আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

রাজনীতির হিসাবনিকাশ জটিল হয়ে যাওয়ার আগেই ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ টা ফাঁসির রায় এবং তার আপিল নিষ্পত্তি ও দন্ড পুণর্বহাল চাই

এডিটেড জানুয়ারীর আগে অন্তত ৬ জন রাজাকারের ফাঁসীর আদেশ ও তার আপিলনিষ্পত্তি হয়ে রায় বহাল থাকলে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে সন্তুষ্ট হব। তাইলে অন্তত জামাত-শিবির দূর্বল হয়ে উঠবে। মুক্তিযুদ্ধ তো দেখিনি কিন্তু যতটুকু অনুভব করতে পারি তাতে বুঝি কি পরিমাণ অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছিল নিরীহ মানুষগুলোর উপর!ইতোমধ্যে তিনজনের ফাঁসির আদেশ তো এসে গেল। একজন পলাতক এবং বাকী দুইজন জেলে। একজনের যাবজ্জীবন হওয়ায় তার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলছে।

আশা করি সে রায়ে তারও ফাঁসির আদেশ আসবে। এরপর হেভিওয়েট কোন একটা রাজাকারের ফাঁসির আদেশ আসুক। মোটকথা ৬ জন চিহ্নিত রাজাকার,যার মধ্যে ছাত্রসংঘের প্রধান,বদর বাহিনীর প্রধান,রাজাকার শিরোমনী,রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা,আল-শামসের নেতা এধরণের ৬ জনের ফাঁসির আদেশ এবং এরপর নিশ্চয় তারা আপিল করবে,সেই আপিল নিষ্পত্তি ও আদেশ যথারীতি বহাল,তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এটাই চাই। আজকের গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যদি বিএনপি জিতে যায় তবে টানা ৫ সিটি নির্বাচনে জেতার যে রেশ আর চাঙ্গাভাব তা বিএনপি হারাতে চাইবেনা। এটা খেয়াল রাখতে হবে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাঁটি হওয়ার পরেও গাজীপুরে কেন পিছি্যে আছে আওয়ামীলীগ?কেননা এখানে প্রায় ৩৫ % ভোটারই ভোট দেয়নি।

অর্থাৎ বিএনপি-জামাতচক্র স্বত:স্ফূর্তভাবেই ভোটে অংশ নিয়ে আসনটি ছিনিয়ে এনেছে। যাই হোক তারা তা নিয়ে যাক। আসল কথা হল এই যে ৩৫% ভোট দেয়নি তাকে পূঁজি করে বিএনপি প্রচার করবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি অথচ তাদের মুখে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের মিষ্টি লেগে থাকবে তখনও। তার বিস্তারিত ব্যাখ্যায় তারা যাবেনা তবে তারা তাদের কর্মীসমর্থকদের এটা বোঝাতে চাইবে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন নয়। মনে রাখা ভালো বিএনপির রাজনীতি চলে তার কর্মীসমর্থকদের হূৎস্পন্দনের উপর নির্ভর করে যখন যা সুবিধা সেই পন্হা অবলম্বন করা।

আগামী নির্বাচনের আগে তাই বিএনপি কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে? -জামায়াত-শিবিরের সঙ্গত্যাগ?হতে পারে তা অস্বাভাবিক কিছুনা। তবে কেন যেন মনে হয় জামায়াত-শিবিরকে বিএনপি ভয় পায়। -এরশাদকে অবহেলা করে এখন কোন জোটই সামনে এগিয়ে যাবেনা। গাজীপুরে আওয়ামীলীগকে শেষমুহুর্তে সমর্থন দেওয়ায় এরশাদের উপর বিএনপি ভরসা করবেনা। এরশাদ যদি ৯৮% আসনেও এককভাবে প্রার্থী দিয়ে বসেন তবে তা বিএনপির জন্য অশনীংকেত।

আওয়ামীলীগের উচিৎ এখন ব্যাপকহারে গণসংযোগ বৃদ্ধি করা। ৫ টি সিটি কর্পোরেশন ছুটে গেল তা কোন ব্যাপার নয়। আসল ব্যাপার হল স্হানীয় সরকারে প্রভাব বৃদ্ধি এবং জাতীয় নির্বাচনে তা কাজে লাগানো। আওয়ামীলীগকে জিততে হবেই। তার মনে রাখা দরকার জাতীয় নির্বাচন শুধু তার অস্তিত্বের জন্যই নয়,সারা বাংলাদেশের মানুষের অস্তিত্বের সাথেও সম্পর্কিত।

তার মনে রাখতে হবে সে আছে বলেই বাংলাদেশ মিনিপাকিস্তানে পরিণত হয়নি। অতএব তার বেঁচে থাকাটা জরূরী। এখানে সুশীলতার কিছু নেই এটা স্বীকার বা অস্বীকার করতে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.