তারপর সেটা পাভেলের বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিলো । ৩.সকালে মার আর্তচিৎকারে মশিউর-মুন্নির ঘুম ভাঙল ।

রহমান সাদিক সাহেব মারা গেছেন । সালমা বেগম সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন মেঝেতে তার স্বামীর লাশ । তার গলার ধারে বেশ কিছু ক্ষত । ডান হাতের আঙুলে একটা কলম ঝুলে আছে । টেবিলের ওপর একটা চিরকুট পাওয়া গেল ।

সেখানে খুব স্পষ্ট করে লেখা – ‘আমি অনুভব করছি কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যাব । পাভেল,তুমি আমার কবরের এপিটাপ লিখবে ‘লোভে পাপ,পাপে মৃত্যু’ । আমি এতে খুব খুশি হব । ’ মশিউর রহমানের ডাকনাম পাভেল যা কদাচিৎ ডাকা হয় । তিনি চিরকুটটা হাতে নিয়ে দ্রুত পকেটে ভরলেন ।

তারপর বাথরুমে গিয়ে ছিঁড়ে কুটিকুটি করলেন । বাবার মৃত্যুর দুদিন পর মাঝরাত্রে মশিউর রহমান একটা ভয়ানক দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলেন । স্বপ্নটা অনেকটা এ রকম - কতগুলো শিশু যাদের চোখজোড়া ভয়ংকর হিংস্র প্রকৃতির,তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে................ ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.